চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা আবারও আলোচনায়। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, অভিনয়ের ক্ষেত্র নিয়ে কখনো সংকীর্ণ ভাবনায় বিশ্বাস করেননি। সিনেমার পাশাপাশি নাটক ও টেলিফিল্মে কাজ করার কারণে একসময় নানা মন্তব্য শুনতে হলেও নিজের সিদ্ধান্তে তিনি ছিলেন দৃঢ়।
সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া তার অভিনীত চলচ্চিত্র আহারে জীবন–কে ঘিরেও দর্শকদের আগ্রহ নতুন করে বেড়েছে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কিছুটা পর্দা থেকে দূরে থাকলেও দর্শকের ভালোবাসা যে একটুও কমেনি, তা আবারও প্রমাণ হয়েছে তার সাম্প্রতিক উপস্থিতিতে।
এই প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, তার কাছে অভিনয়ই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কাজের মাধ্যম নয়, বরং গল্প ও চরিত্রই তাকে বেশি টেনেছে। বিশেষ করে ঈদকে কেন্দ্র করে ভালো গল্প পেলে নাটক বা টেলিফিল্মে কাজ করতে তিনি সবসময় আগ্রহী ছিলেন। তার মতে, অভিনয়ের প্রতিটি মাধ্যমই শিল্পীর জন্য শেখার নতুন সুযোগ তৈরি করে।
এরপর একের পর এক জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজের অবস্থান শক্ত করেন। বিশেষ করে নব্বই দশকের শেষ দিক থেকে ২০০০ দশকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত তিনি ছিলেন দেশের অন্যতম ব্যস্ত ও জনপ্রিয় নায়িকা।
প্রায় শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করা এই অভিনেত্রীর জনপ্রিয় সিনেমার তালিকাও বেশ দীর্ঘ। রোমান্টিক, পারিবারিক ও সামাজিক—বিভিন্ন ধরনের গল্পে তার অভিনয় দর্শকদের কাছে সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হয়েছে।
বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতিগুলোর একটি। প্রতি বছর সেরা অভিনয়, পরিচালনা ও কারিগরি অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়, যা একজন শিল্পীর ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ধরা হয়।
বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নাটক ও সিনেমার বিকল্প একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে গড়ে উঠেছে। ফলে অভিজ্ঞ শিল্পীদের জন্যও এখানে কাজের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, সময় বদলেছে, মাধ্যম বদলেছে—কিন্তু অভিনয়ের প্রতি তার ভালোবাসা বদলায়নি। আর সেই ভালোবাসাই তাকে এখনও দর্শকের কাছে সমানভাবে প্রিয় করে রেখেছে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা আবারও আলোচনায়। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, অভিনয়ের ক্ষেত্র নিয়ে কখনো সংকীর্ণ ভাবনায় বিশ্বাস করেননি। সিনেমার পাশাপাশি নাটক ও টেলিফিল্মে কাজ করার কারণে একসময় নানা মন্তব্য শুনতে হলেও নিজের সিদ্ধান্তে তিনি ছিলেন দৃঢ়।
সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া তার অভিনীত চলচ্চিত্র আহারে জীবন–কে ঘিরেও দর্শকদের আগ্রহ নতুন করে বেড়েছে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কিছুটা পর্দা থেকে দূরে থাকলেও দর্শকের ভালোবাসা যে একটুও কমেনি, তা আবারও প্রমাণ হয়েছে তার সাম্প্রতিক উপস্থিতিতে।
এই প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, তার কাছে অভিনয়ই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কাজের মাধ্যম নয়, বরং গল্প ও চরিত্রই তাকে বেশি টেনেছে। বিশেষ করে ঈদকে কেন্দ্র করে ভালো গল্প পেলে নাটক বা টেলিফিল্মে কাজ করতে তিনি সবসময় আগ্রহী ছিলেন। তার মতে, অভিনয়ের প্রতিটি মাধ্যমই শিল্পীর জন্য শেখার নতুন সুযোগ তৈরি করে।
এরপর একের পর এক জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজের অবস্থান শক্ত করেন। বিশেষ করে নব্বই দশকের শেষ দিক থেকে ২০০০ দশকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত তিনি ছিলেন দেশের অন্যতম ব্যস্ত ও জনপ্রিয় নায়িকা।
প্রায় শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করা এই অভিনেত্রীর জনপ্রিয় সিনেমার তালিকাও বেশ দীর্ঘ। রোমান্টিক, পারিবারিক ও সামাজিক—বিভিন্ন ধরনের গল্পে তার অভিনয় দর্শকদের কাছে সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হয়েছে।
বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতিগুলোর একটি। প্রতি বছর সেরা অভিনয়, পরিচালনা ও কারিগরি অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়, যা একজন শিল্পীর ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ধরা হয়।
বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নাটক ও সিনেমার বিকল্প একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে গড়ে উঠেছে। ফলে অভিজ্ঞ শিল্পীদের জন্যও এখানে কাজের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, সময় বদলেছে, মাধ্যম বদলেছে—কিন্তু অভিনয়ের প্রতি তার ভালোবাসা বদলায়নি। আর সেই ভালোবাসাই তাকে এখনও দর্শকের কাছে সমানভাবে প্রিয় করে রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন