নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে দুই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১০৪টি তাস ও নগদ ১০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইনে মামলা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে তাঁদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে পুলিশ ভোর সোয়া ৪টার দিকে ওই দোকানঘরে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করলে ছয়জনকে আটক করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা টাকার বিনিময়ে তাস দিয়ে জুয়া খেলার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুয়ার আসরের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখান থেকে জুয়ার সরঞ্জামসহ ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার পর তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একই ইউনিয়নের দুই ইউপি সদস্য গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম কল্যাণ। তিনি বলেন, মাদক ও জুয়া নির্মূলে তাঁরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছেন। এসব অপরাধে কারও সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
সর্বশেষ অবস্থা: পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জব্দ করা তাস ও টাকা মামলার আলামত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে দুই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১০৪টি তাস ও নগদ ১০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইনে মামলা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে তাঁদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে পুলিশ ভোর সোয়া ৪টার দিকে ওই দোকানঘরে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করলে ছয়জনকে আটক করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা টাকার বিনিময়ে তাস দিয়ে জুয়া খেলার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুয়ার আসরের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখান থেকে জুয়ার সরঞ্জামসহ ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার পর তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একই ইউনিয়নের দুই ইউপি সদস্য গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম কল্যাণ। তিনি বলেন, মাদক ও জুয়া নির্মূলে তাঁরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছেন। এসব অপরাধে কারও সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
সর্বশেষ অবস্থা: পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জব্দ করা তাস ও টাকা মামলার আলামত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন