দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ, ঢাকায় এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ, ঢাকায় এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল

সাভারে মৎস্যজীবী দলের সভায় খোরশেদ আলম: তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

দেশজুড়ে ধর্ষণ ও হত্যার বিচার দাবিতে এনসিপির মশাল মিছিল, শাহবাগে প্রতিবাদের ঢল

জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের অভিযোগ—‘রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় বিলুপ্ত করা হয়েছে বিচার বিভাগীয় সচিবালয়’

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ, সরকার স্বীকার করছে না: ডা. শফিকুর রহমান

কুড়িগ্রামে প্রশাসনিক সিন্ডিকেটের অভিযোগ এমপি আতিক মোজাহিদের, উন্নয়ন ব্যাহত হওয়ার দাবি

রাজশাহীতে এনসিপির বড় যোগদান অনুষ্ঠান, বিভিন্ন দল ছেড়ে এলেন প্রায় ৫০০ নেতা-কর্মী

আওয়ামী লীগ ফিরলে ‘প্রথম টার্গেট’ হবেন তারেক রহমান—রাজশাহীতে বিস্ফোরক মন্তব্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

ড. ইউনূসকে নিয়ে কড়া মন্তব্য মির্জা আব্বাসের, নির্বাচন ইস্যুতে নতুন বিতর্ক

ড. ইউনূসকে নিয়ে কড়া মন্তব্য মির্জা আব্বাসের, নির্বাচন ইস্যুতে নতুন বিতর্ক
-ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, জাপানে বসে মুহাম্মদ ইউনূস বিএনপির বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন, যা তিনি “দুঃখজনক ও দেশের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর” বলে মন্তব্য করেন।

শুক্রবার (৩০ মে) শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমান-এর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এই দিনটি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়।

মির্জা আব্বাস বলেন, একটি রাজনৈতিক দল শুধু নির্বাচন চায়—এমন মন্তব্য করা ঠিক হয়নি। তার মতে, বিদেশে বসে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এমন মন্তব্য করা শোভন নয় এবং এতে ভুল বার্তা যায়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার বিদেশি পরামর্শক নিয়োগ দিয়ে দেশ পরিচালনায় প্রভাব নিচ্ছে। তার ভাষায়, “জিয়াউর রহমান বহু সংস্কার করেছিলেন, কিন্তু কখনো বিদেশি পরামর্শক আনেননি। এখন সরকার বিদেশিদের ওপর নির্ভর করছে।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে মুহাম্মদ ইউনূস ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছিলেন, পরে সময় পরিবর্তন করে জুনের কথা বলা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এ কারণে নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মির্জা আব্বাস আরও বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন না হলে তার দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।

তিনি দাবি করেন, নির্বাচন বিলম্বিত হলে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। তার মতে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত নির্বাচন অপরিহার্য।

এ সময় বিএনপির আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

পটভূমি হিসেবে বলা যায়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচন সময়সূচি সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের বিষয়। বিশেষ করে বড় রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের সময় ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রায়ই ভিন্ন অবস্থান নেয়, যা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ায়।

সব মিলিয়ে, নির্বাচন ও রাজনৈতিক মন্তব্যকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দুই পক্ষের ভিন্ন অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬


ড. ইউনূসকে নিয়ে কড়া মন্তব্য মির্জা আব্বাসের, নির্বাচন ইস্যুতে নতুন বিতর্ক

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৫

featured Image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, জাপানে বসে মুহাম্মদ ইউনূস বিএনপির বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন, যা তিনি “দুঃখজনক ও দেশের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর” বলে মন্তব্য করেন।

শুক্রবার (৩০ মে) শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমান-এর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এই দিনটি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়।

মির্জা আব্বাস বলেন, একটি রাজনৈতিক দল শুধু নির্বাচন চায়—এমন মন্তব্য করা ঠিক হয়নি। তার মতে, বিদেশে বসে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এমন মন্তব্য করা শোভন নয় এবং এতে ভুল বার্তা যায়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার বিদেশি পরামর্শক নিয়োগ দিয়ে দেশ পরিচালনায় প্রভাব নিচ্ছে। তার ভাষায়, “জিয়াউর রহমান বহু সংস্কার করেছিলেন, কিন্তু কখনো বিদেশি পরামর্শক আনেননি। এখন সরকার বিদেশিদের ওপর নির্ভর করছে।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে মুহাম্মদ ইউনূস ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছিলেন, পরে সময় পরিবর্তন করে জুনের কথা বলা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এ কারণে নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মির্জা আব্বাস আরও বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন না হলে তার দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।

তিনি দাবি করেন, নির্বাচন বিলম্বিত হলে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। তার মতে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত নির্বাচন অপরিহার্য।

এ সময় বিএনপির আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

পটভূমি হিসেবে বলা যায়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচন সময়সূচি সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের বিষয়। বিশেষ করে বড় রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের সময় ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রায়ই ভিন্ন অবস্থান নেয়, যা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ায়।

সব মিলিয়ে, নির্বাচন ও রাজনৈতিক মন্তব্যকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দুই পক্ষের ভিন্ন অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর