দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

পানিবণ্টনে ভারতের কাছে ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পানিবণ্টনে ভারতের কাছে ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বায়রার অনুমোদনের অপেক্ষা, উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুরের প্রথম ইউনিট

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক আজ

ঢাকা, গাজীপুর ও রংপুর সিটির উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকার ৪ প্রকল্প অনুমোদন

দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস

সুন্দরবন ঘেঁষে ২৪ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ, ৩০ দিনের মধ্যে সরানোর সময়

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা, উঠছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প

রাত ১১টার মধ্যে বার বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ভূমধ্যসাগরে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি: নৌকাডুবিতে নিখোঁজ অন্তত ৭০, বাংলাদেশিসহ ৩২ জন জীবিত উদ্ধার

ভূমধ্যসাগরে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি: নৌকাডুবিতে নিখোঁজ অন্তত ৭০, বাংলাদেশিসহ ৩২ জন জীবিত উদ্ধার
-ছবি: সংগৃহীত

ভূমধ্যসাগরের বুকে আবারও ঘটলো এক হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌযান ডুবে অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ইতালির কোস্টগার্ড বাহিনী ইতোমধ্যে বাংলাদেশিসহ ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২ জনের মরদেহ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম The New York Times-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, উদ্ধার হওয়া সবাই পুরুষ এবং তারা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মিসরের নাগরিক। জীবিত উদ্ধারপ্রাপ্তদের ভাষ্যমতে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কারণে নৌযানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়।

দুর্ঘটনাটি ঘটেছে Mediterranean Sea-এর একটি অংশে, যা Libya-র নিয়ন্ত্রিত সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (SAR) জোনের অন্তর্ভুক্ত। দুর্ঘটনার পর জার্মান সংস্থা Sea-Watch আকাশপথে নজরদারি চালিয়ে উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তা করে। তাদের ধারণকৃত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, উল্টে যাওয়া কাঠের নৌযানের ওপর আশ্রয় নিয়ে জীবনের জন্য লড়াই করছেন অসহায় যাত্রীরা।

ইতালীয় এনজিও Mediterranea Saving Humans জানিয়েছে, নৌযানটি Tajoura উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এতে মোট ১০৫ জন আরোহী ছিলেন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উদ্ধার হওয়া জীবিতদের এবং মরদেহ ইতালির Lampedusa দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বর্তমানে নিখোঁজদের উদ্ধারে জোর তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর মানবাধিকার সংগঠনগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি নিরাপদ ও মানবিক অভিবাসন নীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য Mediterranean Sea দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অন্যতম প্রধান রুট হলেও এটি বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জলপথগুলোর একটি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে শত শত মানুষ নিখোঁজ বা প্রাণ হারিয়েছেন।

 এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করলো—ভালো জীবনের আশায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে পা বাড়ানো কতটা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


ভূমধ্যসাগরে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি: নৌকাডুবিতে নিখোঁজ অন্তত ৭০, বাংলাদেশিসহ ৩২ জন জীবিত উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ভূমধ্যসাগরের বুকে আবারও ঘটলো এক হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌযান ডুবে অন্তত ৭০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ইতালির কোস্টগার্ড বাহিনী ইতোমধ্যে বাংলাদেশিসহ ৩২ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২ জনের মরদেহ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম The New York Times-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, উদ্ধার হওয়া সবাই পুরুষ এবং তারা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মিসরের নাগরিক। জীবিত উদ্ধারপ্রাপ্তদের ভাষ্যমতে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কারণে নৌযানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়।

দুর্ঘটনাটি ঘটেছে Mediterranean Sea-এর একটি অংশে, যা Libya-র নিয়ন্ত্রিত সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (SAR) জোনের অন্তর্ভুক্ত। দুর্ঘটনার পর জার্মান সংস্থা Sea-Watch আকাশপথে নজরদারি চালিয়ে উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তা করে। তাদের ধারণকৃত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, উল্টে যাওয়া কাঠের নৌযানের ওপর আশ্রয় নিয়ে জীবনের জন্য লড়াই করছেন অসহায় যাত্রীরা।

ইতালীয় এনজিও Mediterranea Saving Humans জানিয়েছে, নৌযানটি Tajoura উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এতে মোট ১০৫ জন আরোহী ছিলেন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উদ্ধার হওয়া জীবিতদের এবং মরদেহ ইতালির Lampedusa দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বর্তমানে নিখোঁজদের উদ্ধারে জোর তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর মানবাধিকার সংগঠনগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি নিরাপদ ও মানবিক অভিবাসন নীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য Mediterranean Sea দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অন্যতম প্রধান রুট হলেও এটি বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জলপথগুলোর একটি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে শত শত মানুষ নিখোঁজ বা প্রাণ হারিয়েছেন।

 এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করলো—ভালো জীবনের আশায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে পা বাড়ানো কতটা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর