দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে নতুন বিতর্ক, মুসলিম যুবকদের দূরে থাকার আহ্বান কেন?

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে নতুন বিতর্ক, মুসলিম যুবকদের দূরে থাকার আহ্বান কেন?

ডায়মন্ড হারবারে লাইব্রেরিতে বইয়ের বদলে মদের বোতল! কপাটহাটের ঘটনায় তদন্তে পুলিশ

মার্কো রুবিওর ভারত সফর শুরু কলকাতা থেকে, মাদার হাউসে শ্রদ্ধা জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পাকিস্তানে টিকটক তারকা সানা ইউসুফ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত উমর হায়াতের মৃত্যুদণ্ড

বাংলাসহ ৫০ ভাষায় পৌঁছাবে হজের খুতবা, বহুভাষিক সেবায় বদলে যাচ্ছে মক্কার হজ ব্যবস্থাপনা

তুরস্কে এক কিশোরের বন্দুক হামলা, নিহত ৪: আতঙ্কে তারসুস, চলছে ব্যাপক অভিযান

আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উদ্বেগ

ত্রিশালে রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, ভুল চিকিৎসার অভিযোগে অবরুদ্ধ চিকিৎসক

আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটি এখন ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসির হুঁশিয়ারি

আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটি এখন ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসির হুঁশিয়ারি
-ছবি: সংগৃহীত

ইরানের খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম-এর বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা

আইআরজিসির কড়া বার্তা

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন সেনাদের শিপিং পোর্ট (বন্দর), ডক এবং অন্যান্য আস্তানা থেকে আসা যেকোনো হামলার উৎস লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ চালানো হবে। একে তারা ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষার ‘বৈধ অধিকার’ বলে দাবি করেছে।

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:

"সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের উচিত জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে মার্কিন সামরিক এলাকা, বন্দর এবং ডকগুলো থেকে দ্রুত দূরে সরে যাওয়া।"


এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান, ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে সফল হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, দ্বীপটির সকল সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে, তবে সেখানকার তেল অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি করা হয়নি।


  • অর্থনীতির লাইফলাইন: ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই দ্বীপ থেকেই সম্পন্ন হয়।

  • কৌশলগত অবস্থান: বড় বড় তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলো এই দ্বীপ থেকে তেল নিয়ে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে বিশ্ববাজারে যায়।

  • প্রধান ক্রেতা: চীনের মতো দেশগুলো ইরানের তেলের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল, যারা এই দ্বীপ থেকেই মূলত তেল সংগ্রহ করে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটি এখন ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসির হুঁশিয়ারি

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরানের খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম-এর বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা

আইআরজিসির কড়া বার্তা

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন সেনাদের শিপিং পোর্ট (বন্দর), ডক এবং অন্যান্য আস্তানা থেকে আসা যেকোনো হামলার উৎস লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ চালানো হবে। একে তারা ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষার ‘বৈধ অধিকার’ বলে দাবি করেছে।

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:

"সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের উচিত জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে মার্কিন সামরিক এলাকা, বন্দর এবং ডকগুলো থেকে দ্রুত দূরে সরে যাওয়া।"


এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান, ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে সফল হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, দ্বীপটির সকল সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে, তবে সেখানকার তেল অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি করা হয়নি।


  • অর্থনীতির লাইফলাইন: ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই দ্বীপ থেকেই সম্পন্ন হয়।

  • কৌশলগত অবস্থান: বড় বড় তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলো এই দ্বীপ থেকে তেল নিয়ে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে বিশ্ববাজারে যায়।

  • প্রধান ক্রেতা: চীনের মতো দেশগুলো ইরানের তেলের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল, যারা এই দ্বীপ থেকেই মূলত তেল সংগ্রহ করে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর