দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, কী বললেন গৃহায়নমন্ত্রী?

অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, কী বললেন গৃহায়নমন্ত্রী?

সৌদির স্কুলের বইয়ে আমূল পরিবর্তন, ইহুদি-খ্রিস্টানদের নিয়ে বদলে গেল পুরোনো বয়ান

৬ মাস শেষে সরকারের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী, চলছে সূক্ষ্ম মূল্যায়ন

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে ঢাকা–দিল্লি টানাপোড়েন, সম্পর্ক কি আবার কঠিন পথে?

জ্বালানি খাত নিয়ে বড় সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর, নিয়োগ হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: তরুণ প্রতিভাদের নিয়ে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে জমজমাট সমাপনী

মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডার ফুরিয়ে আসছে? ট্রাম্পের কড়া জবাবে চাঞ্চল্য

শারীরিক অসুস্থতায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়, খারাপ আবহাওয়ায় বায়তুল মোকাররমে আয়োজন

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়, খারাপ আবহাওয়ায় বায়তুল মোকাররমে আয়োজন
জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত ঘিরে শুরু হয়েছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। -ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়

রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবার ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। তবে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে সেই জামাত সরিয়ে নেওয়া হবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ, আর তখন নামাজ শুরু হবে সকাল ৮টায়। ঈদকে কেন্দ্র করে লাখো মানুষের অংশগ্রহণের কথা মাথায় রেখে ইতোমধ্যে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।


বুধবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মামুন আল মোর্শেদ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ঈদুল আজহার প্রধান জামাতসহ সার্বিক আয়োজন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং সেখান থেকেই সময় ও বিকল্প ভেন্যুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঈদগাহে চলছে প্রস্তুতির ব্যস্ততা

প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ-কে কেন্দ্র করে থাকছে বিশেষ প্রস্তুতি। প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, বিদেশি কূটনীতিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, পুরো আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ঈদগাহের মাঠ পরিষ্কার রাখা, অজুখানা প্রস্তুত, প্রবেশ ও বের হওয়ার আলাদা পথ, নিরাপত্তা তল্লাশি, মেডিকেল টিম এবং নারীদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা—এসব বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ঈদের দিন যেন মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আবহাওয়া নিয়ে থাকছে বিকল্প পরিকল্পনা

ঈদের সময় দেশে বৃষ্টি বা বৈরী আবহাওয়ার সম্ভাবনা প্রায়ই থাকে। সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই এবারও বিকল্প পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। যদি বৃষ্টি বা অন্য কোনো কারণে জাতীয় ঈদগাহে জামাত আয়োজন সম্ভব না হয়, তাহলে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতেও কয়েকবার খারাপ আবহাওয়ার কারণে প্রধান জামাত স্থানান্তর করতে হয়েছে। তাই আগে থেকেই বিকল্প সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত থাকলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমে।

বিশেষ করে ঈদের দিন সকালবেলা অনেক মানুষ পরিবার নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে জাতীয় ঈদগাহে আসেন। শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হলে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। সে কারণে আগাম ঘোষণা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

২৮ মে উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা

চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিকতা সাপেক্ষে আগামী ২৮ মে দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব এই ঈদ ত্যাগ, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির বার্তা বহন করে।


ঈদের দিন মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করেন। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এই কোরবানি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আত্মত্যাগ ও মানবিক বোধের প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের ধরনে কিছু পরিবর্তন এলেও এর মূল চেতনা এখনো একই রয়েছে—পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও সমাজের মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা।

নিরাপত্তা ও জনস্রোত সামলানো বড় চ্যালেঞ্জ

জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাত ঘিরে প্রতি বছরই বিপুল মানুষের সমাগম ঘটে। ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক ইউনিট মাঠে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় ধর্মীয় জমায়েতে নিরাপত্তা, যানজট এবং স্বাস্থ্যসেবার বিষয়গুলো আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাজধানীতে জনসংখ্যার চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঈদের জামাতের মতো আয়োজনে সমন্বিত ব্যবস্থাপনা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি।

সামাজিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ধর্মীয় উৎসবগুলো শুধু ইবাদতের ক্ষেত্র নয়, সামাজিক সংহতিরও বড় জায়গা। তবে জনসমাগম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সচেতনতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। অনেক সময় অসচেতনতা বা হুড়োহুড়ির কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়। তাই প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

সাধারণ মুসল্লিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা থাকতে পারে

ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে আসা মুসল্লিদের জন্য কিছু নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। যেমন—নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠে প্রবেশ, নিরাপত্তা তল্লাশিতে সহযোগিতা এবং যানজট এড়াতে গণপরিবহন ব্যবহারের পরামর্শ।


এছাড়া প্রবীণ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য আলাদা সুবিধা রাখা হতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে। তবে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশনা ঈদের আগের দিন বা তার কাছাকাছি সময়ে জানানো হতে পারে।

সব মিলিয়ে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে এবারও ঈদুল আজহার প্রধান জামাত ঘিরে ধর্মীয় আবহ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং মানুষের আগ্রহ—সবকিছু মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

বিষয় : জাতীয় ঈদগাহ, ঈদুল আজহার প্রধান জামাত, বায়তুল মোকাররম, ঈদ জামাতের সময়, ঈদুল আজহা ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়, খারাপ আবহাওয়ায় বায়তুল মোকাররমে আয়োজন

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image

জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়

রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবার ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। তবে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে সেই জামাত সরিয়ে নেওয়া হবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ, আর তখন নামাজ শুরু হবে সকাল ৮টায়। ঈদকে কেন্দ্র করে লাখো মানুষের অংশগ্রহণের কথা মাথায় রেখে ইতোমধ্যে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।


বুধবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মামুন আল মোর্শেদ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ঈদুল আজহার প্রধান জামাতসহ সার্বিক আয়োজন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং সেখান থেকেই সময় ও বিকল্প ভেন্যুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঈদগাহে চলছে প্রস্তুতির ব্যস্ততা

প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ-কে কেন্দ্র করে থাকছে বিশেষ প্রস্তুতি। প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, বিদেশি কূটনীতিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, পুরো আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ঈদগাহের মাঠ পরিষ্কার রাখা, অজুখানা প্রস্তুত, প্রবেশ ও বের হওয়ার আলাদা পথ, নিরাপত্তা তল্লাশি, মেডিকেল টিম এবং নারীদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা—এসব বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ঈদের দিন যেন মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আবহাওয়া নিয়ে থাকছে বিকল্প পরিকল্পনা

ঈদের সময় দেশে বৃষ্টি বা বৈরী আবহাওয়ার সম্ভাবনা প্রায়ই থাকে। সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই এবারও বিকল্প পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। যদি বৃষ্টি বা অন্য কোনো কারণে জাতীয় ঈদগাহে জামাত আয়োজন সম্ভব না হয়, তাহলে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতেও কয়েকবার খারাপ আবহাওয়ার কারণে প্রধান জামাত স্থানান্তর করতে হয়েছে। তাই আগে থেকেই বিকল্প সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত থাকলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমে।

বিশেষ করে ঈদের দিন সকালবেলা অনেক মানুষ পরিবার নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে জাতীয় ঈদগাহে আসেন। শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হলে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। সে কারণে আগাম ঘোষণা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।

২৮ মে উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা

চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিকতা সাপেক্ষে আগামী ২৮ মে দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব এই ঈদ ত্যাগ, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির বার্তা বহন করে।


ঈদের দিন মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করেন। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এই কোরবানি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আত্মত্যাগ ও মানবিক বোধের প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের ধরনে কিছু পরিবর্তন এলেও এর মূল চেতনা এখনো একই রয়েছে—পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও সমাজের মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা।

নিরাপত্তা ও জনস্রোত সামলানো বড় চ্যালেঞ্জ

জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাত ঘিরে প্রতি বছরই বিপুল মানুষের সমাগম ঘটে। ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক ইউনিট মাঠে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় ধর্মীয় জমায়েতে নিরাপত্তা, যানজট এবং স্বাস্থ্যসেবার বিষয়গুলো আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাজধানীতে জনসংখ্যার চাপ বেড়ে যাওয়ায় ঈদের জামাতের মতো আয়োজনে সমন্বিত ব্যবস্থাপনা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি।

সামাজিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ধর্মীয় উৎসবগুলো শুধু ইবাদতের ক্ষেত্র নয়, সামাজিক সংহতিরও বড় জায়গা। তবে জনসমাগম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সচেতনতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। অনেক সময় অসচেতনতা বা হুড়োহুড়ির কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়। তাই প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

সাধারণ মুসল্লিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা থাকতে পারে

ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে আসা মুসল্লিদের জন্য কিছু নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। যেমন—নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠে প্রবেশ, নিরাপত্তা তল্লাশিতে সহযোগিতা এবং যানজট এড়াতে গণপরিবহন ব্যবহারের পরামর্শ।


এছাড়া প্রবীণ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য আলাদা সুবিধা রাখা হতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে। তবে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশনা ঈদের আগের দিন বা তার কাছাকাছি সময়ে জানানো হতে পারে।

সব মিলিয়ে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে এবারও ঈদুল আজহার প্রধান জামাত ঘিরে ধর্মীয় আবহ, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং মানুষের আগ্রহ—সবকিছু মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশ।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর