দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ-রাশিয়া বৈঠক: জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার

বাংলাদেশ-রাশিয়া বৈঠক: জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার

এলডিসি উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত সুবিধা হারানোর শঙ্কা, ঝুঁকিতে ১৭.৫ বিলিয়ন ডলারের রফতানি আয়

রাজন-রাকিবের মতো রামিসার বিচারও কি হারিয়ে যাবে উচ্চ আদালতে!

কক্সবাজারে পুলিশের জোড়া অভিযান: অপহৃত শিশু উদ্ধার, মানবপাচার মামলার আলোচিত আসামি গ্রেফতার

ঢাকায় আজ কোথায় কী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুষ্ঠান, স্টিল খাতের সংবাদ সম্মেলন ও জলবায়ু বিষয়ক গোলটেবিল

নওগাঁর মান্দায় জমি বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, আটক ৪

বেনাপোল সীমান্তে ১০ লক্ষ টাকার মাদকদ্রব্য ও অবৈধ মালামাল আটক

সীমান্তে অবৈধ পুশ ইন ইস্যুতে মুখোমুখি বিজিবি-বিএসএফ, দিল্লির বৈঠকে গুরুত্ব পাচ্ছে সীমান্ত নিরাপত্তা

বাংলাদেশ-রাশিয়া বৈঠক: জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার

বাংলাদেশ-রাশিয়া বৈঠক: জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার
মস্কোয় বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। -ছবি: সংগৃহীত

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারে সম্মত বাংলাদেশ-রাশিয়া

জ্বালানি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে নতুন করে অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশ ও রাশিয়া। মস্কোতে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ কূটনীতিকরা শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েই নয়, সমসাময়িক বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নানা ইস্যুতেও মতবিনিময় করেছেন। বিশেষ করে জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ ভূমিকা, বহুপাক্ষিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।


সোমবার মস্কোতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।

জ্বালানি থেকে শিক্ষা, বাড়ছে সহযোগিতার পরিধি

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র পর্যালোচনা করা হয়। জ্বালানি খাত, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে উভয় পক্ষ ইতিবাচক অবস্থান ব্যক্ত করে।

বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় জ্বালানি খাতের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণের বিষয়টিও সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার আলোচনা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিভিন্ন প্রকল্প ও সহযোগিতা কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করার আহ্বান

বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা। ড. খলিলুর রহমান ও সের্গেই লাভরভ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এটি ড. খলিলুর রহমানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর। এ উপলক্ষে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে অভিনন্দন জানান এবং দায়িত্ব পালনে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।


লাভরভ বলেন, জাতিসংঘকে আরও কার্যকর ও প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগকে রাশিয়া সমর্থন করবে। পাশাপাশি বৈশ্বিক বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকা আরও শক্তিশালী হওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন থেকে বাস্তবধর্মী ও কার্যকর ফলাফল প্রত্যাশা করছে মস্কো। তিনি জানান, দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতির পুরো সময়জুড়ে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকবে।

৫৫ বছরের সম্পর্ক উদযাপনের প্রস্তুতি

বৈঠকে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে এবং তা সময়ের সঙ্গে আরও বিস্তৃত হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরের জানুয়ারিতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৫তম বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হবে। শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বাণিজ্য, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে এই মাইলফলককে স্মরণীয় করে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বার্ষিকী উদযাপন দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে পারে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও প্রযুক্তি বিনিময়ের নতুন সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক?

আন্তর্জাতিক রাজনীতির বর্তমান বাস্তবতায় বিভিন্ন দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক নতুনভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বহুপাক্ষিক কূটনীতির চ্যালেঞ্জের মধ্যে বাংলাদেশও তার আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে উন্নয়ন, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও জ্বালানি খাতে বহুমুখী সহযোগিতা দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষায় সহায়ক হতে পারে।


তবে এসব উদ্যোগ কতটা বাস্তব অগ্রগতিতে রূপ নেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। কারণ কূটনৈতিক বৈঠকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের ওপরই নির্ভর করবে দুই দেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার গভীরতা ও কার্যকারিতা।

বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার সাম্প্রতিক এই আলোচনা তাই শুধু একটি নিয়মিত কূটনৈতিক বৈঠক নয়; বরং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাব্য নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত হিসেবেও দেখছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা।

বিষয় : বাংলাদেশ রাশিয়া সম্পর্ক, খলিলুর রহমান, সের্গেই লাভরভ, বাংলাদেশ রাশিয়া বৈঠক, জ্বালানি সহযোগিতা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬


বাংলাদেশ-রাশিয়া বৈঠক: জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬

featured Image

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারে সম্মত বাংলাদেশ-রাশিয়া

জ্বালানি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে নতুন করে অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশ ও রাশিয়া। মস্কোতে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ কূটনীতিকরা শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েই নয়, সমসাময়িক বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নানা ইস্যুতেও মতবিনিময় করেছেন। বিশেষ করে জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ ভূমিকা, বহুপাক্ষিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।


সোমবার মস্কোতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।

জ্বালানি থেকে শিক্ষা, বাড়ছে সহযোগিতার পরিধি

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র পর্যালোচনা করা হয়। জ্বালানি খাত, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে উভয় পক্ষ ইতিবাচক অবস্থান ব্যক্ত করে।

বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় জ্বালানি খাতের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণের বিষয়টিও সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার আলোচনা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিভিন্ন প্রকল্প ও সহযোগিতা কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করার আহ্বান

বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা। ড. খলিলুর রহমান ও সের্গেই লাভরভ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এটি ড. খলিলুর রহমানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর। এ উপলক্ষে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে অভিনন্দন জানান এবং দায়িত্ব পালনে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।


লাভরভ বলেন, জাতিসংঘকে আরও কার্যকর ও প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগকে রাশিয়া সমর্থন করবে। পাশাপাশি বৈশ্বিক বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকা আরও শক্তিশালী হওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন থেকে বাস্তবধর্মী ও কার্যকর ফলাফল প্রত্যাশা করছে মস্কো। তিনি জানান, দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতির পুরো সময়জুড়ে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকবে।

৫৫ বছরের সম্পর্ক উদযাপনের প্রস্তুতি

বৈঠকে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে এবং তা সময়ের সঙ্গে আরও বিস্তৃত হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরের জানুয়ারিতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৫তম বার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হবে। শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বাণিজ্য, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে এই মাইলফলককে স্মরণীয় করে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বার্ষিকী উদযাপন দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে পারে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও প্রযুক্তি বিনিময়ের নতুন সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক?

আন্তর্জাতিক রাজনীতির বর্তমান বাস্তবতায় বিভিন্ন দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক নতুনভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বহুপাক্ষিক কূটনীতির চ্যালেঞ্জের মধ্যে বাংলাদেশও তার আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে উন্নয়ন, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও জ্বালানি খাতে বহুমুখী সহযোগিতা দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষায় সহায়ক হতে পারে।


তবে এসব উদ্যোগ কতটা বাস্তব অগ্রগতিতে রূপ নেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। কারণ কূটনৈতিক বৈঠকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের ওপরই নির্ভর করবে দুই দেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার গভীরতা ও কার্যকারিতা।

বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার সাম্প্রতিক এই আলোচনা তাই শুধু একটি নিয়মিত কূটনৈতিক বৈঠক নয়; বরং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাব্য নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত হিসেবেও দেখছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর