দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

সেনানিবাসে আবেগঘন মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বললেন— ‘সবাই দায়িত্ব পালন করলে গড়ে উঠবে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’

সেনানিবাসে আবেগঘন মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বললেন— ‘সবাই দায়িত্ব পালন করলে গড়ে উঠবে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’

গুম-শহীদ পরিবারের পাশে আমিনুল হক, ঈদ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

ঈদযাত্রার সকালে রাজধানীতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, নর্দ্দায় নিহত ৪, আহত বহু

নরসিংদীর রায়পুরায় তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা, আতঙ্কে এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলে যমুনা সেতুর পূর্বপাড়ে ট্রাক দুর্ঘটনায় ১৫ প্রাণহানি, শোকে স্তব্ধ চাপাইনবাবগঞ্জ

বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে এগোচ্ছে, সংসদ ভবনে ১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প উদ্বোধন

রায়পুরায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, আতঙ্কে স্থানীয়রা

ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় তুরাগ থানার বিশেষ প্রস্তুতি, ২৪ দিনে গ্রেপ্তার ২৯৬

সেনানিবাসে আবেগঘন মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বললেন— ‘সবাই দায়িত্ব পালন করলে গড়ে উঠবে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’

সেনানিবাসে আবেগঘন মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বললেন— ‘সবাই দায়িত্ব পালন করলে গড়ে উঠবে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’
ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে ঢাকা সেনানিবাসে এক ব্যতিক্রমী ও আবেগঘন দিন কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেনাসদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, শৈশবের স্মৃতিচারণ, নিমগাছের চারা রোপণ এবং শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে দিনভর নানা কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করেন, তাহলে ধীরে ধীরে একটি কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ আয়োজিত এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


‘দেশকে আরও ভালো জায়গায় নিতে কাজ করছে সরকার’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে আরও সুন্দর ও স্থিতিশীল জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। উন্নয়ন শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা গেলে দেশের পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।

তার বক্তব্যে জাতীয় ঐক্য, দায়িত্ববোধ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে আসে। উপস্থিত অনেক সেনাসদস্যকে মনোযোগ দিয়ে তার বক্তব্য শুনতে দেখা যায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঈদকে কেন্দ্র করে সেনাসদস্যদের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো এবং দায়িত্ববোধের বার্তা দেওয়া সরকারের পক্ষ থেকে একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক ও সামাজিক বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

সেনানিবাস ঘিরে শৈশবের স্মৃতি

সেনানিবাসে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত স্মৃতিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জীবনের বড় একটি অংশের স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই সেনানিবাসকে ঘিরে। শৈশব ও বেড়ে ওঠার নানা অভিজ্ঞতার কথাও স্মরণ করেন তিনি।

উপস্থিত কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিচারণের সময় পুরো পরিবেশ কিছুটা আবেগঘন হয়ে ওঠে। অনেকে এটিকে “মানবিক মুহূর্ত” হিসেবেও বর্ণনা করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যক্তিগত স্মৃতি বা আবেগের প্রকাশ সাধারণ মানুষের সঙ্গে মানসিক সংযোগ তৈরি করতে ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে সেনাবাহিনীর মতো শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে সহায়ক হয়।

সৈনিকদের খোঁজখবর, মেসে সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রীতিভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে সেনা মেসে গিয়ে সৈনিকদের জীবনযাপন, থাকা-খাওয়া ও সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

এ সময় বেশ কিছু সেনাসদস্যের সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলেন বলেও জানা গেছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, তবে উপস্থিত সূত্রগুলো বলছে— প্রধানমন্ত্রী সৈনিকদের মনোবল ও কল্যাণসংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে জানতে চান।

পরবর্তীতে সেনা মেস চত্বরে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন তিনি। পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়নের বার্তা দিতেই এই কর্মসূচি রাখা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

গাছ রোপণের পর তিনি পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এরপর সেনা মেসের মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় করেন এবং সেখানে উপস্থিত সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত

এর আগে সকালে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে নিহত শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নিহত সেনা কর্মকর্তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

বিডিআর হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ও বেদনাদায়ক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রতিবছরই বিভিন্ন মহল থেকে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ করা হয়। এবার প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি কবর জিয়ারতকে অনেকেই প্রতীকী গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।


দায়িত্ববোধের বার্তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা, মূল্যস্ফীতি এবং নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে দায়িত্বশীলতার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্র পরিচালনায় শুধু সরকার নয়, নাগরিক সমাজ, প্রশাসন, রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যেও সেই বিষয়টির প্রতিফলন দেখা গেছে। সামাজিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দায়িত্ববোধের সংস্কৃতি তৈরি না হলে শুধু উন্নয়ন প্রকল্প দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনা কঠিন।

তবে বিরোধী রাজনৈতিক মহলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিষয় : তারেক রহমান ঈদুল আজহা ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেনানিবাস সফর বিডিআর হত্যাকাণ্ড বনানী সামরিক কবরস্থান

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬


সেনানিবাসে আবেগঘন মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বললেন— ‘সবাই দায়িত্ব পালন করলে গড়ে উঠবে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে ঢাকা সেনানিবাসে এক ব্যতিক্রমী ও আবেগঘন দিন কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেনাসদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, শৈশবের স্মৃতিচারণ, নিমগাছের চারা রোপণ এবং শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে দিনভর নানা কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করেন, তাহলে ধীরে ধীরে একটি কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ আয়োজিত এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


‘দেশকে আরও ভালো জায়গায় নিতে কাজ করছে সরকার’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে আরও সুন্দর ও স্থিতিশীল জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। উন্নয়ন শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা গেলে দেশের পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।

তার বক্তব্যে জাতীয় ঐক্য, দায়িত্ববোধ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে আসে। উপস্থিত অনেক সেনাসদস্যকে মনোযোগ দিয়ে তার বক্তব্য শুনতে দেখা যায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঈদকে কেন্দ্র করে সেনাসদস্যদের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো এবং দায়িত্ববোধের বার্তা দেওয়া সরকারের পক্ষ থেকে একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক ও সামাজিক বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

সেনানিবাস ঘিরে শৈশবের স্মৃতি

সেনানিবাসে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত স্মৃতিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জীবনের বড় একটি অংশের স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই সেনানিবাসকে ঘিরে। শৈশব ও বেড়ে ওঠার নানা অভিজ্ঞতার কথাও স্মরণ করেন তিনি।

উপস্থিত কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিচারণের সময় পুরো পরিবেশ কিছুটা আবেগঘন হয়ে ওঠে। অনেকে এটিকে “মানবিক মুহূর্ত” হিসেবেও বর্ণনা করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যক্তিগত স্মৃতি বা আবেগের প্রকাশ সাধারণ মানুষের সঙ্গে মানসিক সংযোগ তৈরি করতে ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে সেনাবাহিনীর মতো শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে সহায়ক হয়।

সৈনিকদের খোঁজখবর, মেসে সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রীতিভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে সেনা মেসে গিয়ে সৈনিকদের জীবনযাপন, থাকা-খাওয়া ও সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

এ সময় বেশ কিছু সেনাসদস্যের সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলেন বলেও জানা গেছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, তবে উপস্থিত সূত্রগুলো বলছে— প্রধানমন্ত্রী সৈনিকদের মনোবল ও কল্যাণসংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে জানতে চান।

পরবর্তীতে সেনা মেস চত্বরে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন তিনি। পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়নের বার্তা দিতেই এই কর্মসূচি রাখা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

গাছ রোপণের পর তিনি পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এরপর সেনা মেসের মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় করেন এবং সেখানে উপস্থিত সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত

এর আগে সকালে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে নিহত শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নিহত সেনা কর্মকর্তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

বিডিআর হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ও বেদনাদায়ক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রতিবছরই বিভিন্ন মহল থেকে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ করা হয়। এবার প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি কবর জিয়ারতকে অনেকেই প্রতীকী গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন।


দায়িত্ববোধের বার্তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা, মূল্যস্ফীতি এবং নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে দায়িত্বশীলতার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্র পরিচালনায় শুধু সরকার নয়, নাগরিক সমাজ, প্রশাসন, রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যেও সেই বিষয়টির প্রতিফলন দেখা গেছে। সামাজিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দায়িত্ববোধের সংস্কৃতি তৈরি না হলে শুধু উন্নয়ন প্রকল্প দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনা কঠিন।

তবে বিরোধী রাজনৈতিক মহলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর