বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ৫৫ বছর উদযাপন করতে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস-এ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বর্ণাঢ্য বাংলাদেশ ডে প্যারেড ও ফেস্টিভ্যাল। আগামী ২৬ ও ২৭ এপ্রিল ২০২৫—এই দুই দিনব্যাপী আয়োজন ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতিমধ্যেই উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে।
এই আয়োজনকে সফল করতে রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় বারব্যাক চার্চ অব সাইন্টোলজি মিলনায়তন-এ অনুষ্ঠিত হয় “সাপোর্ট অ্যান্ড অ্যাপ্রিসিয়েশন নাইট”। এতে অংশ নেন বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস অ্যাঞ্জেলেস-এর অধিভুক্ত ২৯টি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় কমিউনিটির প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
প্রতিবছরের মতো এবারও প্যারেডটি অনুষ্ঠিত হবে লস অ্যাঞ্জেলেসের পরিচিত এলাকা লিটল বাংলাদেশ-এ। প্যারেড শুরু হবে থার্ড স্ট্রিট ও নরমেন্ডি অ্যাভিনিউ থেকে, সেখান থেকে ভারমন্ট হয়ে শেষ হবে ভার্জিল মিডল স্কুল প্রাঙ্গণে। পুরো পথজুড়ে থাকবে বর্ণিল শোভাযাত্রা, দেশীয় সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনা এবং প্রবাসীদের উচ্ছ্বাস।
এই প্যারেডের অন্যতম আকর্ষণ হলো নানা প্রতীকী উপস্থাপনা। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এর প্রতিরূপ, স্ট্যাচু অব লিবার্টি-এর প্রতীকী রূপ এবং পদ্মফুলসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপকরণ নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন প্রবাসীরা। অনেকেই ঘোড়ার গাড়ি ও সাজসজ্জায় বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন।
শুধু প্যারেড নয়, দুই দিনব্যাপী এই ফেস্টিভ্যালে থাকবে নানা আয়োজন। দেশীয় ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্টল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাচ-গান, শিশুদের জন্য বিনোদনমূলক কার্যক্রম—সব মিলিয়ে এটি হয়ে ওঠে এক মিলনমেলা। প্রবাসীরা লাল-সবুজের পোশাক পরে অংশ নেন, যা পুরো আয়োজনকে আরও রঙিন করে তোলে।
পটভূমি হিসেবে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটি প্রতি বছর এই আয়োজনের মাধ্যমে নিজেদের সংস্কৃতি ও ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিচিত করে তোলার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের আয়োজন শুধু আনন্দ-উৎসবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলে এবং বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি বিশ্বে তুলে ধরতে সহায়তা করে। স্থানীয় আমেরিকানরাও এতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান।
লস অ্যাঞ্জেলেসের বাংলাদেশ ডে প্যারেড ও ফেস্টিভ্যাল প্রবাসীদের জন্য এক বড় আনন্দের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে। দেশের বাইরে থেকেও নিজেদের শিকড়কে মনে রাখার এই প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৫
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ৫৫ বছর উদযাপন করতে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস-এ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বর্ণাঢ্য বাংলাদেশ ডে প্যারেড ও ফেস্টিভ্যাল। আগামী ২৬ ও ২৭ এপ্রিল ২০২৫—এই দুই দিনব্যাপী আয়োজন ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতিমধ্যেই উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে।
এই আয়োজনকে সফল করতে রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় বারব্যাক চার্চ অব সাইন্টোলজি মিলনায়তন-এ অনুষ্ঠিত হয় “সাপোর্ট অ্যান্ড অ্যাপ্রিসিয়েশন নাইট”। এতে অংশ নেন বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস অ্যাঞ্জেলেস-এর অধিভুক্ত ২৯টি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় কমিউনিটির প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
প্রতিবছরের মতো এবারও প্যারেডটি অনুষ্ঠিত হবে লস অ্যাঞ্জেলেসের পরিচিত এলাকা লিটল বাংলাদেশ-এ। প্যারেড শুরু হবে থার্ড স্ট্রিট ও নরমেন্ডি অ্যাভিনিউ থেকে, সেখান থেকে ভারমন্ট হয়ে শেষ হবে ভার্জিল মিডল স্কুল প্রাঙ্গণে। পুরো পথজুড়ে থাকবে বর্ণিল শোভাযাত্রা, দেশীয় সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনা এবং প্রবাসীদের উচ্ছ্বাস।
এই প্যারেডের অন্যতম আকর্ষণ হলো নানা প্রতীকী উপস্থাপনা। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এর প্রতিরূপ, স্ট্যাচু অব লিবার্টি-এর প্রতীকী রূপ এবং পদ্মফুলসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপকরণ নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন প্রবাসীরা। অনেকেই ঘোড়ার গাড়ি ও সাজসজ্জায় বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন।
শুধু প্যারেড নয়, দুই দিনব্যাপী এই ফেস্টিভ্যালে থাকবে নানা আয়োজন। দেশীয় ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্টল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাচ-গান, শিশুদের জন্য বিনোদনমূলক কার্যক্রম—সব মিলিয়ে এটি হয়ে ওঠে এক মিলনমেলা। প্রবাসীরা লাল-সবুজের পোশাক পরে অংশ নেন, যা পুরো আয়োজনকে আরও রঙিন করে তোলে।
পটভূমি হিসেবে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটি প্রতি বছর এই আয়োজনের মাধ্যমে নিজেদের সংস্কৃতি ও ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিচিত করে তোলার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের আয়োজন শুধু আনন্দ-উৎসবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলে এবং বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি বিশ্বে তুলে ধরতে সহায়তা করে। স্থানীয় আমেরিকানরাও এতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান।
লস অ্যাঞ্জেলেসের বাংলাদেশ ডে প্যারেড ও ফেস্টিভ্যাল প্রবাসীদের জন্য এক বড় আনন্দের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে। দেশের বাইরে থেকেও নিজেদের শিকড়কে মনে রাখার এই প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

আপনার মতামত লিখুন