নববর্ষের প্রথম দিনেই দেশের কৃষকদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে টাঙ্গাইলে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে তার গাড়িবহর টাঙ্গাইলে এসে পৌঁছায়। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে যাত্রা শুরু করেন তিনি।
সফরের মূল আকর্ষণ হিসেবে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হবে বহুল প্রতীক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’।
এই আধুনিক ডিজিটাল ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা সরাসরি সরকারি প্রণোদনা, ভর্তুকি এবং বিভিন্ন কৃষি সেবা সহজ ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে গ্রহণ করতে পারবেন। ফলে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য কমবে এবং কৃষকরা তাদের ন্যায্য সুবিধা দ্রুত পেয়ে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্র জানায়, এই উদ্যোগটি বর্তমান প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন। এর আগে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড এবং দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির মতো বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ইতোমধ্যে সামাজিক ও কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘কৃষক কার্ড’ শুধু একটি সেবা কার্ড নয়, বরং এটি দেশের কৃষি খাতে ডিজিটাল বিপ্লবের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এর মাধ্যমে কৃষি খাতে স্বচ্ছতা বাড়বে, দুর্নীতি কমবে এবং কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বাংলা নববর্ষে এমন উদ্যোগকে দেশের কৃষকদের জন্য এক অনন্য উপহার হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
নববর্ষের প্রথম দিনেই দেশের কৃষকদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে টাঙ্গাইলে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে তার গাড়িবহর টাঙ্গাইলে এসে পৌঁছায়। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে যাত্রা শুরু করেন তিনি।
সফরের মূল আকর্ষণ হিসেবে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হবে বহুল প্রতীক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’।
এই আধুনিক ডিজিটাল ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা সরাসরি সরকারি প্রণোদনা, ভর্তুকি এবং বিভিন্ন কৃষি সেবা সহজ ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে গ্রহণ করতে পারবেন। ফলে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য কমবে এবং কৃষকরা তাদের ন্যায্য সুবিধা দ্রুত পেয়ে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্র জানায়, এই উদ্যোগটি বর্তমান প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন। এর আগে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড এবং দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির মতো বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ইতোমধ্যে সামাজিক ও কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘কৃষক কার্ড’ শুধু একটি সেবা কার্ড নয়, বরং এটি দেশের কৃষি খাতে ডিজিটাল বিপ্লবের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এর মাধ্যমে কৃষি খাতে স্বচ্ছতা বাড়বে, দুর্নীতি কমবে এবং কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বাংলা নববর্ষে এমন উদ্যোগকে দেশের কৃষকদের জন্য এক অনন্য উপহার হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন