দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত, গুরুতর আহত আরও দুইজন

সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত, গুরুতর আহত আরও দুইজন

কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের দাফন সম্পন্ন

মিরপুরের কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট

সাতক্ষীরায় কারাবন্দি সাবেক পিপি আব্দুল লতিফের মৃত্যু, হাসপাতালে নেওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ নিঃশ্বাস

বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-মেয়ে নিহত, ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছিল পরিবার

মুন্সিগঞ্জ এক্সপ্রেসওয়েতে পৃথক দুর্ঘটনা: ট্রাকচালক নিহত, আহত ৩

ফরিদপুর ও টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮, একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬ ঘোষণা, সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে উন্মুক্ত ২৬ ব্লক

নন্দীগ্রামে বিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশ থাকলেও শিক্ষকরা স্কুলে উপস্থিত, তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি

নন্দীগ্রামে বিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশ থাকলেও শিক্ষকরা স্কুলে উপস্থিত, তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি
-ফাইল ফটো

নন্দীগ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখা নিয়ে বিভ্রান্তি, শিক্ষক উপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা উপস্থিত নেই, শুধুমাত্র শিক্ষকরা নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের বক্তব্যে তৈরি হয়েছে দ্বিধা ও বিভ্রান্তি।

গত ১৭ জুলাই থেকে সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলন এবং দেশের চলমান সহিংস পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানানো হয়।

বিদ্যালয় খোলা, কিন্তু শিক্ষার্থী নেই

নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা কেউই ক্লাসে উপস্থিত হচ্ছে না।

শিক্ষকদের দাবি, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশেই তারা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকছেন। তবে ক্লাস নেওয়া বা পাঠদান কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে।

নির্দেশনা নিয়ে বিভ্রান্তি

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সারোয়ার জাহান জানান, ২০ জুলাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি লিখিত আদেশে বলা হয়েছে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও শিক্ষকরা উপস্থিত থাকবেন—এটাই নির্দেশনার অংশ। তবে কেন শিক্ষকরা উপস্থিত থাকবেন, এর সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা তিনি দিতে পারেননি।

অন্যদিকে মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা আছে, “সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত বিদ্যালয় ও লার্নিং সেন্টারের শ্রেণি কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।” সেখানে শিক্ষক উপস্থিত থাকার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই বলে জানা গেছে।

শিক্ষকদের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য

বুড়ইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ শাহনাজ খানম জানান, শিক্ষক উপস্থিত থাকার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট লিখিত নির্দেশ তারা পাননি। তবুও উপজেলা অফিসের মৌখিক নির্দেশে তারা বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, চলমান পরিস্থিতির কারণে শিক্ষকরা কিছুটা আতঙ্কের মধ্যে আছেন, তবে দায়িত্বের কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হচ্ছে।

একই উপজেলার দোলাসিংড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, “আমরা কোনো লিখিত আদেশ না পেলেও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নির্দেশ অনুযায়ী বিদ্যালয়ে যাচ্ছি।”

অন্যদিকে কালশীমাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, হাজিরা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তাই শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত থাকছেন।

জেলা শিক্ষা অফিসের ব্যাখ্যা

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রেজোয়ান হোসেন বলেন, বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার স্বার্থে শিক্ষকরা উপস্থিত থাকবেন। তার মতে, চলমান পরিস্থিতিতে বিদ্যালয় যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে কারণেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষকরা নিজ দায়িত্বে সতর্ক থেকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন।”

পটভূমি: প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা কীভাবে পরিচালিত হয়

বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা পরিচালনা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থাকে, যা বিদ্যালয়গুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রম তদারকি করে।

সাধারণত সরকারি নির্দেশনা জারি হলে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তা বাস্তবায়ন করা হয়। তবে অনেক সময় কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও স্থানীয় বাস্তবায়নের মধ্যে ব্যাখ্যাগত পার্থক্য তৈরি হলে এমন বিভ্রান্তি দেখা দেয়।

এর আগেও বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও প্রশাসনিক কাজে শিক্ষক উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তবে তা স্পষ্টভাবে লিখিত আকারে না থাকলে মাঠ পর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

উপসংহার

নন্দীগ্রামের এই ঘটনা আবারও দেখিয়েছে যে, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও স্থানীয় বাস্তবায়নের মধ্যে পরিষ্কার ব্যাখ্যা না থাকলে মাঠ পর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। একদিকে বিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশ, অন্যদিকে শিক্ষক উপস্থিতির মৌখিক বা ব্যাখ্যাগত নির্দেশ—এই দ্বৈত অবস্থার কারণে শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে দাঁড়িয়েছেন।

সব মিলিয়ে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু রাখা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি পরিষ্কারভাবে সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আরও বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬


নন্দীগ্রামে বিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশ থাকলেও শিক্ষকরা স্কুলে উপস্থিত, তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৪

featured Image

নন্দীগ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখা নিয়ে বিভ্রান্তি, শিক্ষক উপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা উপস্থিত নেই, শুধুমাত্র শিক্ষকরা নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের বক্তব্যে তৈরি হয়েছে দ্বিধা ও বিভ্রান্তি।

গত ১৭ জুলাই থেকে সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলন এবং দেশের চলমান সহিংস পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানানো হয়।

বিদ্যালয় খোলা, কিন্তু শিক্ষার্থী নেই

নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা কেউই ক্লাসে উপস্থিত হচ্ছে না।

শিক্ষকদের দাবি, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশেই তারা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকছেন। তবে ক্লাস নেওয়া বা পাঠদান কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে।

নির্দেশনা নিয়ে বিভ্রান্তি

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সারোয়ার জাহান জানান, ২০ জুলাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি লিখিত আদেশে বলা হয়েছে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও শিক্ষকরা উপস্থিত থাকবেন—এটাই নির্দেশনার অংশ। তবে কেন শিক্ষকরা উপস্থিত থাকবেন, এর সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা তিনি দিতে পারেননি।

অন্যদিকে মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা আছে, “সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত বিদ্যালয় ও লার্নিং সেন্টারের শ্রেণি কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।” সেখানে শিক্ষক উপস্থিত থাকার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই বলে জানা গেছে।

শিক্ষকদের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য

বুড়ইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ শাহনাজ খানম জানান, শিক্ষক উপস্থিত থাকার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট লিখিত নির্দেশ তারা পাননি। তবুও উপজেলা অফিসের মৌখিক নির্দেশে তারা বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, চলমান পরিস্থিতির কারণে শিক্ষকরা কিছুটা আতঙ্কের মধ্যে আছেন, তবে দায়িত্বের কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হচ্ছে।

একই উপজেলার দোলাসিংড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, “আমরা কোনো লিখিত আদেশ না পেলেও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নির্দেশ অনুযায়ী বিদ্যালয়ে যাচ্ছি।”

অন্যদিকে কালশীমাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, হাজিরা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তাই শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত থাকছেন।

জেলা শিক্ষা অফিসের ব্যাখ্যা

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রেজোয়ান হোসেন বলেন, বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার স্বার্থে শিক্ষকরা উপস্থিত থাকবেন। তার মতে, চলমান পরিস্থিতিতে বিদ্যালয় যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে কারণেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষকরা নিজ দায়িত্বে সতর্ক থেকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন।”

পটভূমি: প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা কীভাবে পরিচালিত হয়

বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা পরিচালনা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থাকে, যা বিদ্যালয়গুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রম তদারকি করে।

সাধারণত সরকারি নির্দেশনা জারি হলে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তা বাস্তবায়ন করা হয়। তবে অনেক সময় কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও স্থানীয় বাস্তবায়নের মধ্যে ব্যাখ্যাগত পার্থক্য তৈরি হলে এমন বিভ্রান্তি দেখা দেয়।

এর আগেও বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও প্রশাসনিক কাজে শিক্ষক উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তবে তা স্পষ্টভাবে লিখিত আকারে না থাকলে মাঠ পর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

উপসংহার

নন্দীগ্রামের এই ঘটনা আবারও দেখিয়েছে যে, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও স্থানীয় বাস্তবায়নের মধ্যে পরিষ্কার ব্যাখ্যা না থাকলে মাঠ পর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। একদিকে বিদ্যালয় বন্ধের নির্দেশ, অন্যদিকে শিক্ষক উপস্থিতির মৌখিক বা ব্যাখ্যাগত নির্দেশ—এই দ্বৈত অবস্থার কারণে শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে দাঁড়িয়েছেন।

সব মিলিয়ে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু রাখা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি পরিষ্কারভাবে সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আরও বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর