দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বৈশাখের রঙে বাঙালির প্রাণ: ঐতিহ্য, উৎসব আর স্মৃতির আবাহন

বৈশাখের রঙে বাঙালির প্রাণ: ঐতিহ্য, উৎসব আর স্মৃতির আবাহন

সূর্যোদয়ের সুরে বেজে উঠল নববর্ষ—রমনার বটমূলে ছায়ানটের হৃদয়ছোঁয়া আয়োজন

টেকনাফে অটোরিকশায় গোপনে পিস্তল বহন—৩ রোহিঙ্গা ডাকাত আটক

ইরান যুদ্ধের ভয়াবহ প্রভাব: বিশ্বে আরও ৩ কোটির বেশি মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে—জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

“২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু: দেশে বাড়ছে আতঙ্ক, আক্রান্ত হাজার ছাড়াল”

কৃষি-শিল্পে বড় বিনিয়োগের বার্তা, জ্বালানিতে সোলার বিপ্লব—বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে আশার আলো!

শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: যুবদল পরিচয়ে তাণ্ডব, চার সহযোগী ৪ দিনের রিমান্ডে

বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর! চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক ভিসা চালু করছে ভারত আগামী সপ্তাহেই

সূর্যোদয়ের সুরে বেজে উঠল নববর্ষ—রমনার বটমূলে ছায়ানটের হৃদয়ছোঁয়া আয়োজন

সূর্যোদয়ের সুরে বেজে উঠল নববর্ষ—রমনার বটমূলে ছায়ানটের হৃদয়ছোঁয়া আয়োজন

রাজধানীর ঐতিহাসিক রমনার বটমূল-এ সূর্যোদয়ের সোনালি আলো ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে বাংলা নববর্ষের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী আয়োজন—ছায়ানট-এর বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে সম্মেলক কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হয় এই প্রভাতী উৎসবের।

সকালবেলার নির্মল পরিবেশে সুর, বাণী আর ছন্দের অপূর্ব মেলবন্ধনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। প্রকৃতির কোলে বসে সংগীতপ্রেমী হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজনটি পরিণত হয় এক অনন্য সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।

আগেই জানানো হয়েছিল, এবারের অনুষ্ঠানে মোট ২২টি গান পরিবেশিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে ৮টি সম্মেলক সংগীত এবং ১৪টি একক কণ্ঠের পরিবেশনা। পাশাপাশি দুটি আবৃত্তিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অনুষ্ঠানের সূচিতে, যা পুরো আয়োজনকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে।

প্রায় দুই শতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণে সাজানো এই আয়োজন শুধু গান বা আবৃত্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—এটি বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। প্রতিটি পরিবেশনায় উঠে আসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির গভীর আবেগ, ইতিহাস এবং মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা।

এবারের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ছায়ানট প্রত্যাশা করেছে—বিশ্বজুড়ে সব শঙ্কা, অনিশ্চয়তা ও ভয় কাটিয়ে উঠুক মানবজাতি। তারা কামনা করেছে একটি শান্তিপূর্ণ, কল্যাণময় ও সহমর্মিতায় ভরা পৃথিবী, যেখানে মানুষ ফিরে পাবে স্বস্তি ও নিরাপত্তার পথ।

প্রতিবারের মতো এবারও রমনার বটমূলে এই আয়োজন প্রমাণ করেছে—সংস্কৃতি শুধু বিনোদন নয়, এটি মানুষের মনকে জাগ্রত করার, একত্রিত করার এবং নতুন আশার আলো দেখানোর শক্তিশালী মাধ্যম।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬


সূর্যোদয়ের সুরে বেজে উঠল নববর্ষ—রমনার বটমূলে ছায়ানটের হৃদয়ছোঁয়া আয়োজন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজধানীর ঐতিহাসিক রমনার বটমূল-এ সূর্যোদয়ের সোনালি আলো ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে বাংলা নববর্ষের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী আয়োজন—ছায়ানট-এর বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে সম্মেলক কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হয় এই প্রভাতী উৎসবের।

সকালবেলার নির্মল পরিবেশে সুর, বাণী আর ছন্দের অপূর্ব মেলবন্ধনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। প্রকৃতির কোলে বসে সংগীতপ্রেমী হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজনটি পরিণত হয় এক অনন্য সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।

আগেই জানানো হয়েছিল, এবারের অনুষ্ঠানে মোট ২২টি গান পরিবেশিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে ৮টি সম্মেলক সংগীত এবং ১৪টি একক কণ্ঠের পরিবেশনা। পাশাপাশি দুটি আবৃত্তিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অনুষ্ঠানের সূচিতে, যা পুরো আয়োজনকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে।

প্রায় দুই শতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণে সাজানো এই আয়োজন শুধু গান বা আবৃত্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—এটি বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। প্রতিটি পরিবেশনায় উঠে আসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির গভীর আবেগ, ইতিহাস এবং মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা।

এবারের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ছায়ানট প্রত্যাশা করেছে—বিশ্বজুড়ে সব শঙ্কা, অনিশ্চয়তা ও ভয় কাটিয়ে উঠুক মানবজাতি। তারা কামনা করেছে একটি শান্তিপূর্ণ, কল্যাণময় ও সহমর্মিতায় ভরা পৃথিবী, যেখানে মানুষ ফিরে পাবে স্বস্তি ও নিরাপত্তার পথ।

প্রতিবারের মতো এবারও রমনার বটমূলে এই আয়োজন প্রমাণ করেছে—সংস্কৃতি শুধু বিনোদন নয়, এটি মানুষের মনকে জাগ্রত করার, একত্রিত করার এবং নতুন আশার আলো দেখানোর শক্তিশালী মাধ্যম।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর