দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ

শৈলকুপায় বাস-স্যালো ইঞ্জিনচালিত গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ২৫

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় যাত্রীবাহী বাস ও স্যালো ইঞ্জিনচালিত খড়িবোঝাই গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বড়দাহ ব্রিজ এলাকায় ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান। এতে মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচলও ব্যাহত হয়।পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা পদ্মা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস কুষ্টিয়ার দিকে যাচ্ছিল।রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাসটি বড়দাহ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা স্যালো ইঞ্জিনচালিত খড়িবোঝাই একটি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।সংঘর্ষের পর বাসের অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হন। স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। আহতদের কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আরাপপুর হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।দুর্ঘটনার কারণে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়।আরাপপুর হাইওয়ে থানার ইনচার্জ জাহানুর আলী বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ধীরগতির ও স্থানীয়ভাবে ব্যবহৃত ইঞ্জিনচালিত যানবাহনের সংঘর্ষ নতুন কোনো ঘটনা নয়। বিশেষ করে রাতে এসব যানবাহন চলাচলের সময় দৃশ্যমানতা ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে মহাসড়কে অনুপযুক্ত যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ, চালকদের সতর্কতা এবং যানবাহনের দৃশ্যমানতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।গুরুত্বপূর্ণ দিকদুর্ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে।স্থান: শৈলকুপার বড়দাহ ব্রিজ এলাকা, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়ক।বাস ও খড়িবোঝাই স্যালো ইঞ্জিনচালিত গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।মহাসড়কে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলের কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। একটি দুর্ঘটনায় একসঙ্গে অনেক যাত্রী আহত হওয়ায় দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা ঠেকানোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।রাতের সড়কে বড় যানবাহনের পাশাপাশি ধীরগতির স্থানীয় যান চলাচল করলে চালকদের জন্য সামনে থাকা যান শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে। তাই দুর্ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি ওই সড়কের যান চলাচল ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করা দরকার।

শৈলকুপায় বাস-স্যালো ইঞ্জিনচালিত গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ২৫