এনপি যেকোনো সময় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, জুলাই সনদ হাতে পাওয়ার পর বিএনপি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কিছু সংশোধনীসহ তাদের মতামত পাঠিয়েছে। তার দাবি, সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি শুরু থেকেই সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে আসছে। সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, জুলাই ঘোষণাপত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে। তবে ঘোষণাপত্রের খসড়ায় যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, সেখানে ২৬ মার্চকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা নিয়ে বিএনপি দ্বিমত জানিয়েছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি চতুর্থ তফসিলের মাধ্যমে দেওয়া উচিত বলে বিএনপি মত দিয়েছে। ঘোষণাপত্রে বিএনপি যে সংশোধনী দিয়েছে, তা যদি গ্রহণ না করা হয়, তাহলে ঘোষণার পর দলটি তাদের প্রতিক্রিয়া জানাবে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু মহল বলছে বিএনপি সনদ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে না বা নিশ্চয়তা না পেলে স্বাক্ষর করবে না—এটি সঠিক নয়। বিএনপি বরং পুরো প্রক্রিয়ায় সহযোগিতামূলক অবস্থান নিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের স্বার্থে সব রাজনৈতিক শক্তিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, সংস্কার কমিশনের মোট ১৯টি মৌলিক বিষয়ের মধ্যে ৭টিতে বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে এবং ১২টিতে একমত হয়েছে। এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঘোষণাপত্র অনুষ্ঠানে এখনো বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে কিছু মৌলিক বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে এখনো মতপার্থক্য রয়ে গেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এ ধরনের দলীয় মতভিন্নতা নতুন নয়। অতীতেও সংবিধান সংস্কার, নির্বাচন পদ্ধতি এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ইস্যুতে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা ও সমঝোতার প্রয়োজন হয়েছে। জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্রকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা আরও জোরালো হচ্ছে। বিএনপি বলছে তারা সহযোগিতা করছে এবং যেকোনো সময় স্বাক্ষরে প্রস্তুত, তবে কিছু বিষয়ে সংশোধন না হলে অবস্থান জানাবে। এখন সবার নজর ঐকমত্য কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক দলগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ‘জুলাই সনদ’ ও ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে আলোচনা ও মতবিরোধ চলছে। এই সনদকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী সংস্কার, রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরির চেষ্টা চলছে বলে জানা যায়।
???? উপসংহার

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৫
এনপি যেকোনো সময় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, জুলাই সনদ হাতে পাওয়ার পর বিএনপি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কিছু সংশোধনীসহ তাদের মতামত পাঠিয়েছে। তার দাবি, সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি শুরু থেকেই সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে আসছে। সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, জুলাই ঘোষণাপত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে। তবে ঘোষণাপত্রের খসড়ায় যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, সেখানে ২৬ মার্চকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা নিয়ে বিএনপি দ্বিমত জানিয়েছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি চতুর্থ তফসিলের মাধ্যমে দেওয়া উচিত বলে বিএনপি মত দিয়েছে। ঘোষণাপত্রে বিএনপি যে সংশোধনী দিয়েছে, তা যদি গ্রহণ না করা হয়, তাহলে ঘোষণার পর দলটি তাদের প্রতিক্রিয়া জানাবে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু মহল বলছে বিএনপি সনদ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে না বা নিশ্চয়তা না পেলে স্বাক্ষর করবে না—এটি সঠিক নয়। বিএনপি বরং পুরো প্রক্রিয়ায় সহযোগিতামূলক অবস্থান নিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের স্বার্থে সব রাজনৈতিক শক্তিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, সংস্কার কমিশনের মোট ১৯টি মৌলিক বিষয়ের মধ্যে ৭টিতে বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে এবং ১২টিতে একমত হয়েছে। এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঘোষণাপত্র অনুষ্ঠানে এখনো বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে কিছু মৌলিক বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে এখনো মতপার্থক্য রয়ে গেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এ ধরনের দলীয় মতভিন্নতা নতুন নয়। অতীতেও সংবিধান সংস্কার, নির্বাচন পদ্ধতি এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ইস্যুতে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা ও সমঝোতার প্রয়োজন হয়েছে। জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্রকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা আরও জোরালো হচ্ছে। বিএনপি বলছে তারা সহযোগিতা করছে এবং যেকোনো সময় স্বাক্ষরে প্রস্তুত, তবে কিছু বিষয়ে সংশোধন না হলে অবস্থান জানাবে। এখন সবার নজর ঐকমত্য কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক দলগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ‘জুলাই সনদ’ ও ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে আলোচনা ও মতবিরোধ চলছে। এই সনদকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী সংস্কার, রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরির চেষ্টা চলছে বলে জানা যায়।
???? উপসংহার

আপনার মতামত লিখুন