দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

পানিবণ্টনে ভারতের কাছে ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পানিবণ্টনে ভারতের কাছে ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বায়রার অনুমোদনের অপেক্ষা, উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুরের প্রথম ইউনিট

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক আজ

ঢাকা, গাজীপুর ও রংপুর সিটির উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকার ৪ প্রকল্প অনুমোদন

দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস

সুন্দরবন ঘেঁষে ২৪ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ, ৩০ দিনের মধ্যে সরানোর সময়

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা, উঠছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প

রাত ১১টার মধ্যে বার বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

“বিজয় ঘোষণা করে যুদ্ধবিরতিতে ইরান—পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঐতিহাসিক সমঝোতা!”

“বিজয় ঘোষণা করে যুদ্ধবিরতিতে ইরান—পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঐতিহাসিক সমঝোতা!”
-ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে বড় ধরনের মোড় নিয়েছে কূটনৈতিক অঙ্গন। ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে এবং এটিকে নিজেদের “কৌশলগত বিজয়” হিসেবে ঘোষণা করেছে।

দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক বিবৃতিতে জানায়, এই যুদ্ধবিরতি কোনো চূড়ান্ত সমাধান নয়; বরং এটি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ধাপ। নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি-এর সম্মতিতেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সি-তে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশটি তাদের সামরিক ও কৌশলগত অবস্থান দৃঢ় রাখার পরই এই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, তাই এটিকে তারা “পূর্ণাঙ্গ বিজয়ের প্রতিফলন” হিসেবে দেখছে।

এই গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির-এর সক্রিয় মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার পথ তৈরি হয়। ইরান তাদের বিবৃতিতে পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে ইসলামাবাদ-এ। আগামী শুক্রবার থেকে সম্ভাব্য এই বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি আলোচনায় বসবেন এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ খুঁজবেন।

তবে সতর্ক অবস্থানও বজায় রেখেছে ইরান। দেশটির নিরাপত্তা পরিষদ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তাদের পূর্ণ আস্থা নেই। তবুও এই দুই সপ্তাহের সময়কে তারা কূটনৈতিক সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে চায়।

এদিকে যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় রাজধানী তেহরান-এ নেমে এসেছে স্বস্তির আবহ। বুধবার ভোরে শহরের বিভিন্ন সড়কে সাধারণ মানুষ আনন্দ মিছিল বের করে। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে নগরী। যুদ্ধ আপাতত থেমে যাওয়ার সম্ভাবনায় স্বস্তি ও উচ্ছ্বাস স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে মানুষের মাঝে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধবিরতি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের অস্থিরতার অবসান ঘটানোর একটি বাস্তব সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে চূড়ান্ত শান্তি প্রতিষ্ঠা নির্ভর করছে আসন্ন আলোচনার অগ্রগতির ওপর।

বিষয় : বিজয় ঐতিহাসিক

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


“বিজয় ঘোষণা করে যুদ্ধবিরতিতে ইরান—পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঐতিহাসিক সমঝোতা!”

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে বড় ধরনের মোড় নিয়েছে কূটনৈতিক অঙ্গন। ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে এবং এটিকে নিজেদের “কৌশলগত বিজয়” হিসেবে ঘোষণা করেছে।

দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক বিবৃতিতে জানায়, এই যুদ্ধবিরতি কোনো চূড়ান্ত সমাধান নয়; বরং এটি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ধাপ। নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি-এর সম্মতিতেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সি-তে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশটি তাদের সামরিক ও কৌশলগত অবস্থান দৃঢ় রাখার পরই এই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, তাই এটিকে তারা “পূর্ণাঙ্গ বিজয়ের প্রতিফলন” হিসেবে দেখছে।

এই গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির-এর সক্রিয় মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার পথ তৈরি হয়। ইরান তাদের বিবৃতিতে পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে ইসলামাবাদ-এ। আগামী শুক্রবার থেকে সম্ভাব্য এই বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি আলোচনায় বসবেন এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ খুঁজবেন।

তবে সতর্ক অবস্থানও বজায় রেখেছে ইরান। দেশটির নিরাপত্তা পরিষদ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তাদের পূর্ণ আস্থা নেই। তবুও এই দুই সপ্তাহের সময়কে তারা কূটনৈতিক সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে চায়।

এদিকে যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় রাজধানী তেহরান-এ নেমে এসেছে স্বস্তির আবহ। বুধবার ভোরে শহরের বিভিন্ন সড়কে সাধারণ মানুষ আনন্দ মিছিল বের করে। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে নগরী। যুদ্ধ আপাতত থেমে যাওয়ার সম্ভাবনায় স্বস্তি ও উচ্ছ্বাস স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে মানুষের মাঝে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধবিরতি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের অস্থিরতার অবসান ঘটানোর একটি বাস্তব সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে চূড়ান্ত শান্তি প্রতিষ্ঠা নির্ভর করছে আসন্ন আলোচনার অগ্রগতির ওপর।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর