বিএনপির দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলনের ধারাবাহিক ফল হিসেবেই ’২৪ সালের জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এই আন্দোলনের পেছনে ছিল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রস্তুতি এবং নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সকালে কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।
রিজভী বলেন, গত ১৬ বছরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে গণতন্ত্রের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই জুলাই আন্দোলন সফলতা পেয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ কিছু গোষ্ঠী নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। একই সঙ্গে বিএনপিকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসবের মধ্যেও দলের নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে বলে উল্লেখ করেন।
রিজভী জানান, জুলাই আন্দোলনে নিহত কুড়িগ্রামের ১০টি পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দলীয় নির্দেশনায় এসব পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, কিছু ইসলামী দল অতীতে জিয়াউর রহমানের সুযোগে রাজনীতিতে এসেছে। পাশাপাশি বর্তমানে ইউটিউব ও বিভিন্ন মাধ্যমে কৃত্রিম প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি এবং বলেন, কোনো ধরনের উসকানিতে যেন তারা পা না দেয়।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আন্দোলন-সংগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বড় রাজনৈতিক দলগুলো প্রায়ই দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলনের মাধ্যমে জনমত গড়ে তোলে এবং নির্বাচনের আগে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করে। এই ধারার মধ্যেই বিভিন্ন সময় বড় আন্দোলনের জন্ম হয়েছে।
কুড়িগ্রাম অঞ্চলেও রাজনৈতিক কর্মসূচি ও জনসভা নিয়মিত হয়ে থাকে। সীমান্তবর্তী এই জেলায় জাতীয় রাজনীতির প্রভাব বেশ গভীরভাবে দেখা যায় এবং বিভিন্ন দলের নেতারা এখানে এসে কর্মসূচি পালন করেন।
সবশেষে বলা যায়, রুহুল কবির রিজভীর এই বক্তব্যে যেমন অতীত আন্দোলনের মূল্যায়ন রয়েছে, তেমনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে দলীয় মানবিক উদ্যোগের দিকটিও সামনে এসেছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৫
বিএনপির দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলনের ধারাবাহিক ফল হিসেবেই ’২৪ সালের জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এই আন্দোলনের পেছনে ছিল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রস্তুতি এবং নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সকালে কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।
রিজভী বলেন, গত ১৬ বছরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে গণতন্ত্রের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই জুলাই আন্দোলন সফলতা পেয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ কিছু গোষ্ঠী নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। একই সঙ্গে বিএনপিকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসবের মধ্যেও দলের নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে বলে উল্লেখ করেন।
রিজভী জানান, জুলাই আন্দোলনে নিহত কুড়িগ্রামের ১০টি পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দলীয় নির্দেশনায় এসব পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, কিছু ইসলামী দল অতীতে জিয়াউর রহমানের সুযোগে রাজনীতিতে এসেছে। পাশাপাশি বর্তমানে ইউটিউব ও বিভিন্ন মাধ্যমে কৃত্রিম প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি এবং বলেন, কোনো ধরনের উসকানিতে যেন তারা পা না দেয়।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আন্দোলন-সংগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বড় রাজনৈতিক দলগুলো প্রায়ই দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলনের মাধ্যমে জনমত গড়ে তোলে এবং নির্বাচনের আগে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করে। এই ধারার মধ্যেই বিভিন্ন সময় বড় আন্দোলনের জন্ম হয়েছে।
কুড়িগ্রাম অঞ্চলেও রাজনৈতিক কর্মসূচি ও জনসভা নিয়মিত হয়ে থাকে। সীমান্তবর্তী এই জেলায় জাতীয় রাজনীতির প্রভাব বেশ গভীরভাবে দেখা যায় এবং বিভিন্ন দলের নেতারা এখানে এসে কর্মসূচি পালন করেন।
সবশেষে বলা যায়, রুহুল কবির রিজভীর এই বক্তব্যে যেমন অতীত আন্দোলনের মূল্যায়ন রয়েছে, তেমনি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে দলীয় মানবিক উদ্যোগের দিকটিও সামনে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন