শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় কটিয়াদীর স্বপ্নকুঞ্জ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্রীয় অবদান এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অঙ্গনে তাঁর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তারা বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ এবং দেশের বিভিন্ন সংকটময় সময়ে তাঁর নেতৃত্ব জনগণের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে।
বক্তারা আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিশ্বাস করেন।
কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন।
তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার এবং রাজনৈতিক সহনশীলতা প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বক্তব্যে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানান।
উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জাইদুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম ফারুক চাষী, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাহাবুবুর রহমান বাচ্চু, সৈয়দ শামসুল আরেফিন তারা এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সামসুল হক চান মিয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ ছাড়া উপজেলা কৃষক দল, যুবদল, ছাত্রদল, বণিক সমিতি এবং বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র এবং ভোটাধিকার নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
তারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
একই সঙ্গে দেশের উন্নয়ন, জনগণের কল্যাণ এবং রাজনৈতিক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক অগ্রগতি এবং জনগণের কল্যাণ কামনা করা হয়। পাশাপাশি দেশ ও জাতির উন্নতি এবং স্থিতিশীলতার জন্যও দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় কটিয়াদীর স্বপ্নকুঞ্জ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্রীয় অবদান এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অঙ্গনে তাঁর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তারা বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ এবং দেশের বিভিন্ন সংকটময় সময়ে তাঁর নেতৃত্ব জনগণের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছে।
বক্তারা আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিশ্বাস করেন।
কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন।
তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার এবং রাজনৈতিক সহনশীলতা প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বক্তব্যে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানান।
উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জাইদুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম ফারুক চাষী, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাহাবুবুর রহমান বাচ্চু, সৈয়দ শামসুল আরেফিন তারা এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সামসুল হক চান মিয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ ছাড়া উপজেলা কৃষক দল, যুবদল, ছাত্রদল, বণিক সমিতি এবং বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র এবং ভোটাধিকার নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
তারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
একই সঙ্গে দেশের উন্নয়ন, জনগণের কল্যাণ এবং রাজনৈতিক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক অগ্রগতি এবং জনগণের কল্যাণ কামনা করা হয়। পাশাপাশি দেশ ও জাতির উন্নতি এবং স্থিতিশীলতার জন্যও দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

আপনার মতামত লিখুন