দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে নতুন বিতর্ক, মুসলিম যুবকদের দূরে থাকার আহ্বান কেন?

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে নতুন বিতর্ক, মুসলিম যুবকদের দূরে থাকার আহ্বান কেন?

ডায়মন্ড হারবারে লাইব্রেরিতে বইয়ের বদলে মদের বোতল! কপাটহাটের ঘটনায় তদন্তে পুলিশ

মার্কো রুবিওর ভারত সফর শুরু কলকাতা থেকে, মাদার হাউসে শ্রদ্ধা জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পাকিস্তানে টিকটক তারকা সানা ইউসুফ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত উমর হায়াতের মৃত্যুদণ্ড

বাংলাসহ ৫০ ভাষায় পৌঁছাবে হজের খুতবা, বহুভাষিক সেবায় বদলে যাচ্ছে মক্কার হজ ব্যবস্থাপনা

তুরস্কে এক কিশোরের বন্দুক হামলা, নিহত ৪: আতঙ্কে তারসুস, চলছে ব্যাপক অভিযান

আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উদ্বেগ

ত্রিশালে রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, ভুল চিকিৎসার অভিযোগে অবরুদ্ধ চিকিৎসক

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র টানাপোড়েন: ইসলামাবাদে কূটনৈতিক তৎপরতা, আড়ালে কি সমঝোতার চেষ্টা?

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র টানাপোড়েন: ইসলামাবাদে কূটনৈতিক তৎপরতা, আড়ালে কি সমঝোতার চেষ্টা?
-ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা যখন নতুন মাত্রা নিচ্ছে, ঠিক তখনই পাকিস্তানকে ঘিরে শুরু হয়েছে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—দুই প্রতিপক্ষের প্রতিনিধিদের সম্ভাব্য উপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন উঠছে, পর্দার আড়ালে কি কোনো সমঝোতার পথ খোঁজা হচ্ছে?


ইসলামাবাদে ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা

শুক্রবার সন্ধ্যায় Abbas Araghchi-এর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল Islamabad-এ পৌঁছায়। তার সঙ্গে ছিলেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র Esmail Baghaei

ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর বাঘায়ি জানান, তারা পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ইরানের অবস্থান তুলে ধরবেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পাকিস্তানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।


যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা ও সম্ভাব্য সফর

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র থেকেও কূটনৈতিক বার্তা আসছে। জানা গেছে, মার্কিন প্রতিনিধি হিসেবে Jared Kushner এবং Steve Witkoff ইসলামাবাদ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth বলেন, ইরান চাইলে এখনো একটি “ভালো চুক্তি” করার সুযোগ রয়েছে। তার মতে, ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ত্যাগ করতে হবে এবং তা আন্তর্জাতিকভাবে যাচাইযোগ্য হতে হবে।


আলোচনায় আগ্রহ, তবে শর্তও আছে

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি Karoline Leavitt জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে আগ্রহী। তিনি বলেন, আলোচনায় অগ্রগতি হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance নিজেও এতে অংশ নিতে পারেন।

অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট Masoud Pezeshkian জানিয়েছেন, তারা আলোচনায় আগ্রহী হলেও যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ, হুমকি এবং অতীতের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে।

এছাড়া ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf সতর্ক করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া সম্ভব নয়।


পটভূমি: উত্তেজনার কেন্দ্র হরমুজ প্রণালি

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও Israel-এর সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা নতুন করে বাড়ে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে।

এই Hormuz Strait দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তেল পরিবহন হয়। ফলে এখানে যেকোনো ধরনের উত্তেজনা সরাসরি বিশ্ববাজারে তেলের দামের ওপর প্রভাব ফেলে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রণালিকে কেন্দ্র করে চাপ তৈরি করে ইরান কৌশলগত সুবিধা নিতে চাইছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও নজরদারি বাড়িয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।


পাকিস্তান কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এই পুরো পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঐতিহাসিকভাবে Pakistan ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয় পক্ষের সঙ্গেই কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে।

এ কারণে সংকটময় সময়ে ইসলামাবাদকে একটি সম্ভাব্য আলোচনার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও প্রকাশ্যে কোনো ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের কথা বলা হয়নি, তবুও একই সময়ে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে।

একজন বিশ্লেষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এটা সরাসরি বৈঠক না হলেও, মধ্যস্থতার একটি নীরব প্রক্রিয়া হতে পারে।”


সামরিক উত্তেজনা না আলোচনার পথ?

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধবিরতির সময়সীমা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়েছে—এমন তথ্যও সামনে এসেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, তারা সরাসরি সংঘাতের বদলে আলোচনার পথ খোলা রাখতে চাইছে।

যদিও প্রকাশ্যে কঠোর অবস্থান নেওয়া হচ্ছে, তবে কূটনৈতিক পর্যায়ে নমনীয়তা দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, উভয় পক্ষই বড় ধরনের সংঘাতে জড়াতে চায় না, বরং কৌশলগতভাবে চাপ প্রয়োগ করে সুবিধাজনক সমাধান খুঁজছে।


তদন্ত ও কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সরাসরি আলোচনা বা চুক্তির বিষয় এখনো নিশ্চিত হয়নি।

অভিযোগ বা দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, তবে সব পক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।


উপসংহার

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান টানাপোড়েনের মধ্যে পাকিস্তানে এই কূটনৈতিক তৎপরতা নতুন এক সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও প্রকাশ্যে কোনো সমঝোতার কথা বলা হচ্ছে না, তবুও আড়ালে আলোচনা বা মধ্যস্থতার চেষ্টা চলছে—এমন ধারণা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এখন দেখার বিষয়, এই উদ্যোগ থেকে বাস্তব কোনো অগ্রগতি আসে কি না, নাকি এটি কেবল কূটনৈতিক সময়ক্ষেপণের আরেকটি অধ্যায় হয়ে থাকে।

বিষয় : মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা হরমুজ প্রণালি সংকট ইসলামাবাদ কূটনীতি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র টানাপোড়েন: ইসলামাবাদে কূটনৈতিক তৎপরতা, আড়ালে কি সমঝোতার চেষ্টা?

প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা যখন নতুন মাত্রা নিচ্ছে, ঠিক তখনই পাকিস্তানকে ঘিরে শুরু হয়েছে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—দুই প্রতিপক্ষের প্রতিনিধিদের সম্ভাব্য উপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন উঠছে, পর্দার আড়ালে কি কোনো সমঝোতার পথ খোঁজা হচ্ছে?


ইসলামাবাদে ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা

শুক্রবার সন্ধ্যায় Abbas Araghchi-এর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল Islamabad-এ পৌঁছায়। তার সঙ্গে ছিলেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র Esmail Baghaei

ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর বাঘায়ি জানান, তারা পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ইরানের অবস্থান তুলে ধরবেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পাকিস্তানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।


যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা ও সম্ভাব্য সফর

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র থেকেও কূটনৈতিক বার্তা আসছে। জানা গেছে, মার্কিন প্রতিনিধি হিসেবে Jared Kushner এবং Steve Witkoff ইসলামাবাদ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth বলেন, ইরান চাইলে এখনো একটি “ভালো চুক্তি” করার সুযোগ রয়েছে। তার মতে, ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ত্যাগ করতে হবে এবং তা আন্তর্জাতিকভাবে যাচাইযোগ্য হতে হবে।


আলোচনায় আগ্রহ, তবে শর্তও আছে

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি Karoline Leavitt জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে আগ্রহী। তিনি বলেন, আলোচনায় অগ্রগতি হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance নিজেও এতে অংশ নিতে পারেন।

অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট Masoud Pezeshkian জানিয়েছেন, তারা আলোচনায় আগ্রহী হলেও যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ, হুমকি এবং অতীতের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে।

এছাড়া ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf সতর্ক করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া সম্ভব নয়।


পটভূমি: উত্তেজনার কেন্দ্র হরমুজ প্রণালি

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও Israel-এর সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা নতুন করে বাড়ে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে।

এই Hormuz Strait দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তেল পরিবহন হয়। ফলে এখানে যেকোনো ধরনের উত্তেজনা সরাসরি বিশ্ববাজারে তেলের দামের ওপর প্রভাব ফেলে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রণালিকে কেন্দ্র করে চাপ তৈরি করে ইরান কৌশলগত সুবিধা নিতে চাইছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও নজরদারি বাড়িয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।


পাকিস্তান কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এই পুরো পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঐতিহাসিকভাবে Pakistan ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয় পক্ষের সঙ্গেই কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে।

এ কারণে সংকটময় সময়ে ইসলামাবাদকে একটি সম্ভাব্য আলোচনার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও প্রকাশ্যে কোনো ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের কথা বলা হয়নি, তবুও একই সময়ে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে।

একজন বিশ্লেষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এটা সরাসরি বৈঠক না হলেও, মধ্যস্থতার একটি নীরব প্রক্রিয়া হতে পারে।”


সামরিক উত্তেজনা না আলোচনার পথ?

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধবিরতির সময়সীমা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়েছে—এমন তথ্যও সামনে এসেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, তারা সরাসরি সংঘাতের বদলে আলোচনার পথ খোলা রাখতে চাইছে।

যদিও প্রকাশ্যে কঠোর অবস্থান নেওয়া হচ্ছে, তবে কূটনৈতিক পর্যায়ে নমনীয়তা দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, উভয় পক্ষই বড় ধরনের সংঘাতে জড়াতে চায় না, বরং কৌশলগতভাবে চাপ প্রয়োগ করে সুবিধাজনক সমাধান খুঁজছে।


তদন্ত ও কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সরাসরি আলোচনা বা চুক্তির বিষয় এখনো নিশ্চিত হয়নি।

অভিযোগ বা দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, তবে সব পক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।


উপসংহার

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান টানাপোড়েনের মধ্যে পাকিস্তানে এই কূটনৈতিক তৎপরতা নতুন এক সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও প্রকাশ্যে কোনো সমঝোতার কথা বলা হচ্ছে না, তবুও আড়ালে আলোচনা বা মধ্যস্থতার চেষ্টা চলছে—এমন ধারণা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এখন দেখার বিষয়, এই উদ্যোগ থেকে বাস্তব কোনো অগ্রগতি আসে কি না, নাকি এটি কেবল কূটনৈতিক সময়ক্ষেপণের আরেকটি অধ্যায় হয়ে থাকে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর