একদিনে ৯৯৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি—চলতি বছরে এক দিনে এটাই সর্বোচ্চ আক্রান্তের নতুন রেকর্ড। একই সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন মৃত্যুর ফলে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ৮৫ জনে। আর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৯ হাজার ৯২৩ জন।
সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৮৬২ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে মোট ২৭ হাজার ৭৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
মাসভিত্তিক হিসাবে আগস্টেই এখন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে জুলাইয়ে ৩৬, জুনে ১৩, মে মাসে ১ এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ২ জন করে মারা যান।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। সেখানে নতুন রোগীর সংখ্যা ৩৮১ জন।
এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২১৫, বরিশালে ১১৭, চট্টগ্রামে ১০৭, ময়মনসিংহে ৭১ এবং রাজশাহী বিভাগে ৭৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এই হিসাব থেকে দেখা যাচ্ছে, শুধু রাজধানী বা ঢাকা ঘিরেই নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই ডেঙ্গুর চাপ বাড়ছে।
ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর চাপও গুরুত্বপূর্ণ। একদিনে প্রায় এক হাজার রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়া চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগে রোগী ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টিও নজরে রাখার মতো।
নিজস্ব পর্যবেক্ষণ: এবারের পরিসংখ্যানে শুধু মোট আক্রান্তের সংখ্যা নয়, কোন কোন অঞ্চলে নতুন রোগী দ্রুত বাড়ছে—সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি। কারণ স্থানীয়ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে শুধু হাসপাতালকেন্দ্রিক চিকিৎসা নয়, মশা নিয়ন্ত্রণ ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার উদ্যোগও একসঙ্গে জোরদার করা প্রয়োজন।
ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা, দিনের বেলায় মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করা এবং জ্বর হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে জরুরি।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
একদিনে ৯৯৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি—চলতি বছরে এক দিনে এটাই সর্বোচ্চ আক্রান্তের নতুন রেকর্ড। একই সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন মৃত্যুর ফলে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ৮৫ জনে। আর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৯ হাজার ৯২৩ জন।
সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৮৬২ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে মোট ২৭ হাজার ৭৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
মাসভিত্তিক হিসাবে আগস্টেই এখন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে জুলাইয়ে ৩৬, জুনে ১৩, মে মাসে ১ এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ২ জন করে মারা যান।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। সেখানে নতুন রোগীর সংখ্যা ৩৮১ জন।
এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২১৫, বরিশালে ১১৭, চট্টগ্রামে ১০৭, ময়মনসিংহে ৭১ এবং রাজশাহী বিভাগে ৭৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এই হিসাব থেকে দেখা যাচ্ছে, শুধু রাজধানী বা ঢাকা ঘিরেই নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই ডেঙ্গুর চাপ বাড়ছে।
ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর চাপও গুরুত্বপূর্ণ। একদিনে প্রায় এক হাজার রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়া চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগে রোগী ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টিও নজরে রাখার মতো।
নিজস্ব পর্যবেক্ষণ: এবারের পরিসংখ্যানে শুধু মোট আক্রান্তের সংখ্যা নয়, কোন কোন অঞ্চলে নতুন রোগী দ্রুত বাড়ছে—সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি। কারণ স্থানীয়ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে শুধু হাসপাতালকেন্দ্রিক চিকিৎসা নয়, মশা নিয়ন্ত্রণ ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার উদ্যোগও একসঙ্গে জোরদার করা প্রয়োজন।
ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা, দিনের বেলায় মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করা এবং জ্বর হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন