দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ০২ মে ২০২৬

ঝিকরগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের বর্ণাঢ্য সমাপ্তি, বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন ইউএনও

ঝিকরগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের বর্ণাঢ্য সমাপ্তি, বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন ইউএনও

জামিনে বের হওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কড়া নজরদারিতে র‍্যাব, নিউমার্কেট হত্যাকাণ্ডে তদন্ত জোরদার

সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত দিন: মাজার জিয়ারত থেকে উন্নয়ন প্রকল্প—একদিনে বহুমুখী কর্মসূচি

বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি শুরু শিগগিরই, নিয়োগ ও মিড-ডে মিল্ক চালুর ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর

সীতাকুণ্ডে সমুদ্রে গোসলে নেমে প্রাণ গেল যুবকের, তীব্র স্রোতে ভেসে মৃত্যু

ফ্লোরিডায় রহস্যজনক জোড়া মৃত্যু: বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত, লিমনের লাশ দেশে আসছে ৪ মে

বন্ধ কলকারখানা চালুতে সরকারের উদ্যোগ, কর্মসংস্থানে নতুন আশার বার্তা

জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক: আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন

ঝিকরগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের বর্ণাঢ্য সমাপ্তি, বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন ইউএনও

ঝিকরগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের বর্ণাঢ্য সমাপ্তি, বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন ইউএনও
-ছবি: সংগৃহীত

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির সফল সমাপ্তি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশে। চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস আর উপস্থিত অতিথিদের উৎসাহে শেষ দিনের অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও প্রশাসক সাফফাত আরা সাঈদ, যিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।


পুষ্টি সচেতনতা বাড়াতে ব্যতিক্রমী আয়োজন

জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহকে কেন্দ্র করে পুরো উপজেলাজুড়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়। এর মধ্যে ছিল স্কুলভিত্তিক চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, স্বাস্থ্যবিষয়ক আলোচনা এবং পুষ্টি বিষয়ক প্রচারণা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহ জালাল আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মেহেদী হাসান।


প্রতিযোগিতায় সেরাদের নাম ঘোষণা

পুষ্টি বিষয়ক চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় চারটি গ্রুপে মোট ১২ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন—

  • তৌফিকুল ইসলাম তোহা
  • জুই তাসনিম
  • দিশি দাস
  • তনুশ্রী সরকার

বিজয়ীরা কৃষ্ণনগর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়, যা তাদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


অংশগ্রহণকারীদের উচ্ছ্বাস

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল আলাদা এক আনন্দ। এক অভিভাবক বলেন, “শিশুদের এমন প্রতিযোগিতায় যুক্ত করলে তারা ছোটবেলা থেকেই পুষ্টি সম্পর্কে সচেতন হবে। এটি খুবই ভালো উদ্যোগ।”

একজন শিক্ষক জানান, “শুধু পড়াশোনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শেখানো দরকার। এই ধরনের আয়োজন সেই সুযোগ তৈরি করে।”


স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের বক্তব্য

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পুষ্টি বিষয়টি এখনো অনেক পরিবারের কাছে অবহেলিত। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় সচেতনতার অভাবে শিশুদের অপুষ্টি একটি বড় সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুর রশিদ বলেন, “পুষ্টি নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগ নয়, পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শিশুদের মধ্যে এই সচেতনতা গড়ে তুলতে এমন প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”


স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও সাফফাত আরা সাঈদ বলেন, “স্বাস্থ্য ও পুষ্টি একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। সুস্থ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়তে পুষ্টির বিকল্প নেই। তাই এ ধরনের কর্মসূচি নিয়মিত চালিয়ে যেতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের আয়োজন করা হবে, যাতে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী এতে অংশ নিতে পারে।


সামাজিক প্রভাব ও বিশ্লেষণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, পুষ্টি সচেতনতা বাড়াতে স্কুলভিত্তিক কার্যক্রম অত্যন্ত কার্যকর। কারণ শিশুদের মাধ্যমে এই বার্তা সহজেই পরিবারে পৌঁছে যায়। ঝিকরগাছার এই উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে অনেকেই মনে করছেন, এক সপ্তাহের কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা বছরব্যাপী পুষ্টি সচেতনতা কার্যক্রম চালানো দরকার। বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই সচেতনতা আরও বাড়ানো জরুরি।


সংশ্লিষ্টদের মতামত

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও নিয়মিত ফলোআপ থাকা দরকার। অনেক সময় অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেলে সচেতনতার কার্যক্রম থেমে যায়।”

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


উপস্থিতি ও সমাপনী পরিবেশ

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মাসুমা আক্তার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সুলতান মাহমুদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অনিতা মল্লিক, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওয়ালীয়ার রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সমাপনী অনুষ্ঠানটি ছিল উৎসবমুখর ও অংশগ্রহণমূলক, যা উপস্থিত সবার মাঝে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়।


উপসংহার

ঝিকরগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের এই আয়োজন শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সচেতনতা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। শিশুদের অংশগ্রহণ, প্রশাসনের উদ্যোগ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়ে এই কর্মসূচি স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা যায়।

আগামী দিনে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত ও ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করা হলে একটি সুস্থ ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব হবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

বিষয় : ঝিকরগাছা সংবাদ, পুষ্টি সচেতনতা বাংলাদেশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কার্যক্রম

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ০২ মে ২০২৬


ঝিকরগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের বর্ণাঢ্য সমাপ্তি, বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন ইউএনও

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির সফল সমাপ্তি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশে। চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস আর উপস্থিত অতিথিদের উৎসাহে শেষ দিনের অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও প্রশাসক সাফফাত আরা সাঈদ, যিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।


পুষ্টি সচেতনতা বাড়াতে ব্যতিক্রমী আয়োজন

জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহকে কেন্দ্র করে পুরো উপজেলাজুড়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়। এর মধ্যে ছিল স্কুলভিত্তিক চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, স্বাস্থ্যবিষয়ক আলোচনা এবং পুষ্টি বিষয়ক প্রচারণা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহ জালাল আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মেহেদী হাসান।


প্রতিযোগিতায় সেরাদের নাম ঘোষণা

পুষ্টি বিষয়ক চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় চারটি গ্রুপে মোট ১২ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন—

  • তৌফিকুল ইসলাম তোহা
  • জুই তাসনিম
  • দিশি দাস
  • তনুশ্রী সরকার

বিজয়ীরা কৃষ্ণনগর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়, যা তাদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


অংশগ্রহণকারীদের উচ্ছ্বাস

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল আলাদা এক আনন্দ। এক অভিভাবক বলেন, “শিশুদের এমন প্রতিযোগিতায় যুক্ত করলে তারা ছোটবেলা থেকেই পুষ্টি সম্পর্কে সচেতন হবে। এটি খুবই ভালো উদ্যোগ।”

একজন শিক্ষক জানান, “শুধু পড়াশোনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শেখানো দরকার। এই ধরনের আয়োজন সেই সুযোগ তৈরি করে।”


স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের বক্তব্য

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পুষ্টি বিষয়টি এখনো অনেক পরিবারের কাছে অবহেলিত। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় সচেতনতার অভাবে শিশুদের অপুষ্টি একটি বড় সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুর রশিদ বলেন, “পুষ্টি নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগ নয়, পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শিশুদের মধ্যে এই সচেতনতা গড়ে তুলতে এমন প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”


স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও সাফফাত আরা সাঈদ বলেন, “স্বাস্থ্য ও পুষ্টি একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। সুস্থ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়তে পুষ্টির বিকল্প নেই। তাই এ ধরনের কর্মসূচি নিয়মিত চালিয়ে যেতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের আয়োজন করা হবে, যাতে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী এতে অংশ নিতে পারে।


সামাজিক প্রভাব ও বিশ্লেষণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, পুষ্টি সচেতনতা বাড়াতে স্কুলভিত্তিক কার্যক্রম অত্যন্ত কার্যকর। কারণ শিশুদের মাধ্যমে এই বার্তা সহজেই পরিবারে পৌঁছে যায়। ঝিকরগাছার এই উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে অনেকেই মনে করছেন, এক সপ্তাহের কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা বছরব্যাপী পুষ্টি সচেতনতা কার্যক্রম চালানো দরকার। বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই সচেতনতা আরও বাড়ানো জরুরি।


সংশ্লিষ্টদের মতামত

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও নিয়মিত ফলোআপ থাকা দরকার। অনেক সময় অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেলে সচেতনতার কার্যক্রম থেমে যায়।”

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


উপস্থিতি ও সমাপনী পরিবেশ

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মাসুমা আক্তার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সুলতান মাহমুদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অনিতা মল্লিক, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওয়ালীয়ার রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সমাপনী অনুষ্ঠানটি ছিল উৎসবমুখর ও অংশগ্রহণমূলক, যা উপস্থিত সবার মাঝে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়।


উপসংহার

ঝিকরগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের এই আয়োজন শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সচেতনতা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। শিশুদের অংশগ্রহণ, প্রশাসনের উদ্যোগ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়ে এই কর্মসূচি স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা যায়।

আগামী দিনে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত ও ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করা হলে একটি সুস্থ ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব হবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর