দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়েছে, সোমবার নতুন দিন

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়েছে, সোমবার নতুন দিন

সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন তারেক রহমান, ২০ বছর পর নিউইয়র্ক সফর

অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, কী বললেন গৃহায়নমন্ত্রী?

সৌদির স্কুলের বইয়ে আমূল পরিবর্তন, ইহুদি-খ্রিস্টানদের নিয়ে বদলে গেল পুরোনো বয়ান

৬ মাস শেষে সরকারের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী, চলছে সূক্ষ্ম মূল্যায়ন

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে ঢাকা–দিল্লি টানাপোড়েন, সম্পর্ক কি আবার কঠিন পথে?

জ্বালানি খাত নিয়ে বড় সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর, নিয়োগ হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: তরুণ প্রতিভাদের নিয়ে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে জমজমাট সমাপনী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি হয়নি: মন্ত্রীশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সময় এখনো আসেনি: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি হয়নি: মন্ত্রীশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সময় এখনো আসেনি: শিক্ষামন্ত্রী
-ছবি: সংগৃহীত

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকলেও এখনো সেগুলো খোলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তার মতে, দেশে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য এখনো যথেষ্ট নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হয়নি।

সোমবার (২৯ জুলাই) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সঙ্গে পেনশন ইস্যু নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।


কেন বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান?

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে চলতি বছরের জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয় আন্দোলন। শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকলেও ১৫ জুলাইয়ের পর পরিস্থিতি সহিংসতায় রূপ নেয়।

১৬ জুলাই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এরপর আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং সহিংসতা বাড়তে থাকে।

এই পরিস্থিতিতে সরকার ১৬ জুলাই থেকে সারাদেশের—

  • স্কুল
  • কলেজ
  • মাদরাসা
  • পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
  • সব বিশ্ববিদ্যালয়

সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে।

এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বন্ধ রাখা হয়।


 আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সরকারের পদক্ষেপ

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশে কারফিউ জারি করা হয় এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। যদিও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়েছে, তবুও এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি বলে জানিয়েছে সরকার।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি নেই। দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

তিনি আরও জানান, মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।


উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন—

  • প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী
  • শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ
  • এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

বৈঠকে পেনশন ইস্যু ও শিক্ষা খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।


পটভূমি তথ্য (Background)

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার ইস্যু দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা বড় আকার ধারণ করে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও জনজীবনে বড় প্রভাব ফেলে।

অতীতেও রাজনৈতিক বা সামাজিক অস্থিরতার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নজির রয়েছে, বিশেষ করে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হলে সরকার সাময়িকভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়।


 উপসংহার

বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কবে খুলবে তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। সরকার বলছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফলে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে পরবর্তী সরকারি ঘোষণার জন্য।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি হয়নি: মন্ত্রীশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সময় এখনো আসেনি: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৪

featured Image

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকলেও এখনো সেগুলো খোলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তার মতে, দেশে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য এখনো যথেষ্ট নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হয়নি।

সোমবার (২৯ জুলাই) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সঙ্গে পেনশন ইস্যু নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।


কেন বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান?

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে চলতি বছরের জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয় আন্দোলন। শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকলেও ১৫ জুলাইয়ের পর পরিস্থিতি সহিংসতায় রূপ নেয়।

১৬ জুলাই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এরপর আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং সহিংসতা বাড়তে থাকে।

এই পরিস্থিতিতে সরকার ১৬ জুলাই থেকে সারাদেশের—

  • স্কুল
  • কলেজ
  • মাদরাসা
  • পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
  • সব বিশ্ববিদ্যালয়

সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে।

এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বন্ধ রাখা হয়।


 আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সরকারের পদক্ষেপ

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশে কারফিউ জারি করা হয় এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। যদিও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়েছে, তবুও এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি বলে জানিয়েছে সরকার।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি নেই। দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

তিনি আরও জানান, মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।


উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন—

  • প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী
  • শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ
  • এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

বৈঠকে পেনশন ইস্যু ও শিক্ষা খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।


পটভূমি তথ্য (Background)

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার ইস্যু দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা বড় আকার ধারণ করে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও জনজীবনে বড় প্রভাব ফেলে।

অতীতেও রাজনৈতিক বা সামাজিক অস্থিরতার সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নজির রয়েছে, বিশেষ করে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হলে সরকার সাময়িকভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়।


 উপসংহার

বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কবে খুলবে তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। সরকার বলছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফলে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে পরবর্তী সরকারি ঘোষণার জন্য।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর