কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন ঘটনায় প্রাণহানি ও ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এই ধরনের ঘটনা তিনি কখনোই কল্পনা করেননি এবং এতে বহু তাজা প্রাণ ঝরে গেছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
বুধবার (নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আবদুর রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে বলেন, কোটা সংস্কার নিয়ে সরকার আগেই পদক্ষেপ নিয়েছিল এবং বিষয়টি আদালতেও গিয়েছিল। তিনি জানান, হাইকোর্টের রায়ের পর সরকার আপিল করে এবং আপিল বিভাগ সেই রায় স্থগিত করে পূর্ণাঙ্গ শুনানির নির্দেশ দেয়। তার মতে, এরপর বিষয়টি আবার নতুনভাবে সামনে আসে।
তিনি বলেন, “যে ইস্যুটা ছিল না, সেটাকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের নামে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালানো হয়েছে, এতে এত প্রাণহানি হবে—এটা আমি ভাবতেই পারিনি।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের প্রতি তিনি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি আরও বলেন, “যে প্রাণগুলো ঝরে গেছে, তারা আর ফিরে আসবে না। তবে স্থাপনা ও ক্ষয়ক্ষতি পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব।”
তিনি নিজের ব্যক্তিগত ক্ষতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তিনি স্বজন হারানোর বেদনা জানেন এবং মানুষের শোক বোঝেন। তাই কোনোভাবেই তিনি চান না সাধারণ মানুষের জীবনহানি ঘটুক।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই অর্জনের পর এমন অস্থিরতা কেন তৈরি হলো।
তার ভাষায়, “আমি ক্ষমতায় এসেছি ভোগের জন্য না, দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করেছি। বাংলাদেশকে আজ বিশ্ব উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে দেখে।”
প্রধানমন্ত্রী জানান, আন্দোলন ও সহিংসতার ঘটনায় যেসব প্রাণহানি ঘটেছে, সেগুলোর তদন্ত করা হবে। তিনি এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে অবদানের জন্য ২২ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মৎস্য পদক দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল ৬টি স্বর্ণ, ৮টি রৌপ্য এবং ৮টি ব্রোঞ্জ পদক।
আন্দোলন ঘিরে প্রাণহানি ও সহিংসতা নিয়ে সরকারপ্রধানের এই বক্তব্যে যেমন দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে, তেমনি ভবিষ্যতে তদন্ত ও দোষ নিরূপণের বিষয়েও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এখন পরিস্থিতি কোন দিকে যায় এবং তদন্ত কতটা স্বচ্ছভাবে এগোয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৪
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন ঘটনায় প্রাণহানি ও ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এই ধরনের ঘটনা তিনি কখনোই কল্পনা করেননি এবং এতে বহু তাজা প্রাণ ঝরে গেছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
বুধবার (নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আবদুর রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে বলেন, কোটা সংস্কার নিয়ে সরকার আগেই পদক্ষেপ নিয়েছিল এবং বিষয়টি আদালতেও গিয়েছিল। তিনি জানান, হাইকোর্টের রায়ের পর সরকার আপিল করে এবং আপিল বিভাগ সেই রায় স্থগিত করে পূর্ণাঙ্গ শুনানির নির্দেশ দেয়। তার মতে, এরপর বিষয়টি আবার নতুনভাবে সামনে আসে।
তিনি বলেন, “যে ইস্যুটা ছিল না, সেটাকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের নামে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালানো হয়েছে, এতে এত প্রাণহানি হবে—এটা আমি ভাবতেই পারিনি।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের প্রতি তিনি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি আরও বলেন, “যে প্রাণগুলো ঝরে গেছে, তারা আর ফিরে আসবে না। তবে স্থাপনা ও ক্ষয়ক্ষতি পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব।”
তিনি নিজের ব্যক্তিগত ক্ষতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তিনি স্বজন হারানোর বেদনা জানেন এবং মানুষের শোক বোঝেন। তাই কোনোভাবেই তিনি চান না সাধারণ মানুষের জীবনহানি ঘটুক।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই অর্জনের পর এমন অস্থিরতা কেন তৈরি হলো।
তার ভাষায়, “আমি ক্ষমতায় এসেছি ভোগের জন্য না, দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করেছি। বাংলাদেশকে আজ বিশ্ব উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে দেখে।”
প্রধানমন্ত্রী জানান, আন্দোলন ও সহিংসতার ঘটনায় যেসব প্রাণহানি ঘটেছে, সেগুলোর তদন্ত করা হবে। তিনি এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে অবদানের জন্য ২২ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মৎস্য পদক দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল ৬টি স্বর্ণ, ৮টি রৌপ্য এবং ৮টি ব্রোঞ্জ পদক।
আন্দোলন ঘিরে প্রাণহানি ও সহিংসতা নিয়ে সরকারপ্রধানের এই বক্তব্যে যেমন দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে, তেমনি ভবিষ্যতে তদন্ত ও দোষ নিরূপণের বিষয়েও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এখন পরিস্থিতি কোন দিকে যায় এবং তদন্ত কতটা স্বচ্ছভাবে এগোয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন