দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

গুম-শহীদ পরিবারের পাশে আমিনুল হক, ঈদ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

গুম-শহীদ পরিবারের পাশে আমিনুল হক, ঈদ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

ঈদযাত্রার সকালে রাজধানীতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, নর্দ্দায় নিহত ৪, আহত বহু

নরসিংদীর রায়পুরায় তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা, আতঙ্কে এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলে যমুনা সেতুর পূর্বপাড়ে ট্রাক দুর্ঘটনায় ১৫ প্রাণহানি, শোকে স্তব্ধ চাপাইনবাবগঞ্জ

বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে এগোচ্ছে, সংসদ ভবনে ১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প উদ্বোধন

রায়পুরায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, আতঙ্কে স্থানীয়রা

ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় তুরাগ থানার বিশেষ প্রস্তুতি, ২৪ দিনে গ্রেপ্তার ২৯৬

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ, পুনর্বাসন সেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়

অন্তর্বর্তী সরকারকে দুর্বল হিসেবে দেখতে চাই না: সারজিস

অন্তর্বর্তী সরকারকে দুর্বল হিসেবে দেখতে চাই না: সারজিস
-ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারকে দুর্বল দেখতে চান না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, সরকার যদি নিজেদের দুর্বলভাবে উপস্থাপন করে, তাহলে তা অভ্যুত্থানের রক্তের সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা হবে।

সোমবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর হলরুমে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি আয়োজন করে জেলা যুবশক্তি, যেখানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্যে সারজিস আলম বলেন, নির্বাচনের আগে মৌলিক সংস্কারের বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে খুনিদের বিচার নিয়েও কোনো আপোস করা হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকাশ করতে হবে এবং এ বিষয়েও কোনো ব্যত্যয় গ্রহণযোগ্য হবে না।

তিনি আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় যখন প্রথম সারির সাতটি দলের মধ্যে ছয়টি দল একটি বিষয়ে একমত হয়, তখন সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কিন্তু যদি একটি দলকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়, তাহলে অন্তর্বর্তী সরকার এবং ঐকমত্য কমিশনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়বে।

সরকারের প্রতি প্রত্যাশা তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আগে জনগণ জুলাই সনদ, ঘোষণাপত্র এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার দেখতে চায়। পাশাপাশি বিচার ব্যবস্থায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে মানুষের আস্থা ফিরবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক রূপান্তরের সময়গুলোতে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ইতিহাসে দেখা গেছে, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষতা ও প্রশাসনিক সংস্কার নিশ্চিত করতে না পারলে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়। তাই এই সময়টাকে অনেকেই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখেন।

পঞ্চগড় অঞ্চলে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সভা-সমাবেশ বরাবরই সক্রিয়। সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এখানে জাতীয় রাজনীতির প্রভাবও বেশ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। স্থানীয় পর্যায়ের এমন সভাগুলো কেন্দ্রীয় রাজনীতির বার্তা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য, সংস্কার এবং স্বচ্ছ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে জনমতও ক্রমশ সক্রিয় হয়ে উঠছে।

সবশেষে বলা যায়, সারজিস আলমের এই বক্তব্য শুধু একটি রাজনৈতিক মন্তব্য নয়, বরং বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের প্রতি একটি সতর্ক বার্তা। সংস্কার, বিচার এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের দাবির মধ্য দিয়ে তিনি ভবিষ্যৎ রাজনীতির একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা তুলে ধরেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬


অন্তর্বর্তী সরকারকে দুর্বল হিসেবে দেখতে চাই না: সারজিস

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৫

featured Image

অন্তর্বর্তী সরকারকে দুর্বল দেখতে চান না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, সরকার যদি নিজেদের দুর্বলভাবে উপস্থাপন করে, তাহলে তা অভ্যুত্থানের রক্তের সঙ্গে বড় ধরনের প্রতারণা হবে।

সোমবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর হলরুমে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি আয়োজন করে জেলা যুবশক্তি, যেখানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্যে সারজিস আলম বলেন, নির্বাচনের আগে মৌলিক সংস্কারের বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে খুনিদের বিচার নিয়েও কোনো আপোস করা হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকাশ করতে হবে এবং এ বিষয়েও কোনো ব্যত্যয় গ্রহণযোগ্য হবে না।

তিনি আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় যখন প্রথম সারির সাতটি দলের মধ্যে ছয়টি দল একটি বিষয়ে একমত হয়, তখন সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কিন্তু যদি একটি দলকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়, তাহলে অন্তর্বর্তী সরকার এবং ঐকমত্য কমিশনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়বে।

সরকারের প্রতি প্রত্যাশা তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আগে জনগণ জুলাই সনদ, ঘোষণাপত্র এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার দেখতে চায়। পাশাপাশি বিচার ব্যবস্থায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে মানুষের আস্থা ফিরবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক রূপান্তরের সময়গুলোতে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ইতিহাসে দেখা গেছে, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষতা ও প্রশাসনিক সংস্কার নিশ্চিত করতে না পারলে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়। তাই এই সময়টাকে অনেকেই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখেন।

পঞ্চগড় অঞ্চলে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সভা-সমাবেশ বরাবরই সক্রিয়। সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এখানে জাতীয় রাজনীতির প্রভাবও বেশ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। স্থানীয় পর্যায়ের এমন সভাগুলো কেন্দ্রীয় রাজনীতির বার্তা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য, সংস্কার এবং স্বচ্ছ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে জনমতও ক্রমশ সক্রিয় হয়ে উঠছে।

সবশেষে বলা যায়, সারজিস আলমের এই বক্তব্য শুধু একটি রাজনৈতিক মন্তব্য নয়, বরং বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের প্রতি একটি সতর্ক বার্তা। সংস্কার, বিচার এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের দাবির মধ্য দিয়ে তিনি ভবিষ্যৎ রাজনীতির একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা তুলে ধরেছেন।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর