সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, যদি ইরান গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘সবকিছু উড়িয়ে দেবে’ এবং ইরানের তেল সম্পদ দখল করবে। এই বক্তব্য মুহূর্তেই আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
তবে বিস্ময়করভাবে একই সাক্ষাৎকারেই তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় আগ্রহী পক্ষগুলোর জন্য সাধারণ ক্ষমা (অ্যামনেস্টি) ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ, কঠোর সামরিক হুমকির পাশাপাশি কূটনৈতিক দরজাও খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
আরেকটি মার্কিন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, তার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা Jared Kushner এবং Steve Witkoff ইতোমধ্যেই ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত রয়েছেন। এমনকি কিছু সূত্রে বলা হচ্ছে, তারা সরাসরি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi-এর সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান করছেন—যদিও এই তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই সম্ভাব্য আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে Egypt, Pakistan এবং Turkey ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে, ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী অবস্থানকে কঠোর সমালোচনার চোখে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক Foad Izadi মন্তব্য করেছেন, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হচ্ছে তিনি রাজনৈতিক চাপে রয়েছেন এবং কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় ক্রমশ ভারসাম্য হারাচ্ছেন।
রোববার Fox News-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি ইরানের অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দেন। তবে একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইরানের কিছু কর্মকর্তা বর্তমানে আলোচনায় যুক্ত এবং খুব শিগগিরই—সম্ভবত সোমবারের মধ্যেই—একটি চুক্তির ‘ভালো সম্ভাবনা’ রয়েছে।
তবে তেহরান বরাবরের মতোই ট্রাম্পের এই দাবিকে অস্বীকার করেছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যেসব আলোচনার কথা বলা হচ্ছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে মিলছে না।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী কৌশল—একদিকে চাপ সৃষ্টি, অন্যদিকে আলোচনার ইঙ্গিত—কূটনৈতিকভাবে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েই এখন আন্তর্জাতিক মহলে চলছে তীব্র আলোচনা।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, যদি ইরান গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘সবকিছু উড়িয়ে দেবে’ এবং ইরানের তেল সম্পদ দখল করবে। এই বক্তব্য মুহূর্তেই আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
তবে বিস্ময়করভাবে একই সাক্ষাৎকারেই তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় আগ্রহী পক্ষগুলোর জন্য সাধারণ ক্ষমা (অ্যামনেস্টি) ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ, কঠোর সামরিক হুমকির পাশাপাশি কূটনৈতিক দরজাও খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
আরেকটি মার্কিন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, তার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা Jared Kushner এবং Steve Witkoff ইতোমধ্যেই ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত রয়েছেন। এমনকি কিছু সূত্রে বলা হচ্ছে, তারা সরাসরি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi-এর সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান করছেন—যদিও এই তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই সম্ভাব্য আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে Egypt, Pakistan এবং Turkey ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে, ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী অবস্থানকে কঠোর সমালোচনার চোখে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক Foad Izadi মন্তব্য করেছেন, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হচ্ছে তিনি রাজনৈতিক চাপে রয়েছেন এবং কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় ক্রমশ ভারসাম্য হারাচ্ছেন।
রোববার Fox News-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি ইরানের অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দেন। তবে একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইরানের কিছু কর্মকর্তা বর্তমানে আলোচনায় যুক্ত এবং খুব শিগগিরই—সম্ভবত সোমবারের মধ্যেই—একটি চুক্তির ‘ভালো সম্ভাবনা’ রয়েছে।
তবে তেহরান বরাবরের মতোই ট্রাম্পের এই দাবিকে অস্বীকার করেছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যেসব আলোচনার কথা বলা হচ্ছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে মিলছে না।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী কৌশল—একদিকে চাপ সৃষ্টি, অন্যদিকে আলোচনার ইঙ্গিত—কূটনৈতিকভাবে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েই এখন আন্তর্জাতিক মহলে চলছে তীব্র আলোচনা।

আপনার মতামত লিখুন