বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় সংগঠন দুটি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে জামায়াত ও শিবিরের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আইনগতভাবে সীমাবদ্ধ হয়ে গেল।
এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের জানান, জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, কোন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে, তা নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
আইনমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, কোনো দলকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি সাধারণত নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। যুদ্ধাপরাধের বিচার ও রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা—দুটি আলাদা প্রক্রিয়া বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সরকারি সূত্র অনুযায়ী, সোমবার (২৯ জুলাই) রাতে গণভবনে ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা যায়। পরবর্তীতে আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নেওয়া হয়।
এদিকে সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, কোনো রাজনৈতিক জোট বা দল অন্য কোনো দলের বিষয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তিনি দাবি করেন, দেশের সংবিধান ও আইন কাউকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেয়নি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক আন্দোলন ও সহিংস ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিরোধী দলগুলোর ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।
সব মিলিয়ে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন পরবর্তী সময়ে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও এর প্রভাব নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৪
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় সংগঠন দুটি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে জামায়াত ও শিবিরের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আইনগতভাবে সীমাবদ্ধ হয়ে গেল।
এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের জানান, জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, কোন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে, তা নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
আইনমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, কোনো দলকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি সাধারণত নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। যুদ্ধাপরাধের বিচার ও রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা—দুটি আলাদা প্রক্রিয়া বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সরকারি সূত্র অনুযায়ী, সোমবার (২৯ জুলাই) রাতে গণভবনে ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা যায়। পরবর্তীতে আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নেওয়া হয়।
এদিকে সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, কোনো রাজনৈতিক জোট বা দল অন্য কোনো দলের বিষয়ে একতরফা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তিনি দাবি করেন, দেশের সংবিধান ও আইন কাউকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেয়নি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক আন্দোলন ও সহিংস ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিরোধী দলগুলোর ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।
সব মিলিয়ে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন পরবর্তী সময়ে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও এর প্রভাব নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন