শেরপুরের নকলা উপজেলায় ভূসির বস্তা ভর্তি একটি পিকআপ ভ্যান থেকে ১০৮ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভূসির চালানের আড়ালে মদ পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পিকআপটি থামানো হয়। পরে তল্লাশি করে ভূসির বস্তার নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ১০৮ বোতল বিদেশি মদ পাওয়া যায়।
অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই রুট ব্যবহার করে নিষিদ্ধ পণ্য পরিবহারের অভিযোগ ছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে নজরদারি বাড়ানো হয়। সন্দেহজনক পিকআপটি আটক করার পর শুরুতে গাড়িটিতে কেবল পশুখাদ্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়। কিন্তু বিস্তারিত তল্লাশিতে বেরিয়ে আসে ভিন্ন চিত্র।
আটক তিনজনের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মদের উৎস, গন্তব্য এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নাকি বড় চক্রের অংশ—সেটি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, সাধারণ পণ্যবাহী গাড়ির আড়ালে এ ধরনের নিষিদ্ধ পণ্য পরিবহনের অভিযোগ নতুন নয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন অভিযান জনমনে স্বস্তি ফিরিয়েছে।
একজন বাসিন্দা বলেন, “ভূসির বস্তার নিচে এমন জিনিস লুকিয়ে আনা হচ্ছে, এটা চিন্তার বিষয়। নিয়মিত তল্লাশি হলে আরও অনেক কিছু ধরা পড়তে পারে।”
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষ হলে আরও তথ্য জানানো হবে।
সাধারণ পণ্যবাহী যানবাহন ব্যবহার করে নিষিদ্ধ পণ্য পরিবহনের অভিযোগ জননিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের বিষয়। এতে একদিকে আইন ভঙ্গ হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয়ভাবে অপরাধচক্রের বিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার হলে এ ধরনের তৎপরতা কমানো সম্ভব।
উদ্ধার হওয়া ১০৮ বোতল বিদেশি মদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
শেরপুরের নকলা উপজেলায় ভূসির বস্তা ভর্তি একটি পিকআপ ভ্যান থেকে ১০৮ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভূসির চালানের আড়ালে মদ পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল।
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পিকআপটি থামানো হয়। পরে তল্লাশি করে ভূসির বস্তার নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ১০৮ বোতল বিদেশি মদ পাওয়া যায়।
অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই রুট ব্যবহার করে নিষিদ্ধ পণ্য পরিবহারের অভিযোগ ছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে নজরদারি বাড়ানো হয়। সন্দেহজনক পিকআপটি আটক করার পর শুরুতে গাড়িটিতে কেবল পশুখাদ্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়। কিন্তু বিস্তারিত তল্লাশিতে বেরিয়ে আসে ভিন্ন চিত্র।
আটক তিনজনের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মদের উৎস, গন্তব্য এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নাকি বড় চক্রের অংশ—সেটি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, সাধারণ পণ্যবাহী গাড়ির আড়ালে এ ধরনের নিষিদ্ধ পণ্য পরিবহনের অভিযোগ নতুন নয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন অভিযান জনমনে স্বস্তি ফিরিয়েছে।
একজন বাসিন্দা বলেন, “ভূসির বস্তার নিচে এমন জিনিস লুকিয়ে আনা হচ্ছে, এটা চিন্তার বিষয়। নিয়মিত তল্লাশি হলে আরও অনেক কিছু ধরা পড়তে পারে।”
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষ হলে আরও তথ্য জানানো হবে।
সাধারণ পণ্যবাহী যানবাহন ব্যবহার করে নিষিদ্ধ পণ্য পরিবহনের অভিযোগ জননিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের বিষয়। এতে একদিকে আইন ভঙ্গ হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয়ভাবে অপরাধচক্রের বিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার হলে এ ধরনের তৎপরতা কমানো সম্ভব।
উদ্ধার হওয়া ১০৮ বোতল বিদেশি মদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আটক তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন