দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

Google Pixel 11 সিরিজ আসছে ৪ মডেলে, থাকছে Tensor G6 ও Android 17

Google Pixel 11 সিরিজ আসছে ৪ মডেলে, থাকছে Tensor G6 ও Android 17

৯.৩৯ সেকেন্ডে ১০০ মিটার, বোল্টের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল চীনের হিউম্যানয়েড রোবট

প্রযুক্তি চর্চায় তরুণদের উৎসাহ দিতে নরসিংদীতে আইসিটি অলিম্পিয়াড–২০২৬ অনুষ্ঠিত

৭০০০mAh ব্যাটারির নতুন স্মার্টফোন আনছে রিয়েলমি, থাকছে ১২০Hz ডিসপ্লে ও ৬ বছরের ব্যাটারি স্থায়িত্ব

ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে বড় চমক: আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ‘ঐতিহাসিক’ অগ্রগতি, মোদির উচ্ছ্বাস

হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা, ইরানি তেলবাহী তিন ট্যাঙ্কার আটক দাবি যুক্তরাষ্ট্রের—বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা

কাজের ক্ষেত্র নিয়ে সংকীর্ণতা নয়, অভিনয়ই ছিল পূর্ণিমার আসল পরিচয়

বিশ্বকে হুমকি দেওয়া প্রেসিডেন্টের টুইট নিয়ে উদ্বেগ: নিরাপত্তা পরিষদের ভূমিকা বদলের আহ্বান লুলার

বিশ্বকে হুমকি দেওয়া প্রেসিডেন্টের টুইট নিয়ে উদ্বেগ: নিরাপত্তা পরিষদের ভূমিকা বদলের আহ্বান লুলার

বিশ্বকে হুমকি দেওয়া প্রেসিডেন্টের টুইট নিয়ে উদ্বেগ: নিরাপত্তা পরিষদের ভূমিকা বদলের আহ্বান লুলার
-ফাইল ফটো

বলেছেন, বিশ্বের মানুষ প্রতিদিন এমন পরিস্থিতিতে থাকতে পারে না যেখানে একজন প্রেসিডেন্টের একটি টুইটই যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করে। তিনি মনে করেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক বাস্তবতায় বড় শক্তিধর দেশগুলোর আচরণ বদলানো জরুরি হয়ে পড়েছে।

শনিবার Barcelona-এ প্রগতিশীল নেতাদের এক সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে Brazil-এর প্রেসিডেন্ট এই মন্তব্য করেন। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা Reuters এ তথ্য জানিয়েছে। তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে, সাম্প্রতিক ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা এবং যুদ্ধ থামাতে ব্যর্থতার কারণে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে।

লুলা বলেন, বিশ্বের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাদের ওপর বেশি, সেই পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের আচরণ এখন নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। তিনি সরাসরি উল্লেখ করেন United Nations Security Council-এর পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশের কথা। তার মতে, বর্তমান কাঠামো অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না।

বক্তৃতায় তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বা রাতে ঘুমাতে গিয়ে এমন উদ্বেগে থাকতে পারি না যে একজন প্রেসিডেন্টের একটি টুইট পুরো বিশ্বকে হুমকি দিচ্ছে।” যদিও তিনি কোনো দেশের প্রেসিডেন্টের নাম বলেননি, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের ধারণা—তার মন্তব্য মূলত Donald Trump-এর সাম্প্রতিক বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া হুঁশিয়ারির দিকেই ইঙ্গিত করে। 

লুলার এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আবারও বেড়েছে এবং ইরানকে ঘিরে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বড় শক্তিধর দেশগুলোর অবস্থান ও সিদ্ধান্ত অনেক সময় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলেও মনে করছেন অনেক পর্যবেক্ষক।

পটভূমি হিসেবে বলা যায়, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য—যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স—বিশ্ব নিরাপত্তা সংক্রান্ত বড় সিদ্ধান্তে বিশেষ ক্ষমতা রাখে। তাদের ভেটো ক্ষমতার কারণে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আটকে যায়, ফলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এই বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের নেতারা প্রশ্ন তুলছেন।

অন্যদিকে, Luiz Inácio Lula da Silva নিজেও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে পরিচিত একজন নেতা। এর আগেও তিনি বহুবার বলেছেন, সংঘাতের বদলে আলোচনা বাড়ানোই বিশ্ব শান্তির একমাত্র টেকসই পথ। তাই তার সাম্প্রতিক মন্তব্যকে অনেকেই একটি বৃহত্তর কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন। ????

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে বড় শক্তিগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ না থাকলে ছোট ও মাঝারি দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ে। এ কারণে লুলার বক্তব্য শুধু রাজনৈতিক মন্তব্য নয়, বরং বিশ্বব্যবস্থার সংস্কারের একটি আহ্বান হিসেবেও ধরা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, লুলার এই মন্তব্য আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে—বিশ্ব রাজনীতিতে শক্তিধর দেশগুলোর প্রতিটি সিদ্ধান্তের প্রভাব অনেক দূর পর্যন্ত যায়। তাই আন্তর্জাতিক শান্তি বজায় রাখতে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ও সমন্বিত উদ্যোগ এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি।

বিষয় : হুমকি ভূমিকা আহ্বান লুলার

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিশ্বকে হুমকি দেওয়া প্রেসিডেন্টের টুইট নিয়ে উদ্বেগ: নিরাপত্তা পরিষদের ভূমিকা বদলের আহ্বান লুলার

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বলেছেন, বিশ্বের মানুষ প্রতিদিন এমন পরিস্থিতিতে থাকতে পারে না যেখানে একজন প্রেসিডেন্টের একটি টুইটই যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করে। তিনি মনে করেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক বাস্তবতায় বড় শক্তিধর দেশগুলোর আচরণ বদলানো জরুরি হয়ে পড়েছে।

শনিবার Barcelona-এ প্রগতিশীল নেতাদের এক সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে Brazil-এর প্রেসিডেন্ট এই মন্তব্য করেন। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা Reuters এ তথ্য জানিয়েছে। তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে, সাম্প্রতিক ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা এবং যুদ্ধ থামাতে ব্যর্থতার কারণে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে।

লুলা বলেন, বিশ্বের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাদের ওপর বেশি, সেই পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের আচরণ এখন নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। তিনি সরাসরি উল্লেখ করেন United Nations Security Council-এর পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশের কথা। তার মতে, বর্তমান কাঠামো অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না।

বক্তৃতায় তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বা রাতে ঘুমাতে গিয়ে এমন উদ্বেগে থাকতে পারি না যে একজন প্রেসিডেন্টের একটি টুইট পুরো বিশ্বকে হুমকি দিচ্ছে।” যদিও তিনি কোনো দেশের প্রেসিডেন্টের নাম বলেননি, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের ধারণা—তার মন্তব্য মূলত Donald Trump-এর সাম্প্রতিক বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া হুঁশিয়ারির দিকেই ইঙ্গিত করে। 

লুলার এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আবারও বেড়েছে এবং ইরানকে ঘিরে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বড় শক্তিধর দেশগুলোর অবস্থান ও সিদ্ধান্ত অনেক সময় পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলেও মনে করছেন অনেক পর্যবেক্ষক।

পটভূমি হিসেবে বলা যায়, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য—যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স—বিশ্ব নিরাপত্তা সংক্রান্ত বড় সিদ্ধান্তে বিশেষ ক্ষমতা রাখে। তাদের ভেটো ক্ষমতার কারণে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আটকে যায়, ফলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এই বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের নেতারা প্রশ্ন তুলছেন।

অন্যদিকে, Luiz Inácio Lula da Silva নিজেও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে পরিচিত একজন নেতা। এর আগেও তিনি বহুবার বলেছেন, সংঘাতের বদলে আলোচনা বাড়ানোই বিশ্ব শান্তির একমাত্র টেকসই পথ। তাই তার সাম্প্রতিক মন্তব্যকে অনেকেই একটি বৃহত্তর কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন। ????

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে বড় শক্তিগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ না থাকলে ছোট ও মাঝারি দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ে। এ কারণে লুলার বক্তব্য শুধু রাজনৈতিক মন্তব্য নয়, বরং বিশ্বব্যবস্থার সংস্কারের একটি আহ্বান হিসেবেও ধরা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, লুলার এই মন্তব্য আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে—বিশ্ব রাজনীতিতে শক্তিধর দেশগুলোর প্রতিটি সিদ্ধান্তের প্রভাব অনেক দূর পর্যন্ত যায়। তাই আন্তর্জাতিক শান্তি বজায় রাখতে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ও সমন্বিত উদ্যোগ এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর