দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

মুকসুদপুরে নির্মাণাধীন রেস্টুরেন্টে চাঁদা দাবির অভিযোগ, ভাঙচুর ও রড নেওয়ার দাবি

মুকসুদপুরে নির্মাণাধীন রেস্টুরেন্টে চাঁদা দাবির অভিযোগ, ভাঙচুর ও রড নেওয়ার দাবি

মহম্মদপুরে শুরু হলো হাম–রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬, লক্ষ্য ২৩ হাজারের বেশি শিশু

জনগণ হারানো অধিকার ফিরে পেয়েছে, বিচারব্যবস্থা আধুনিক হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

বাইশারীতে কাটাবন্দুকসহ দুইজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিল এলাকাবাসী

বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে নতুন উদ্যোগ, বগুড়া সফরে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত দিন

ভাওয়াল রিসোর্টে রাতভর অভিযান: বিপুল মাদকসহ আটক ৬

যশোরে চাঁদার দাবিতে যুবককে তুলে নিয়ে হাতুড়িপেটা, গুরুতর আহত

শাস্তিমূলক নয়, সহায়ক বাজেট চায় ব্যবসায়ীরা

মহম্মদপুরে শুরু হলো হাম–রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬, লক্ষ্য ২৩ হাজারের বেশি শিশু

মহম্মদপুরে শুরু হলো হাম–রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬, লক্ষ্য ২৩ হাজারের বেশি শিশু
-ছবি: সংগৃহীত

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য হাম–রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিভিল সার্জন ডা. মো. শামীম কবির। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সিভিল সার্জন ডা. মো. শামীম কবির বলেন, শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে নিয়মিত টিকাদানের কোনো বিকল্প নেই। হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এই ক্যাম্পেইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহানুর জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী আবু আহসান, প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের সিনিয়র সহসভাপতি মাহামুদুন নবী, সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানা এবং রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মো. আলী আজগরসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আজ ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই টিকাদান কার্যক্রম আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে। এই সময়ের মধ্যে মহম্মদপুর উপজেলার ১৯২টি অস্থায়ী কেন্দ্র এবং ১টি স্থায়ী কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টিকা দেওয়া হবে। এ কর্মসূচির আওতায় মোট ২৩ হাজার ৭৭৮ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী আবু আহসান জানান, যেসব শিশু আগে কোনো কারণে হাম–রুবেলা টিকা নিতে পারেনি, তাদের এবার অবশ্যই টিকার আওতায় আনার জন্য অভিভাবকদের সচেতন করা হচ্ছে। এজন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে তথ্য দিচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, এ ধরনের ক্যাম্পেইন নিয়মিত হলে শিশুদের নানা সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। অনেক অভিভাবক ইতোমধ্যে তাদের সন্তানদের নিয়ে টিকাদান কেন্দ্রে উপস্থিত হতে শুরু করেছেন।

বাংলাদেশে হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। একইভাবে রুবেলা গর্ভবতী মায়েদের জন্যও মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সরকার নিয়মিতভাবে জাতীয় পর্যায়ে হাম–রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করে থাকে, যাতে শিশুদের নিরাপদ রাখা যায়। ????

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো টিকা দিলে হাম ও রুবেলার মতো রোগ প্রায় পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব। এজন্য প্রতিটি অভিভাবকের দায়িত্ব হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিশুদের টিকা নিশ্চিত করা।

মহম্মদপুরে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন সফল করতে স্বাস্থ্য বিভাগ সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উপজেলার সব লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশু টিকার আওতায় আসবে এবং এর মাধ্যমে শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬


মহম্মদপুরে শুরু হলো হাম–রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬, লক্ষ্য ২৩ হাজারের বেশি শিশু

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য হাম–রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিভিল সার্জন ডা. মো. শামীম কবির। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সিভিল সার্জন ডা. মো. শামীম কবির বলেন, শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে নিয়মিত টিকাদানের কোনো বিকল্প নেই। হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এই ক্যাম্পেইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহানুর জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী আবু আহসান, প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের সিনিয়র সহসভাপতি মাহামুদুন নবী, সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ রানা এবং রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মো. আলী আজগরসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আজ ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই টিকাদান কার্যক্রম আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে। এই সময়ের মধ্যে মহম্মদপুর উপজেলার ১৯২টি অস্থায়ী কেন্দ্র এবং ১টি স্থায়ী কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টিকা দেওয়া হবে। এ কর্মসূচির আওতায় মোট ২৩ হাজার ৭৭৮ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী আবু আহসান জানান, যেসব শিশু আগে কোনো কারণে হাম–রুবেলা টিকা নিতে পারেনি, তাদের এবার অবশ্যই টিকার আওতায় আনার জন্য অভিভাবকদের সচেতন করা হচ্ছে। এজন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে তথ্য দিচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, এ ধরনের ক্যাম্পেইন নিয়মিত হলে শিশুদের নানা সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। অনেক অভিভাবক ইতোমধ্যে তাদের সন্তানদের নিয়ে টিকাদান কেন্দ্রে উপস্থিত হতে শুরু করেছেন।

বাংলাদেশে হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। একইভাবে রুবেলা গর্ভবতী মায়েদের জন্যও মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সরকার নিয়মিতভাবে জাতীয় পর্যায়ে হাম–রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করে থাকে, যাতে শিশুদের নিরাপদ রাখা যায়। ????

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো টিকা দিলে হাম ও রুবেলার মতো রোগ প্রায় পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব। এজন্য প্রতিটি অভিভাবকের দায়িত্ব হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিশুদের টিকা নিশ্চিত করা।

মহম্মদপুরে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন সফল করতে স্বাস্থ্য বিভাগ সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উপজেলার সব লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত শিশু টিকার আওতায় আসবে এবং এর মাধ্যমে শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর