বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেছেন, নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে আগামীকালের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে যাচ্ছে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা আগামীকালের মধ্যেই একটি ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি। কোন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে এটি করা হবে, তা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে যে সহিংসতা হয়েছে, তার সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য সরকারের কাছে রয়েছে। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তবে কোন দল বা সংগঠন কীভাবে এই সহিংসতার সঙ্গে জড়িত—সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি প্রকাশ করেননি। আইনমন্ত্রী বলেন, দল নিষিদ্ধ করা হলে সেটি নির্বাহী আদেশেই কার্যকর হয়, বিচারিক রায়ের মাধ্যমে নয়।
বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। ২০১৩ সালে হাইকোর্ট দলটির নিবন্ধন বাতিল করে দেয়। পরে আপিল হলেও ২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্ট আপিল খারিজ করে দেয়, ফলে নিবন্ধন বাতিল বহাল থাকে।
ফলে দলটি নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল হিসেবে কার্যত আর নেই, তবে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা ও বিতর্ক চলতে থাকে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দেয়। সরকার বলছে, এসব ঘটনার পেছনে কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠীর উসকানি রয়েছে, যদিও আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
সরকারি পর্যায়ে ইতোমধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জামায়াত–শিবিরের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এখন নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে তা কার্যকর করার প্রক্রিয়া চলছে।
এ ধরনের সিদ্ধান্ত সাধারণত দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলে। একদিকে সরকার বলছে, আইনশৃঙ্খলা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় এটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ; অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলে এর প্রভাব ও পরিণতি নিয়ে আলোচনা চলছে।
পরবর্তী সময়ে নির্বাহী আদেশ বাস্তবায়নের ধরন এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া কোন দিকে যায়, সেটিই এখন মূল পর্যবেক্ষণের বিষয়।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৪
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেছেন, নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে আগামীকালের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে যাচ্ছে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা আগামীকালের মধ্যেই একটি ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি। কোন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে এটি করা হবে, তা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে যে সহিংসতা হয়েছে, তার সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য সরকারের কাছে রয়েছে। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তবে কোন দল বা সংগঠন কীভাবে এই সহিংসতার সঙ্গে জড়িত—সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি প্রকাশ করেননি। আইনমন্ত্রী বলেন, দল নিষিদ্ধ করা হলে সেটি নির্বাহী আদেশেই কার্যকর হয়, বিচারিক রায়ের মাধ্যমে নয়।
বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। ২০১৩ সালে হাইকোর্ট দলটির নিবন্ধন বাতিল করে দেয়। পরে আপিল হলেও ২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্ট আপিল খারিজ করে দেয়, ফলে নিবন্ধন বাতিল বহাল থাকে।
ফলে দলটি নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল হিসেবে কার্যত আর নেই, তবে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা ও বিতর্ক চলতে থাকে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দেয়। সরকার বলছে, এসব ঘটনার পেছনে কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠীর উসকানি রয়েছে, যদিও আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
সরকারি পর্যায়ে ইতোমধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জামায়াত–শিবিরের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এখন নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে তা কার্যকর করার প্রক্রিয়া চলছে।
এ ধরনের সিদ্ধান্ত সাধারণত দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলে। একদিকে সরকার বলছে, আইনশৃঙ্খলা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় এটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ; অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলে এর প্রভাব ও পরিণতি নিয়ে আলোচনা চলছে।
পরবর্তী সময়ে নির্বাহী আদেশ বাস্তবায়নের ধরন এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া কোন দিকে যায়, সেটিই এখন মূল পর্যবেক্ষণের বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন