দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মিরপুরের কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট

মিরপুরের কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট

সাতক্ষীরায় কারাবন্দি সাবেক পিপি আব্দুল লতিফের মৃত্যু, হাসপাতালে নেওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ নিঃশ্বাস

বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-মেয়ে নিহত, ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছিল পরিবার

মুন্সিগঞ্জ এক্সপ্রেসওয়েতে পৃথক দুর্ঘটনা: ট্রাকচালক নিহত, আহত ৩

ফরিদপুর ও টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮, একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬ ঘোষণা, সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে উন্মুক্ত ২৬ ব্লক

অস্ট্রেলিয়ায় চার দিনের কর্মসপ্তাহে মিলল ইতিবাচক ফল, উৎপাদনশীলতা কমেনি কোনো প্রতিষ্ঠানে

মেহেরপুরে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ মামলায় শাকিল হোসেনের ফাঁসির রায়

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায়: ২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা”

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায়: ২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা”
-ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মামলার আরও ২৫ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ সর্বসম্মতিক্রমে এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে, যার ভিত্তিতেই এই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন সাবেক এএসআই আমির হোসেন এবং কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে, তারা সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং ঘটনাটির প্রধান দায়িত্ব বহন করেন।

অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন হলেন সাবেক এসআই বিভূতিভূষণ রায়, রংপুর পুলিশের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান এবং সাবেক ইন্সপেক্টর রবিউল ইসলাম নয়ন। আদালত মনে করেন, তারা পরিকল্পনা, নির্দেশনা ও সহায়তার মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

এই মামলায় মোট ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল এবং রায়ে প্রত্যেকের সাজা নিশ্চিত হয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে আইন বিশেষজ্ঞরা একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে দেখছেন, যা ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। এ রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে এবং নিহত আবু সাঈদের পরিবারের জন্য এটি আংশিক স্বস্তি বয়ে আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই রায় শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের বিচারই নয়, বরং ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬


আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায়: ২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা”

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মামলার আরও ২৫ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ সর্বসম্মতিক্রমে এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে, যার ভিত্তিতেই এই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন সাবেক এএসআই আমির হোসেন এবং কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে, তারা সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং ঘটনাটির প্রধান দায়িত্ব বহন করেন।

অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন হলেন সাবেক এসআই বিভূতিভূষণ রায়, রংপুর পুলিশের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান এবং সাবেক ইন্সপেক্টর রবিউল ইসলাম নয়ন। আদালত মনে করেন, তারা পরিকল্পনা, নির্দেশনা ও সহায়তার মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

এই মামলায় মোট ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল এবং রায়ে প্রত্যেকের সাজা নিশ্চিত হয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে আইন বিশেষজ্ঞরা একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে দেখছেন, যা ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। এ রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে এবং নিহত আবু সাঈদের পরিবারের জন্য এটি আংশিক স্বস্তি বয়ে আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই রায় শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের বিচারই নয়, বরং ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর