জুলাই আন্দোলনের পর পলাতক অবস্থায় থাকা ৪০ জন পুলিশ কর্মকর্তার অনুকূলে দেওয়া পুলিশ পদক প্রত্যাহার করেছে সরকার। তাদের মধ্যে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকারের মতো শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সহকারী সচিব তৌছিফ আহমেদ। বিষয়টি পরে রোববার প্রকাশ্যে আসে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যেসব পুলিশ সদস্য ইতোমধ্যে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন এবং যাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, তাদের প্রদত্ত সকল পুলিশ পদক প্রত্যাহার করা হলো। মোট ৪০ জন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার আন্দোলনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পর থেকেই একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত হয়ে যান। পরবর্তীতে তাদের অনেককেই পলাতক এবং সাময়িক বরখাস্ত ঘোষণা করা হয়।
প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তাদের তালিকায় ডিআইজি, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ পরিদর্শক পর্যায়ের কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, পদক প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত মূলত শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। কারণ, পদক সাধারণত সেবা, দক্ষতা ও শৃঙ্খলার স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়।
এদিকে প্রশাসনিক মহলে এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা আগে খুব কমই নেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রশাসনের ভেতরে শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার একটি অংশ হিসেবেই এই ধরনের সিদ্ধান্ত আসছে।
সব মিলিয়ে, পলাতক ৪০ পুলিশ কর্মকর্তার পদক প্রত্যাহারের মাধ্যমে সরকার কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৫
জুলাই আন্দোলনের পর পলাতক অবস্থায় থাকা ৪০ জন পুলিশ কর্মকর্তার অনুকূলে দেওয়া পুলিশ পদক প্রত্যাহার করেছে সরকার। তাদের মধ্যে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকারের মতো শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সহকারী সচিব তৌছিফ আহমেদ। বিষয়টি পরে রোববার প্রকাশ্যে আসে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যেসব পুলিশ সদস্য ইতোমধ্যে কর্মস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন এবং যাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, তাদের প্রদত্ত সকল পুলিশ পদক প্রত্যাহার করা হলো। মোট ৪০ জন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার আন্দোলনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পর থেকেই একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত হয়ে যান। পরবর্তীতে তাদের অনেককেই পলাতক এবং সাময়িক বরখাস্ত ঘোষণা করা হয়।
প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তাদের তালিকায় ডিআইজি, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ পরিদর্শক পর্যায়ের কর্মকর্তারা রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, পদক প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত মূলত শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। কারণ, পদক সাধারণত সেবা, দক্ষতা ও শৃঙ্খলার স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়।
এদিকে প্রশাসনিক মহলে এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা আগে খুব কমই নেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রশাসনের ভেতরে শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার একটি অংশ হিসেবেই এই ধরনের সিদ্ধান্ত আসছে।
সব মিলিয়ে, পলাতক ৪০ পুলিশ কর্মকর্তার পদক প্রত্যাহারের মাধ্যমে সরকার কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন