দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, কী বললেন গৃহায়নমন্ত্রী?

অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, কী বললেন গৃহায়নমন্ত্রী?

সৌদির স্কুলের বইয়ে আমূল পরিবর্তন, ইহুদি-খ্রিস্টানদের নিয়ে বদলে গেল পুরোনো বয়ান

৬ মাস শেষে সরকারের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী, চলছে সূক্ষ্ম মূল্যায়ন

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে ঢাকা–দিল্লি টানাপোড়েন, সম্পর্ক কি আবার কঠিন পথে?

জ্বালানি খাত নিয়ে বড় সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর, নিয়োগ হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: তরুণ প্রতিভাদের নিয়ে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে জমজমাট সমাপনী

মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডার ফুরিয়ে আসছে? ট্রাম্পের কড়া জবাবে চাঞ্চল্য

শারীরিক অসুস্থতায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে তীব্র বিরোধ, কী হতে পারে শেষ পরিণতি?

কঠিন পরীক্ষায় সংসদ

 কঠিন পরীক্ষায় সংসদ
-ছবি: সংগৃহীত

নবগঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরীক্ষার মুখে পড়েছে। ইস্যুগুলো হলো—

সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দ্বৈত শপথ

গণভোট বাস্তবায়ন

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশসমূহ

এই বিষয়গুলোকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, যুক্তি ও অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে।

⚖️ অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১২০টির বিষয়ে সংসদীয় বিশেষ কমিটিতে ঐকমত্য হয়েছে। তবে বাকি ১৩টি স্পর্শকাতর অধ্যাদেশ নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে—

গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অধ্যাদেশ

পুলিশ কমিশন ও গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ

বিশেষ করে গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল বা বহাল রাখা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দল মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।

 গণভোট ইস্যুতে দ্বন্দ্ব

গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে জনমত প্রকাশ পায়।

তবে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি এই গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের যুক্তি—

 এটি সাংবিধানিক ভিত্তিহীন আদেশের মাধ্যমে জারি করা হয়েছিল।

অন্যদিকে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী বলছে—

 গণভোটে জনগণ তাদের মতামত দিয়েছে, তাই এটি বাতিল করা জনগণের রায়ের অবমূল্যায়ন হবে।

 দ্বৈত শপথ নিয়ে বিতর্ক

সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে তীব্র মতবিরোধ।

বিএনপি ও তাদের মিত্ররা শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছে

জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য—দুই ভূমিকাতেই শপথ নিয়েছে

এই ভিন্ন অবস্থান সংসদের ভেতরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক উত্তেজনার আশঙ্কা

বিশ্লেষকদের মতে, সরকার যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বিতর্কিত অধ্যাদেশগুলো বাতিল বা সংশোধন করে, তাহলে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

এরই মধ্যে—

জামায়াতে ইসলামী রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে

বিএনপি আলোচনার আহ্বান জানালেও সংবিধান মেনে চলার শর্ত দিয়েছে

???? সামনে কী হতে যাচ্ছে?

সংসদীয় বিশেষ কমিটি ২৯ মার্চ আবার বৈঠকে বসবে এবং ২ এপ্রিলের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

এখন সবার নজর—

 সংসদ কি সমঝোতার পথে হাঁটবে,

নাকি বিরোধ আরও গভীর হয়ে রাজনৈতিক সংঘাতে রূপ নেবে।

সারসংক্ষেপ:

গণভোট অধ্যাদেশ, দ্বৈত শপথ এবং বিতর্কিত অধ্যাদেশগুলো নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। এই সংকটের সমাধান কীভাবে হবে, তা নির্ভর করছে আসন্ন বৈঠক ও রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


কঠিন পরীক্ষায় সংসদ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬

featured Image

নবগঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরীক্ষার মুখে পড়েছে। ইস্যুগুলো হলো—

সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দ্বৈত শপথ

গণভোট বাস্তবায়ন

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশসমূহ

এই বিষয়গুলোকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, যুক্তি ও অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে।

⚖️ অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১২০টির বিষয়ে সংসদীয় বিশেষ কমিটিতে ঐকমত্য হয়েছে। তবে বাকি ১৩টি স্পর্শকাতর অধ্যাদেশ নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে—

গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অধ্যাদেশ

পুলিশ কমিশন ও গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ

বিশেষ করে গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল বা বহাল রাখা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দল মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।

 গণভোট ইস্যুতে দ্বন্দ্ব

গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে জনমত প্রকাশ পায়।

তবে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি এই গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের যুক্তি—

 এটি সাংবিধানিক ভিত্তিহীন আদেশের মাধ্যমে জারি করা হয়েছিল।

অন্যদিকে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী বলছে—

 গণভোটে জনগণ তাদের মতামত দিয়েছে, তাই এটি বাতিল করা জনগণের রায়ের অবমূল্যায়ন হবে।

 দ্বৈত শপথ নিয়ে বিতর্ক

সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে তীব্র মতবিরোধ।

বিএনপি ও তাদের মিত্ররা শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছে

জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য—দুই ভূমিকাতেই শপথ নিয়েছে

এই ভিন্ন অবস্থান সংসদের ভেতরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক উত্তেজনার আশঙ্কা

বিশ্লেষকদের মতে, সরকার যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বিতর্কিত অধ্যাদেশগুলো বাতিল বা সংশোধন করে, তাহলে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

এরই মধ্যে—

জামায়াতে ইসলামী রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে

বিএনপি আলোচনার আহ্বান জানালেও সংবিধান মেনে চলার শর্ত দিয়েছে

???? সামনে কী হতে যাচ্ছে?

সংসদীয় বিশেষ কমিটি ২৯ মার্চ আবার বৈঠকে বসবে এবং ২ এপ্রিলের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

এখন সবার নজর—

 সংসদ কি সমঝোতার পথে হাঁটবে,

নাকি বিরোধ আরও গভীর হয়ে রাজনৈতিক সংঘাতে রূপ নেবে।


সারসংক্ষেপ:

গণভোট অধ্যাদেশ, দ্বৈত শপথ এবং বিতর্কিত অধ্যাদেশগুলো নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। এই সংকটের সমাধান কীভাবে হবে, তা নির্ভর করছে আসন্ন বৈঠক ও রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর