দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

মোহাম্মদপুরে নারী ও কিশোরসহ ১৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার

মোহাম্মদপুরে নারী ও কিশোরসহ ১৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার

টঙ্গীতে যৌথ অভিযানে ধরা পড়লো ৩ চিহ্নিত অপরাধী, অস্ত্র উদ্ধার

বনানীর ‘প্ল্যান বি’ বারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান

বগুড়ায় ২৮ মামলার আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, পুলিশের ওপর হামলা

ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ডাকাতি: লুণ্ঠিত মালামাল ও অস্ত্র উদ্ধার, আটক ২

টঙ্গীতে তুরাগ নদ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির পচাগলা মরদেহ উদ্ধার

নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত ৩২

ঢাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ১৭টি মামলা

মোহাম্মদপুরে নারী ও কিশোরসহ ১৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার

মোহাম্মদপুরে নারী ও কিশোরসহ ১৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার
মোহাম্মদপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে নারী ও কিশোরসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার এবং দেশীয় অস্ত্র ও মোবাইল ফোন উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে নারী ও কিশোরসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র এবং ছিনতাই হওয়া চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন কিশোর ও একজন নারী রয়েছেন।

ওসি আব্দুল হালিম জানান, মোহাম্মদপুর এলাকায় ২৪ ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি সুইচ গিয়ার, দুটি ধারালো চাকু, চারটি রড ও একটি করাত কাটার চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ছাড়া ছিনতাই হওয়া চারটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে হাসনাইন হাসানকে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ও শেরেবাংলা নগর থানায় ছিনতাইয়ের অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে তদন্ত করা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, এই চক্রের সদস্যরা পথচারী, বাসযাত্রী, রিকশার আরোহী এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের স্বজনদের লক্ষ্য করতেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে কিংবা নারীদের অসাবধানতার সুযোগ নিয়ে ব্যাগ থেকে মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হতো।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বজনদেরও লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগটি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। কারণ এ সময় স্বজনেরা সাধারণত রোগীর চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন এবং অনেক ক্ষেত্রে মূল্যবান জিনিসপত্রের দিকে যথেষ্ট নজর দিতে পারেন না।

ওসি আব্দুল হালিম জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানোর কার্যক্রম চলছে। ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

তবে উদ্ধার করা চারটি মোবাইল ফোনের মালিক কারা এবং সেগুলো কোন কোন ঘটনায় ছিনতাই হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।

বিষয় : মোহাম্মদপুরে ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার মোহাম্মদপুরে ১৩ জন গ্রেপ্তার রাজধানীতে ছিনতাই ছিনতাই প্রতিরোধ অভিযান

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


মোহাম্মদপুরে নারী ও কিশোরসহ ১৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে নারী ও কিশোরসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র এবং ছিনতাই হওয়া চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন কিশোর ও একজন নারী রয়েছেন।

ওসি আব্দুল হালিম জানান, মোহাম্মদপুর এলাকায় ২৪ ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি সুইচ গিয়ার, দুটি ধারালো চাকু, চারটি রড ও একটি করাত কাটার চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ছাড়া ছিনতাই হওয়া চারটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে হাসনাইন হাসানকে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ও শেরেবাংলা নগর থানায় ছিনতাইয়ের অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে তদন্ত করা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, এই চক্রের সদস্যরা পথচারী, বাসযাত্রী, রিকশার আরোহী এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের স্বজনদের লক্ষ্য করতেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে কিংবা নারীদের অসাবধানতার সুযোগ নিয়ে ব্যাগ থেকে মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হতো।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বজনদেরও লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগটি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। কারণ এ সময় স্বজনেরা সাধারণত রোগীর চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন এবং অনেক ক্ষেত্রে মূল্যবান জিনিসপত্রের দিকে যথেষ্ট নজর দিতে পারেন না।

ওসি আব্দুল হালিম জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানোর কার্যক্রম চলছে। ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

তবে উদ্ধার করা চারটি মোবাইল ফোনের মালিক কারা এবং সেগুলো কোন কোন ঘটনায় ছিনতাই হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর