দেশের ১১ অঞ্চলের ওপর দিয়ে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ সময় এসব এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ। বুধবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
বুধবার রাতে প্রকাশিত সারাদেশের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।
এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়ার কারণে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সময় নদীপথে চলাচলকারী নৌযানকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি খোলা জায়গায় অবস্থান না করার পরামর্শ মেনে চলা নিরাপদ। বজ্রপাতের সময় বিদ্যুৎ পরিবাহী বস্তু ও বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের ১১ অঞ্চলের ওপর দিয়ে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ সময় এসব এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ। বুধবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
বুধবার রাতে প্রকাশিত সারাদেশের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।
এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়ার কারণে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সময় নদীপথে চলাচলকারী নৌযানকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি খোলা জায়গায় অবস্থান না করার পরামর্শ মেনে চলা নিরাপদ। বজ্রপাতের সময় বিদ্যুৎ পরিবাহী বস্তু ও বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।

আপনার মতামত লিখুন