যশোর সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা এবং বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২ জুন) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর আওতাধীন আন্দুলিয়া বিওপি ও বেনাপোল আইসিপি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ভারতীয় গাঁজাসহ বিভিন্ন চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা, একটি বাইসাইকেল, একটি মোবাইল ফোন, ১৬টি শাড়ি, ১৮০টি হাতপাখা, ১৭ কেজি ফুসকা, দেড় কেজি কিসমিস, আধা কেজি জিরা, এক প্যাকেট সনপাপড়ী, ১৯২টি চকলেট এবং ১৯৫টি কসমেটিকস সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে মাদকদ্রব্যসহ একজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তি হলেন যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম খোকন (৪০)। তিনি মৃত ইসহাক আলী মণ্ডলের ছেলে।
বিজিবি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাদকদ্রব্যসহ চৌগাছা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, জব্দকৃত মাদক ও চোরাচালানী পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।
সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বিভিন্ন পণ্য আনা-নেওয়ার চেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এসব কর্মকাণ্ড রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা এবং আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত ব্যবহার করে সক্রিয় থাকা পাচারচক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ফলে নিয়মিতভাবে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্য জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপদ রাখতে এবং মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে চলবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করতে স্থানীয় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নজরদারি আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পাচারচক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা গেলে এসব অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে মনে করছেন তারা।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
যশোর সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা এবং বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২ জুন) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর আওতাধীন আন্দুলিয়া বিওপি ও বেনাপোল আইসিপি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় ভারতীয় গাঁজাসহ বিভিন্ন চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা, একটি বাইসাইকেল, একটি মোবাইল ফোন, ১৬টি শাড়ি, ১৮০টি হাতপাখা, ১৭ কেজি ফুসকা, দেড় কেজি কিসমিস, আধা কেজি জিরা, এক প্যাকেট সনপাপড়ী, ১৯২টি চকলেট এবং ১৯৫টি কসমেটিকস সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে মাদকদ্রব্যসহ একজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তি হলেন যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম খোকন (৪০)। তিনি মৃত ইসহাক আলী মণ্ডলের ছেলে।
বিজিবি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাদকদ্রব্যসহ চৌগাছা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, জব্দকৃত মাদক ও চোরাচালানী পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।
সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বিভিন্ন পণ্য আনা-নেওয়ার চেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এসব কর্মকাণ্ড রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা এবং আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত ব্যবহার করে সক্রিয় থাকা পাচারচক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ফলে নিয়মিতভাবে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্য জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপদ রাখতে এবং মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে চলবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করতে স্থানীয় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নজরদারি আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পাচারচক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা গেলে এসব অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে মনে করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন