যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজন হলে ‘উপযুক্ত সময়ে’ যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর নজরদারি ও সম্ভাব্য অবরোধের কথাও জানান তিনি।
রোববার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান খুব শিগগিরই আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হবে। তার ভাষায়, “তাদের হাতে কোনো শক্ত অবস্থান নেই, তারা আমাদের শর্ত মানতেই ফিরে আসবে।”
পরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ আরও কঠোর ভাষায় তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো অচল করে দেওয়া সম্ভব।
সম্প্রতি ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রায় ২১ ঘণ্টার আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পরপরই এই মন্তব্য করেন ট্রাম্প। আলোচনায় অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু লক্ষ্য করে পদক্ষেপ নিতে পারে।
এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তার অভিযোগ, কিছু জাহাজ ইরানকে টোল বা শুল্ক দিচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্র বেআইনি বলে মনে করে। এমন জাহাজের নিরাপদ চলাচল বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করেন ট্রাম্প।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবাহিত হয়। ফলে এ অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়লে বিশ্ববাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজন হলে ‘উপযুক্ত সময়ে’ যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর নজরদারি ও সম্ভাব্য অবরোধের কথাও জানান তিনি।
রোববার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান খুব শিগগিরই আলোচনায় ফিরতে বাধ্য হবে। তার ভাষায়, “তাদের হাতে কোনো শক্ত অবস্থান নেই, তারা আমাদের শর্ত মানতেই ফিরে আসবে।”
পরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ আরও কঠোর ভাষায় তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো অচল করে দেওয়া সম্ভব।
সম্প্রতি ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রায় ২১ ঘণ্টার আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পরপরই এই মন্তব্য করেন ট্রাম্প। আলোচনায় অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু লক্ষ্য করে পদক্ষেপ নিতে পারে।
এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তার অভিযোগ, কিছু জাহাজ ইরানকে টোল বা শুল্ক দিচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্র বেআইনি বলে মনে করে। এমন জাহাজের নিরাপদ চলাচল বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করেন ট্রাম্প।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবাহিত হয়। ফলে এ অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়লে বিশ্ববাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন