সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় আদালতের ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাস্তা নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার গান্ধাইল দক্ষিণ পাড়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর অধীনে নির্মাণাধীন একটি পাকা রাস্তার কাজ নিয়েই এই বিরোধ তৈরি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই রাস্তার বিষয়ে জমি বিরোধের কারণে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সিরাজগঞ্জ ১৪৪ ধারা জারি করেন। আদালতের আদেশে ঠিকাদার ও স্থানীয় ১১ জনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে তারা পরস্পর যোগসাজসে আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে পুনরায় রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
বিরোধপূর্ণ ওই জমির মালিক চানমিয়া হাজি অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও ঠিকাদার মিলে তার জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করছে।
তার অভিযোগ অনুযায়ী, পাশের জমি এড়িয়ে না গিয়ে তার বাড়ির বারান্দা ভেঙে রাস্তার কাজ শুরু করা হয়। এতে তিনি বাধা দিলে তাকে হুমকি-ধামকি দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
চানমিয়া হাজি জানান, ঘটনার পর তিনি গত ১০ জুন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সিরাজগঞ্জে ১৪৪ ধারা চেয়ে মামলা করেন। আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
তবে কিছুদিন কাজ বন্ধ থাকার পর আবারও একইভাবে কাজ শুরু করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও নির্মাণ কাজ চলায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি দ্রুত সমাধান না হলে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশে ১৪৪ ধারা সাধারণত কোনো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা থাকলে জারি করা হয়। এই ধারা জারি হলে সেখানে জনসমাগম, বিরোধপূর্ণ কাজ বা পরিস্থিতি উত্তেজিত করতে পারে এমন কর্মকাণ্ড সীমিত বা নিষিদ্ধ করা হয়।
সাধারণত জমি বিরোধ, রাজনৈতিক উত্তেজনা বা সহিংসতার ঝুঁকি থাকলে প্রশাসন এই ধারা জারি করে থাকে।
কাজিপুরের এই ঘটনায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও নির্মাণ কাজ চালানোর অভিযোগ স্থানীয় প্রশাসনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
সব মিলিয়ে, বিষয়টি এখন আইনগত ও প্রশাসনিকভাবে কত দ্রুত সমাধান হয়, তার ওপরই নির্ভর করছে এলাকায় শান্তি বজায় থাকবে কিনা।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৪
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় আদালতের ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাস্তা নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ও বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার গান্ধাইল দক্ষিণ পাড়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর অধীনে নির্মাণাধীন একটি পাকা রাস্তার কাজ নিয়েই এই বিরোধ তৈরি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই রাস্তার বিষয়ে জমি বিরোধের কারণে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সিরাজগঞ্জ ১৪৪ ধারা জারি করেন। আদালতের আদেশে ঠিকাদার ও স্থানীয় ১১ জনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে তারা পরস্পর যোগসাজসে আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে পুনরায় রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
বিরোধপূর্ণ ওই জমির মালিক চানমিয়া হাজি অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও ঠিকাদার মিলে তার জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করছে।
তার অভিযোগ অনুযায়ী, পাশের জমি এড়িয়ে না গিয়ে তার বাড়ির বারান্দা ভেঙে রাস্তার কাজ শুরু করা হয়। এতে তিনি বাধা দিলে তাকে হুমকি-ধামকি দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
চানমিয়া হাজি জানান, ঘটনার পর তিনি গত ১০ জুন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সিরাজগঞ্জে ১৪৪ ধারা চেয়ে মামলা করেন। আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
তবে কিছুদিন কাজ বন্ধ থাকার পর আবারও একইভাবে কাজ শুরু করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও নির্মাণ কাজ চলায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি দ্রুত সমাধান না হলে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশে ১৪৪ ধারা সাধারণত কোনো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা থাকলে জারি করা হয়। এই ধারা জারি হলে সেখানে জনসমাগম, বিরোধপূর্ণ কাজ বা পরিস্থিতি উত্তেজিত করতে পারে এমন কর্মকাণ্ড সীমিত বা নিষিদ্ধ করা হয়।
সাধারণত জমি বিরোধ, রাজনৈতিক উত্তেজনা বা সহিংসতার ঝুঁকি থাকলে প্রশাসন এই ধারা জারি করে থাকে।
কাজিপুরের এই ঘটনায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও নির্মাণ কাজ চালানোর অভিযোগ স্থানীয় প্রশাসনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
সব মিলিয়ে, বিষয়টি এখন আইনগত ও প্রশাসনিকভাবে কত দ্রুত সমাধান হয়, তার ওপরই নির্ভর করছে এলাকায় শান্তি বজায় থাকবে কিনা।

আপনার মতামত লিখুন