প্রধানমন্ত্রীর বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রশাসন ও মানবসম্পদ পরিদপ্তরের এক অফিস আদেশে এ কমিটি গঠন করা হয়।অফিস আদেশ অনুযায়ী, উড়োজাহাজটির কারিগরি ত্রুটির প্রকৃত কারণ ও ধরন শনাক্ত করবে তদন্ত কমিটি। পাশাপাশি উড়োজাহাজটির উড্ডয়ন উপযোগিতা নিশ্চিত করতে নেওয়া পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করা হবে।এ ছাড়া ত্রুটির কারণে ফ্লাইট বিলম্ব, যাত্রীদের ভোগান্তি এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তির ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়েছে, তা-ও নিরূপণ করবে কমিটি।প্রতিবেদন অনুযায়ী, চার দিনের জাপান সফর শেষে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে উড়োজাহাজটির রওনা হওয়ার কথা ছিল।বোর্ডিং শেষে উড়োজাহাজটি পুশব্যাক করে রানওয়ের দিকে যাওয়ার সময় ককপিটে স্পয়লার-সংক্রান্ত ত্রুটির সংকেত দেখা যায়। এ পরিস্থিতিতে উড্ডয়ন বাতিল করা হয়।পরে উড়োজাহাজটির কারিগরি পরীক্ষা করা হয় এবং শনাক্ত ত্রুটি মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ কারণে চার ঘণ্টারও বেশি সময় ফ্লাইটটি বিলম্বিত হয়।কারিগরি পরীক্ষা ও মেরামত শেষে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৪৮ মিনিটে উড়োজাহাজটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের গঠিত তদন্ত কমিটি উড়োজাহাজটির ত্রুটির কারণ, ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর নেওয়া পদক্ষেপ এবং ফ্লাইট বিলম্বের প্রভাব পর্যালোচনা করবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর তদন্তের ফলাফল ও সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।তবে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত যান্ত্রিক ত্রুটির সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।