দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসকদের উদ্যোগে নতুন গতি, সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের

ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসকদের উদ্যোগে নতুন গতি, সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের

দেশকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে সবার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

টানা বৃষ্টিতে ফের ডুবছে চট্টগ্রাম: দুর্ভোগে কর্মজীবী মানুষ, বাড়ল রিকশা ভাড়া

ইরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত, পরিবারের চার সদস্যেরও নামাজে অংশগ্রহণ

জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মাননা, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘জুলাই স্মৃতি স্মারক’ গ্রহণ

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শনে ডিসি সোহানা নাসরিন, বন্দিদের কল্যাণে দিলেন একগুচ্ছ নির্দেশনা

আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠক, কর্মী প্রেরণ ও বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার আলোচনা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতে উদ্যোগ, প্রবাসীদের সমস্যার সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

ট্রান্সফরমার চুরির তদন্তে বেরিয়ে এলো মাদকের গুদাম, নওগাঁয় উদ্ধার ৯০ কেজি গাঁজা

ট্রান্সফরমার চুরির তদন্তে বেরিয়ে এলো মাদকের গুদাম, নওগাঁয় উদ্ধার ৯০ কেজি গাঁজা
নিয়ামতপুরে রাতভর অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৯০ কেজি গাঁজা; তদন্তে খোঁজা হচ্ছে চক্রের অন্য সদস্যদের।

একটি ট্রান্সফরমার চুরির অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে নওগাঁ জেলা পুলিশ এমন এক তথ্যের সন্ধান পায়, যা শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের মাদকবিরোধী অভিযানে রূপ নেয়। মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত টানা অভিযান চালিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলার একটি বাড়ি থেকে ৯০ কেজি শুকনা গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাদকের বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং পুরো নেটওয়ার্ক শনাক্তে কাজ চলছে।

চুরির অভিযোগ থেকে শুরু

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জুন নিয়ামতপুর উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নে একটি ট্রান্সফরমার চুরির অভিযোগ আসে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।


এরপর নিয়ামতপুর থানা পুলিশ অভিযোগের সূত্র ধরে অনুসন্ধান শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন হিসেবে হামেদুল ইসলামকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা দিলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আরও অনুসন্ধান চালানো হয়।

পুলিশের দাবি, অনুসন্ধানের একপর্যায়ে মাদক ব্যবসার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য সামনে আসে, যা পরবর্তী অভিযানের ভিত্তি তৈরি করে।

মধ্যরাতের অভিযান, উদ্ধার বিপুল পরিমাণ গাঁজা

পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৮ জুন দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিট থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল উপজেলার ৬ নম্বর পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালায়।

দীর্ঘ তল্লাশির একপর্যায়ে বাড়ি থেকে বিশেষভাবে প্যাকেটজাত ৯০ কেজি শুকনা গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন হামেদুল ইসলাম (৩৫) এবং রশিদ (৪৪)।

কীভাবে পরিচালিত হতো কথিত নেটওয়ার্ক?

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যমতে, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বিভিন্ন পরিবহনের মাধ্যমে গাঁজা সংগ্রহ করে ওই বাড়িতে মজুদ রাখা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তসংলগ্ন এলাকা থেকে ট্রাক ও হাইস মাইক্রোবাসের মাধ্যমে মাদক আনা হতো। পরে তুলার বাঐল গ্রামের বাড়ির দ্বিতল মাটির ভবনে তা সংরক্ষণ করা হতো। সেখান থেকে নওগাঁসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সরবরাহ করা হতো বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও আসেনি।

আরও কারা জড়িত?

পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে মাদক ব্যবসার সঙ্গে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।

অভিযান শেষে পুলিশ সুপার নিজেও গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় মাদক সংগ্রহ, মজুদ ও সরবরাহব্যবস্থা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং একটি বৃহত্তর চক্রের অংশ হতে পারে। তাই আর্থিক লেনদেন, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং সরবরাহ চেইনের দিকগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই কেন গুরুত্বপূর্ণ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক শুধু ব্যক্তিকে নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। মাদকাসক্তির কারণে শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয়, পারিবারিক সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং বিভিন্ন অপরাধের প্রবণতা বাড়তে পারে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, মাদক ব্যবসা সাধারণত একটি সংগঠিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ফলে একটি চালান আটক বা কয়েকজনকে গ্রেফতার করলেই সমস্যা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় না। এর জন্য প্রয়োজন ধারাবাহিক অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং জনসচেতনতা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার হলে তরুণ প্রজন্মকে এই ভয়াবহ আসক্তি থেকে রক্ষা করা সহজ হবে।

পুলিশের বক্তব্য

এ ঘটনায় নিয়ামতপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মাদক নির্মূলে চলমান অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে এবং কোনো মাদক কারবারিকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

জেলা পুলিশের এই অভিযানে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন তৎপরতা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া মাদক, গ্রেফতার ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিষয় : ভোলা মাদকবিরোধী অভিযান নওগাঁ সংবাদ নওগাঁ জেলা পুলিশ নিয়ামতপুর খবর ৯০ কেজি গাঁজা উদ্ধার

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬


ট্রান্সফরমার চুরির তদন্তে বেরিয়ে এলো মাদকের গুদাম, নওগাঁয় উদ্ধার ৯০ কেজি গাঁজা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬

featured Image

একটি ট্রান্সফরমার চুরির অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে নওগাঁ জেলা পুলিশ এমন এক তথ্যের সন্ধান পায়, যা শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের মাদকবিরোধী অভিযানে রূপ নেয়। মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত টানা অভিযান চালিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলার একটি বাড়ি থেকে ৯০ কেজি শুকনা গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাদকের বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং পুরো নেটওয়ার্ক শনাক্তে কাজ চলছে।

চুরির অভিযোগ থেকে শুরু

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জুন নিয়ামতপুর উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নে একটি ট্রান্সফরমার চুরির অভিযোগ আসে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।


এরপর নিয়ামতপুর থানা পুলিশ অভিযোগের সূত্র ধরে অনুসন্ধান শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন হিসেবে হামেদুল ইসলামকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা দিলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আরও অনুসন্ধান চালানো হয়।

পুলিশের দাবি, অনুসন্ধানের একপর্যায়ে মাদক ব্যবসার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য সামনে আসে, যা পরবর্তী অভিযানের ভিত্তি তৈরি করে।

মধ্যরাতের অভিযান, উদ্ধার বিপুল পরিমাণ গাঁজা

পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৮ জুন দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিট থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল উপজেলার ৬ নম্বর পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালায়।

দীর্ঘ তল্লাশির একপর্যায়ে বাড়ি থেকে বিশেষভাবে প্যাকেটজাত ৯০ কেজি শুকনা গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন হামেদুল ইসলাম (৩৫) এবং রশিদ (৪৪)।

কীভাবে পরিচালিত হতো কথিত নেটওয়ার্ক?

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যমতে, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বিভিন্ন পরিবহনের মাধ্যমে গাঁজা সংগ্রহ করে ওই বাড়িতে মজুদ রাখা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তসংলগ্ন এলাকা থেকে ট্রাক ও হাইস মাইক্রোবাসের মাধ্যমে মাদক আনা হতো। পরে তুলার বাঐল গ্রামের বাড়ির দ্বিতল মাটির ভবনে তা সংরক্ষণ করা হতো। সেখান থেকে নওগাঁসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সরবরাহ করা হতো বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও আসেনি।

আরও কারা জড়িত?

পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে মাদক ব্যবসার সঙ্গে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।

অভিযান শেষে পুলিশ সুপার নিজেও গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় মাদক সংগ্রহ, মজুদ ও সরবরাহব্যবস্থা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং একটি বৃহত্তর চক্রের অংশ হতে পারে। তাই আর্থিক লেনদেন, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং সরবরাহ চেইনের দিকগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই কেন গুরুত্বপূর্ণ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক শুধু ব্যক্তিকে নয়, পুরো পরিবার ও সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। মাদকাসক্তির কারণে শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয়, পারিবারিক সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং বিভিন্ন অপরাধের প্রবণতা বাড়তে পারে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, মাদক ব্যবসা সাধারণত একটি সংগঠিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ফলে একটি চালান আটক বা কয়েকজনকে গ্রেফতার করলেই সমস্যা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় না। এর জন্য প্রয়োজন ধারাবাহিক অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং জনসচেতনতা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার হলে তরুণ প্রজন্মকে এই ভয়াবহ আসক্তি থেকে রক্ষা করা সহজ হবে।

পুলিশের বক্তব্য

এ ঘটনায় নিয়ামতপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মাদক নির্মূলে চলমান অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে এবং কোনো মাদক কারবারিকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

জেলা পুলিশের এই অভিযানে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন তৎপরতা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া মাদক, গ্রেফতার ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর