দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

তিস্তা টোল প্লাজায় কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, আহত অন্তত ৯

তিস্তা টোল প্লাজায় কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, আহত অন্তত ৯

২৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল হাসান উদ্ধার, কী ঘটেছিল এই সময়ে?

রাঙ্গুনিয়ায় ওমানে নিহত ৪ ভাইকে পাশাপাশি দাফন, জানাজা পড়ালেন একমাত্র জীবিত ভাই

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন, আইসিইউ রোগীর মৃত্যু; আহত ৫

ডিএমপি কমিশনারের কঠোর বার্তা: ঢাকায় ‘মব’ ও গণপিটুনি বরদাশত নয়, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা

বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু ঘিরে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও স্বজনদের সংঘর্ষ, দুই যুবককে আটকে রাখার অভিযোগ

পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা: স্বামীকে পালাতে সাহায্যের অভিযোগে গ্রেফতার স্ত্রী স্বপ্না

মিরপুরে ৮ বছরের শিশু রামিসাকে হত্যা: ওয়াশরুমে মিলল নিথর দেহ, ক্ষোভে উত্তাল এলাকা

ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চার গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত শতাধিক

ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চার গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত শতাধিক
-ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল থেকে টানা প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের নারী-পুরুষ ও কিশোর মিলিয়ে অন্তত শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে এখনও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ গ্রামের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিংগাড়িয়া গ্রামের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় খাপুরা গ্রামের তিন যুবককে আখের রস খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর জেরে ওই দিন সন্ধ্যায় প্রথম দফায় প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হন।

রাতে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত থাকলেও শনিবার ভোর থেকে পুনরায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ৭টা থেকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। একপক্ষে ছিল মুনসুরাবাদ গ্রামের বাসিন্দারা, অন্যপক্ষে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিংগাড়িয়া গ্রামের লোকজন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষ ঘরের ছাদ, দোকানের চালা ও বিভিন্ন আড়াল থেকে ইট-পাটকেল ও কাঁচের বোতল নিক্ষেপ করে। এতে মুনসুরাবাদ বাজার এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের কয়েকজন সদস্যও আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তারা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন, নতুবা বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চার গ্রামের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত শতাধিক

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল থেকে টানা প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের নারী-পুরুষ ও কিশোর মিলিয়ে অন্তত শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে এখনও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ গ্রামের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিংগাড়িয়া গ্রামের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় খাপুরা গ্রামের তিন যুবককে আখের রস খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর জেরে ওই দিন সন্ধ্যায় প্রথম দফায় প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হন।

রাতে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত থাকলেও শনিবার ভোর থেকে পুনরায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ৭টা থেকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। একপক্ষে ছিল মুনসুরাবাদ গ্রামের বাসিন্দারা, অন্যপক্ষে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিংগাড়িয়া গ্রামের লোকজন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষ ঘরের ছাদ, দোকানের চালা ও বিভিন্ন আড়াল থেকে ইট-পাটকেল ও কাঁচের বোতল নিক্ষেপ করে। এতে মুনসুরাবাদ বাজার এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের কয়েকজন সদস্যও আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তারা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন, নতুবা বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর