দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত, গুরুতর আহত আরও দুইজন

সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত, গুরুতর আহত আরও দুইজন

কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের দাফন সম্পন্ন

মিরপুরের কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট

সাতক্ষীরায় কারাবন্দি সাবেক পিপি আব্দুল লতিফের মৃত্যু, হাসপাতালে নেওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ নিঃশ্বাস

বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-মেয়ে নিহত, ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছিল পরিবার

মুন্সিগঞ্জ এক্সপ্রেসওয়েতে পৃথক দুর্ঘটনা: ট্রাকচালক নিহত, আহত ৩

ফরিদপুর ও টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮, একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬ ঘোষণা, সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে উন্মুক্ত ২৬ ব্লক

কাজিপুরে বিএনপি জামাতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আ.লীগের বিক্ষোভ মিছিল

কাজিপুরে বিএনপি জামাতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আ.লীগের বিক্ষোভ মিছিল
-ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপে আসছে বড় পরিবর্তন। ২০২৬ সালের আসর থেকে অংশ নেবে ৪৮টি দেশ, যেখানে আগে খেলা হতো ৩২টি দল নিয়ে। এই পরিবর্তনের ফলে শুধু দলের সংখ্যা নয়, বাড়ছে ম্যাচের সংখ্যাও, আর পুরো টুর্নামেন্টই যাচ্ছে এক নতুন রূপে।

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই আসরটি আগের তুলনায় আরও বিস্তৃত এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

⚽ ম্যাচ ও দলের সংখ্যা বাড়ছে অনেক বেশি

আগে বিশ্বকাপে ৩২টি দল অংশ নিত, আর সেই টুর্নামেন্টে মোট ৬৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে দল বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৪৮টিতে।

এর ফলে ম্যাচের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। নতুন ফরম্যাটে গ্রুপ স্টেজ ও নকআউট পর্বে আরও বেশি ম্যাচ দেখা যাবে, যা দর্শকদের জন্য বাড়তি উত্তেজনা তৈরি করবে।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা মনে করছে, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে আরও বেশি দেশ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে এবং ফুটবল আরও বৈশ্বিক রূপ পাবে।

কেন বাড়ানো হলো দল সংখ্যা?

বিশ্বকাপে দল বাড়ানোর মূল উদ্দেশ্য হলো—বেশি দেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে এশিয়া, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ আগে সুযোগ পেলেও খুব সীমিত ছিল।

এখন ৪৮ দলের ফরম্যাটে ছোট বা উদীয়মান দেশগুলোর জন্যও বিশ্বমঞ্চে খেলার সুযোগ বাড়বে। এতে ফুটবলের জনপ্রিয়তা আরও ছড়িয়ে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

 পটভূমি: আগের পরিবর্তনের ইতিহাস

বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল ১৯৩০ সালে মাত্র ১৩টি দল নিয়ে। পরে ধীরে ধীরে প্রতিযোগিতার পরিধি বাড়তে থাকে।
১৯৯৮ সালে প্রথমবার দল সংখ্যা বাড়িয়ে ৩২ করা হয়। এরপর প্রায় ৩০ বছর ধরে এই ফরম্যাটই চলেছে।

ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বকাপকে আরও বড় করা ছিল সময়ের দাবি। কারণ বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ফুটবলের জনপ্রিয়তা আগের চেয়ে অনেক বেশি এবং নতুন দেশগুলোও ভালো মানের ফুটবল খেলছে।

 ভবিষ্যতের বিশ্বকাপ কেমন হতে পারে?

নতুন ফরম্যাটে ম্যাচ সংখ্যা বাড়ায় আয়োজক দেশগুলোর জন্য প্রস্তুতিও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। স্টেডিয়াম, নিরাপত্তা, পরিবহনসহ সব কিছুতেই বাড়তি পরিকল্পনা প্রয়োজন হবে।

তবে একই সঙ্গে এটি অর্থনৈতিকভাবে বড় সুযোগও তৈরি করবে। কারণ বেশি ম্যাচ মানে বেশি দর্শক, বেশি সম্প্রচার অধিকার এবং বেশি আয়।

 শেষ কথা

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় হতে যাচ্ছে। ৩২ দল থেকে ৪৮ দলে উন্নীত হওয়ায় প্রতিযোগিতা যেমন বাড়বে, তেমনি ফুটবলের পরিসরও আরও বিস্তৃত হবে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, এটি এখন আরও বড় একটি বৈশ্বিক উৎসবে রূপ নিচ্ছে—যেখানে আরও বেশি দেশ, আরও বেশি খেলোয়াড় এবং আরও বেশি ফুটবলপ্রেমী একসঙ্গে যুক্ত হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬


কাজিপুরে বিএনপি জামাতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আ.লীগের বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৪

featured Image

ফুটবল বিশ্বকাপে আসছে বড় পরিবর্তন। ২০২৬ সালের আসর থেকে অংশ নেবে ৪৮টি দেশ, যেখানে আগে খেলা হতো ৩২টি দল নিয়ে। এই পরিবর্তনের ফলে শুধু দলের সংখ্যা নয়, বাড়ছে ম্যাচের সংখ্যাও, আর পুরো টুর্নামেন্টই যাচ্ছে এক নতুন রূপে।

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই আসরটি আগের তুলনায় আরও বিস্তৃত এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

⚽ ম্যাচ ও দলের সংখ্যা বাড়ছে অনেক বেশি

আগে বিশ্বকাপে ৩২টি দল অংশ নিত, আর সেই টুর্নামেন্টে মোট ৬৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে দল বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৪৮টিতে।

এর ফলে ম্যাচের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। নতুন ফরম্যাটে গ্রুপ স্টেজ ও নকআউট পর্বে আরও বেশি ম্যাচ দেখা যাবে, যা দর্শকদের জন্য বাড়তি উত্তেজনা তৈরি করবে।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা মনে করছে, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে আরও বেশি দেশ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে এবং ফুটবল আরও বৈশ্বিক রূপ পাবে।

কেন বাড়ানো হলো দল সংখ্যা?

বিশ্বকাপে দল বাড়ানোর মূল উদ্দেশ্য হলো—বেশি দেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে এশিয়া, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ আগে সুযোগ পেলেও খুব সীমিত ছিল।

এখন ৪৮ দলের ফরম্যাটে ছোট বা উদীয়মান দেশগুলোর জন্যও বিশ্বমঞ্চে খেলার সুযোগ বাড়বে। এতে ফুটবলের জনপ্রিয়তা আরও ছড়িয়ে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

 পটভূমি: আগের পরিবর্তনের ইতিহাস

বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল ১৯৩০ সালে মাত্র ১৩টি দল নিয়ে। পরে ধীরে ধীরে প্রতিযোগিতার পরিধি বাড়তে থাকে।
১৯৯৮ সালে প্রথমবার দল সংখ্যা বাড়িয়ে ৩২ করা হয়। এরপর প্রায় ৩০ বছর ধরে এই ফরম্যাটই চলেছে।

ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বকাপকে আরও বড় করা ছিল সময়ের দাবি। কারণ বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ফুটবলের জনপ্রিয়তা আগের চেয়ে অনেক বেশি এবং নতুন দেশগুলোও ভালো মানের ফুটবল খেলছে।

 ভবিষ্যতের বিশ্বকাপ কেমন হতে পারে?

নতুন ফরম্যাটে ম্যাচ সংখ্যা বাড়ায় আয়োজক দেশগুলোর জন্য প্রস্তুতিও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। স্টেডিয়াম, নিরাপত্তা, পরিবহনসহ সব কিছুতেই বাড়তি পরিকল্পনা প্রয়োজন হবে।

তবে একই সঙ্গে এটি অর্থনৈতিকভাবে বড় সুযোগও তৈরি করবে। কারণ বেশি ম্যাচ মানে বেশি দর্শক, বেশি সম্প্রচার অধিকার এবং বেশি আয়।

 শেষ কথা

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় হতে যাচ্ছে। ৩২ দল থেকে ৪৮ দলে উন্নীত হওয়ায় প্রতিযোগিতা যেমন বাড়বে, তেমনি ফুটবলের পরিসরও আরও বিস্তৃত হবে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, এটি এখন আরও বড় একটি বৈশ্বিক উৎসবে রূপ নিচ্ছে—যেখানে আরও বেশি দেশ, আরও বেশি খেলোয়াড় এবং আরও বেশি ফুটবলপ্রেমী একসঙ্গে যুক্ত হবে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর