দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬

পানিবণ্টনে ভারতের কাছে ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পানিবণ্টনে ভারতের কাছে ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বায়রার অনুমোদনের অপেক্ষা, উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুরের প্রথম ইউনিট

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক আজ

ঢাকা, গাজীপুর ও রংপুর সিটির উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকার ৪ প্রকল্প অনুমোদন

দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস

সুন্দরবন ঘেঁষে ২৪ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ, ৩০ দিনের মধ্যে সরানোর সময়

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা, উঠছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প

রাত ১১টার মধ্যে বার বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

“দ্রব্যমূল্য বাড়বেই—স্পষ্ট বার্তা অর্থমন্ত্রীর: জ্বালানি সংকটে চাপে পুরো অর্থনীতি”

“দ্রব্যমূল্য বাড়বেই—স্পষ্ট বার্তা অর্থমন্ত্রীর: জ্বালানি সংকটে চাপে পুরো অর্থনীতি”
-ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, আগামী দিনে দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়া প্রায় অনিবার্য। তিনি বলেন, চলমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট দেশের অর্থনীতিতে “মরার উপর খাড়ার ঘা” হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার প্রভাব ইতোমধ্যেই বিভিন্ন খাতে পড়তে শুরু করেছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত একটি ন্যাশনাল মাল্টিস্টেকহোল্ডার কনসাল্টেশন কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালাটি বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়, যেখানে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সহযোগিতা ছিল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সংকট শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা। তিনি উদাহরণ দিয়ে জানান, যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে এবং শ্রীলঙ্কায়ও দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। এই পরিস্থিতির প্রভাব সরাসরি পড়ছে উৎপাদন খরচ, পরিবহন ব্যয় এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর। ফলে খাদ্যদ্রব্যসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়ার চাপ তৈরি হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সরকার এখনো জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় জ্বালানির দাম বাড়ায়নি এবং যতটা সম্ভব চাপ কম রাখার চেষ্টা করছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে এই ভর্তুকি বহন করা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে। সরকারি তহবিলে চাপ বাড়তে থাকলে এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত জনগণের ওপরই পড়বে বলে সতর্ক করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা একটি নির্বাচিত সরকার। জনগণের কষ্ট কমানো আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবতা বিবেচনায় একসময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হতে পারে।”

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও এর প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তাই আগাম প্রস্তুতি ও কার্যকর নীতিনির্ধারণ এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


“দ্রব্যমূল্য বাড়বেই—স্পষ্ট বার্তা অর্থমন্ত্রীর: জ্বালানি সংকটে চাপে পুরো অর্থনীতি”

প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজধানীতে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, আগামী দিনে দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়া প্রায় অনিবার্য। তিনি বলেন, চলমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট দেশের অর্থনীতিতে “মরার উপর খাড়ার ঘা” হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার প্রভাব ইতোমধ্যেই বিভিন্ন খাতে পড়তে শুরু করেছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত একটি ন্যাশনাল মাল্টিস্টেকহোল্ডার কনসাল্টেশন কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালাটি বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়, যেখানে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সহযোগিতা ছিল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সংকট শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা। তিনি উদাহরণ দিয়ে জানান, যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে এবং শ্রীলঙ্কায়ও দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। এই পরিস্থিতির প্রভাব সরাসরি পড়ছে উৎপাদন খরচ, পরিবহন ব্যয় এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর। ফলে খাদ্যদ্রব্যসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়ার চাপ তৈরি হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সরকার এখনো জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় জ্বালানির দাম বাড়ায়নি এবং যতটা সম্ভব চাপ কম রাখার চেষ্টা করছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে এই ভর্তুকি বহন করা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে। সরকারি তহবিলে চাপ বাড়তে থাকলে এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত জনগণের ওপরই পড়বে বলে সতর্ক করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা একটি নির্বাচিত সরকার। জনগণের কষ্ট কমানো আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবতা বিবেচনায় একসময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হতে পারে।”

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও এর প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তাই আগাম প্রস্তুতি ও কার্যকর নীতিনির্ধারণ এখন সময়ের দাবি।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর