মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আসন্ন Eid al-Adha বা পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে। সে অনুযায়ী United Arab Emirates-এ ২৭ মে ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। আর সেই হিসাব ধরলে Bangladesh-এ ঈদ হতে পারে ২৮ মে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আরবি ক্যালেন্ডারের শেষ মাস জিলহজ শুরু হতে পারে আগামী ১৮ মে থেকে। ইসলামী ক্যালেন্ডার পুরোপুরি চাঁদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয় আকাশে নতুন চাঁদ দেখার পর। তাই আপাতত এটি সম্ভাব্য সময়সূচি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ইসলাম ধর্মে জিলহজ মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মাসের ১০ তারিখে পালিত হয় ঈদুল আজহা, যা কোরবানির ঈদ নামেও পরিচিত। এর আগের দিন অর্থাৎ ৯ জিলহজ পালিত হয় পবিত্র আরাফাতের দিন। ওই দিনই হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়, যখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লাখো মুসল্লি সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে একত্র হন।
সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, এবার আরাফাতের দিন পড়তে পারে ২৬ মে। আর তার পরদিন ২৭ মে মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ দেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে পারে। এ সম্ভাব্য সময়সূচি ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার ইতোমধ্যে সরকারি ছুটির পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে।
জানা গেছে, ২৬ মে হজের দিন উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকবে। এরপর ২৭ থেকে ২৯ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহার ছুটি দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে দেশটির নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি ৩০ ও ৩১ মে যুক্ত হয়ে মোট ছয় দিনের দীর্ঘ ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন সেখানকার বাসিন্দারা। সাধারণত বড় ধর্মীয় উৎসবগুলোকে কেন্দ্র করে এমন দীর্ঘ ছুটির ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আগেও দেখা গেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাশাপাশি Saudi Arabia, Kuwait, Qatar, Bahrain এবং Oman-সহ উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশিরভাগ দেশেই একই দিনে ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ এসব দেশে সাধারণত একই দিনে চাঁদ দেখা যায় এবং একই তারিখ অনুসরণ করা হয়।
বাংলাদেশে সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পর ঈদ উদযাপন করা হয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে চাঁদ দেখার সময়ের এই পার্থক্য তৈরি হয়। তাই মধ্যপ্রাচ্যে যদি ২৭ মে ঈদ হয়, তাহলে বাংলাদেশে ২৮ মে ঈদুল আজহা উদযাপনের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চাঁদ দেখার তথ্য সংগ্রহ করে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে তারিখ নির্ধারণ করে থাকে। তাই সম্ভাব্য তারিখ জানা গেলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে চাঁদ দেখার পরই।
সব মিলিয়ে, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের ঈদুল আজহা মে মাসের শেষ সপ্তাহে হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। তবে মুসল্লিদের চূড়ান্ত প্রস্তুতির আগে সরকারি ঘোষণার দিকে নজর রাখাই হবে সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আসন্ন Eid al-Adha বা পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে। সে অনুযায়ী United Arab Emirates-এ ২৭ মে ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। আর সেই হিসাব ধরলে Bangladesh-এ ঈদ হতে পারে ২৮ মে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আরবি ক্যালেন্ডারের শেষ মাস জিলহজ শুরু হতে পারে আগামী ১৮ মে থেকে। ইসলামী ক্যালেন্ডার পুরোপুরি চাঁদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয় আকাশে নতুন চাঁদ দেখার পর। তাই আপাতত এটি সম্ভাব্য সময়সূচি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ইসলাম ধর্মে জিলহজ মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মাসের ১০ তারিখে পালিত হয় ঈদুল আজহা, যা কোরবানির ঈদ নামেও পরিচিত। এর আগের দিন অর্থাৎ ৯ জিলহজ পালিত হয় পবিত্র আরাফাতের দিন। ওই দিনই হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়, যখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লাখো মুসল্লি সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে একত্র হন।
সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, এবার আরাফাতের দিন পড়তে পারে ২৬ মে। আর তার পরদিন ২৭ মে মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ দেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে পারে। এ সম্ভাব্য সময়সূচি ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার ইতোমধ্যে সরকারি ছুটির পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে।
জানা গেছে, ২৬ মে হজের দিন উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকবে। এরপর ২৭ থেকে ২৯ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহার ছুটি দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে দেশটির নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি ৩০ ও ৩১ মে যুক্ত হয়ে মোট ছয় দিনের দীর্ঘ ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন সেখানকার বাসিন্দারা। সাধারণত বড় ধর্মীয় উৎসবগুলোকে কেন্দ্র করে এমন দীর্ঘ ছুটির ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আগেও দেখা গেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাশাপাশি Saudi Arabia, Kuwait, Qatar, Bahrain এবং Oman-সহ উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশিরভাগ দেশেই একই দিনে ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ এসব দেশে সাধারণত একই দিনে চাঁদ দেখা যায় এবং একই তারিখ অনুসরণ করা হয়।
বাংলাদেশে সাধারণত সৌদি আরবের একদিন পর ঈদ উদযাপন করা হয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে চাঁদ দেখার সময়ের এই পার্থক্য তৈরি হয়। তাই মধ্যপ্রাচ্যে যদি ২৭ মে ঈদ হয়, তাহলে বাংলাদেশে ২৮ মে ঈদুল আজহা উদযাপনের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চাঁদ দেখার তথ্য সংগ্রহ করে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে তারিখ নির্ধারণ করে থাকে। তাই সম্ভাব্য তারিখ জানা গেলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে চাঁদ দেখার পরই।
সব মিলিয়ে, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের ঈদুল আজহা মে মাসের শেষ সপ্তাহে হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। তবে মুসল্লিদের চূড়ান্ত প্রস্তুতির আগে সরকারি ঘোষণার দিকে নজর রাখাই হবে সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।

আপনার মতামত লিখুন