দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে নতুন বিতর্ক, মুসলিম যুবকদের দূরে থাকার আহ্বান কেন?

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে নতুন বিতর্ক, মুসলিম যুবকদের দূরে থাকার আহ্বান কেন?

ডায়মন্ড হারবারে লাইব্রেরিতে বইয়ের বদলে মদের বোতল! কপাটহাটের ঘটনায় তদন্তে পুলিশ

মার্কো রুবিওর ভারত সফর শুরু কলকাতা থেকে, মাদার হাউসে শ্রদ্ধা জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পাকিস্তানে টিকটক তারকা সানা ইউসুফ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত উমর হায়াতের মৃত্যুদণ্ড

বাংলাসহ ৫০ ভাষায় পৌঁছাবে হজের খুতবা, বহুভাষিক সেবায় বদলে যাচ্ছে মক্কার হজ ব্যবস্থাপনা

তুরস্কে এক কিশোরের বন্দুক হামলা, নিহত ৪: আতঙ্কে তারসুস, চলছে ব্যাপক অভিযান

আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উদ্বেগ

ত্রিশালে রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, ভুল চিকিৎসার অভিযোগে অবরুদ্ধ চিকিৎসক

ইসলামপুর-মেলান্দহে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ: নারী-কিশোরীদের অংশগ্রহণে সচেতনতার জোয়ার

ইসলামপুর-মেলান্দহে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ: নারী-কিশোরীদের অংশগ্রহণে সচেতনতার জোয়ার
-ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলামেলান্দহ উপজেলা-এ জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ২৩ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত চলা এই আয়োজন ঘিরে র‌্যালি, আলোচনা সভা এবং গ্রামভিত্তিক সচেতনতা কার্যক্রমে সরব হয়ে ওঠে দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা।


কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ: র‌্যালি, আলোচনা ও গ্রামীণ কার্যক্রম

জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহকে কেন্দ্র করে উপজেলা পর্যায়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়, যেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। র‌্যালি শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় পুষ্টি সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

জেসমিন প্রকল্প-এর উদ্যোগে এবং ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবায়নে এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়। এতে সহযোগিতা করে উন্নয়ন সংঘ ও পারি। সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন কার্যক্রমে শতাধিক নারী ও কিশোরীর সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।


গ্রামে গ্রামে সচেতনতা: নারী ও কিশোরীদের সম্পৃক্ততা

ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর ইউনিয়নের মধ্য গোয়ালেরচর গ্রামে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ সচেতনতামূলক সভা। এখানে স্থানীয় নারী ও কিশোরীরা অংশ নিয়ে পুষ্টি বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।


আলোচনায় উঠে আসে—

  • সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা
  • মাতৃ ও শিশুপুষ্টির গুরুত্ব
  • দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে পুষ্টিকর খাবার যুক্ত করার উপায়

অংশগ্রহণকারীদের সরব উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

একজন অংশগ্রহণকারী বলেন,
“আমরা আগে বুঝতাম না কোন খাবার শরীরের জন্য কতটা দরকার। এখন বুঝতে পারছি, অল্প আয়েও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া সম্ভব।”


মেলান্দহেও সমান আয়োজন

একইভাবে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের সুলতানখালি গ্রামে অনুষ্ঠিত সচেতনতামূলক সভায়ও নারী ও কিশোরীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা যায়।

আয়োজকরা জানান, গ্রামভিত্তিক এ ধরনের সরাসরি কার্যক্রম মানুষের মধ্যে দ্রুত সচেতনতা তৈরি করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।


প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতি

বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন—

  • উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
  • স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
  • কৃষি ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
  • থানার অফিসার ইনচার্জসহ অন্যান্যরা

এছাড়া জেসমিন প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী বিজন কুমার দেবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, পুষ্টি শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য নয়, এটি একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। অপুষ্টি মানুষের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বাধা সৃষ্টি করে।


পুষ্টি কেন গুরুত্বপূর্ণ: বিশেষজ্ঞদের মত

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের অনেক গ্রামীণ এলাকায় এখনো পুষ্টি নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি খাদ্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকাও একটি বড় কারণ।

তাঁদের মতে—

  • পরিবার থেকেই পুষ্টি সচেতনতা শুরু করতে হবে
  • নারী ও কিশোরীদের প্রশিক্ষণ দিলে পুরো পরিবার উপকৃত হয়
  • স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য খাদ্য দিয়েই পুষ্টি নিশ্চিত করা সম্ভব

প্রকল্পের পটভূমি ও লক্ষ্য

জেসমিন প্রকল্প মূলত জেন্ডার ইনক্লুসিভ মার্কেট সিস্টেমস ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশন (GESMIN) উদ্যোগের অংশ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো হচ্ছে।

এটি অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সহায়তায় Australian NGO Cooperation Program-এর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। বাস্তবায়নে রয়েছে উন্নয়ন সংঘ এবং World Vision Bangladesh

প্রকল্পটির লক্ষ্য শুধু সচেতনতা তৈরি নয়, বরং মানুষ যেন সহজে পুষ্টিকর খাবার পায়—সেই ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা।


প্রভাব ও বাস্তবতা: অপুষ্টি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশে এখনো অনেক পরিবার সুষম খাদ্য সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় অপুষ্টিতে ভোগে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।

সরকার ও বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ সেই প্রচেষ্টারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন,
“শুধু সচেতনতা নয়, খাদ্য উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থার সঙ্গে পুষ্টিকে যুক্ত করতে পারলে টেকসই পরিবর্তন সম্ভব।”



সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে জড়িতদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তারা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃতভাবে চালানো হবে। তবে কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


উপসংহার

ইসলামপুর ও মেলান্দহে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এসব কার্যক্রম স্থানীয় মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের অংশগ্রহণ পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

একটি সুস্থ ও সচেতন সমাজ গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে—এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয় : জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬ জামালপুর পুষ্টি সচেতনতা জেসমিন প্রকল্প গ্রামীণ পুষ্টি উন্নয়ন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


ইসলামপুর-মেলান্দহে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ: নারী-কিশোরীদের অংশগ্রহণে সচেতনতার জোয়ার

প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলামেলান্দহ উপজেলা-এ জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ২৩ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত চলা এই আয়োজন ঘিরে র‌্যালি, আলোচনা সভা এবং গ্রামভিত্তিক সচেতনতা কার্যক্রমে সরব হয়ে ওঠে দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা।


কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ: র‌্যালি, আলোচনা ও গ্রামীণ কার্যক্রম

জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহকে কেন্দ্র করে উপজেলা পর্যায়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়, যেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। র‌্যালি শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় পুষ্টি সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

জেসমিন প্রকল্প-এর উদ্যোগে এবং ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবায়নে এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়। এতে সহযোগিতা করে উন্নয়ন সংঘ ও পারি। সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন কার্যক্রমে শতাধিক নারী ও কিশোরীর সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।


গ্রামে গ্রামে সচেতনতা: নারী ও কিশোরীদের সম্পৃক্ততা

ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর ইউনিয়নের মধ্য গোয়ালেরচর গ্রামে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ সচেতনতামূলক সভা। এখানে স্থানীয় নারী ও কিশোরীরা অংশ নিয়ে পুষ্টি বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।


আলোচনায় উঠে আসে—

  • সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা
  • মাতৃ ও শিশুপুষ্টির গুরুত্ব
  • দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে পুষ্টিকর খাবার যুক্ত করার উপায়

অংশগ্রহণকারীদের সরব উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

একজন অংশগ্রহণকারী বলেন,
“আমরা আগে বুঝতাম না কোন খাবার শরীরের জন্য কতটা দরকার। এখন বুঝতে পারছি, অল্প আয়েও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া সম্ভব।”


মেলান্দহেও সমান আয়োজন

একইভাবে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের সুলতানখালি গ্রামে অনুষ্ঠিত সচেতনতামূলক সভায়ও নারী ও কিশোরীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা যায়।

আয়োজকরা জানান, গ্রামভিত্তিক এ ধরনের সরাসরি কার্যক্রম মানুষের মধ্যে দ্রুত সচেতনতা তৈরি করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।


প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতি

বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন—

  • উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
  • স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
  • কৃষি ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
  • থানার অফিসার ইনচার্জসহ অন্যান্যরা

এছাড়া জেসমিন প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী বিজন কুমার দেবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, পুষ্টি শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য নয়, এটি একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। অপুষ্টি মানুষের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বাধা সৃষ্টি করে।


পুষ্টি কেন গুরুত্বপূর্ণ: বিশেষজ্ঞদের মত

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের অনেক গ্রামীণ এলাকায় এখনো পুষ্টি নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি খাদ্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকাও একটি বড় কারণ।

তাঁদের মতে—

  • পরিবার থেকেই পুষ্টি সচেতনতা শুরু করতে হবে
  • নারী ও কিশোরীদের প্রশিক্ষণ দিলে পুরো পরিবার উপকৃত হয়
  • স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য খাদ্য দিয়েই পুষ্টি নিশ্চিত করা সম্ভব

প্রকল্পের পটভূমি ও লক্ষ্য

জেসমিন প্রকল্প মূলত জেন্ডার ইনক্লুসিভ মার্কেট সিস্টেমস ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশন (GESMIN) উদ্যোগের অংশ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো হচ্ছে।

এটি অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সহায়তায় Australian NGO Cooperation Program-এর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। বাস্তবায়নে রয়েছে উন্নয়ন সংঘ এবং World Vision Bangladesh

প্রকল্পটির লক্ষ্য শুধু সচেতনতা তৈরি নয়, বরং মানুষ যেন সহজে পুষ্টিকর খাবার পায়—সেই ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা।


প্রভাব ও বাস্তবতা: অপুষ্টি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশে এখনো অনেক পরিবার সুষম খাদ্য সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় অপুষ্টিতে ভোগে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।

সরকার ও বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ সেই প্রচেষ্টারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন,
“শুধু সচেতনতা নয়, খাদ্য উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থার সঙ্গে পুষ্টিকে যুক্ত করতে পারলে টেকসই পরিবর্তন সম্ভব।”



সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে জড়িতদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তারা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃতভাবে চালানো হবে। তবে কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


উপসংহার

ইসলামপুর ও মেলান্দহে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এসব কার্যক্রম স্থানীয় মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের অংশগ্রহণ পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

একটি সুস্থ ও সচেতন সমাজ গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে—এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর