দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

মেটাকে ২৫ বিলিয়ন ডলার জরিমানা, ফেসবুকের তথ্য সুরক্ষা নিয়ে বড় রায়

মেটাকে ২৫ বিলিয়ন ডলার জরিমানা, ফেসবুকের তথ্য সুরক্ষা নিয়ে বড় রায়

আসামে দুই দিনে ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ, ভাঙা হলো ১০ মসজিদ

এক দিনেই ইয়েমেনে ১১০ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সৌদি বাহিনীর

ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলায় শিশুসহ নিহত ১২, ক্লাস্টার বোমা ব্যবহারের অভিযোগ

মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, অভিযোগ মসজিদে অনৈতিক কাজ

বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে: ভারতের জেন জি আন্দোলন নিয়ে নেহা বোরা

ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে ৩১ দেশের পাইলট-ক্রুদের বাদ দিল এয়ার ফ্রান্স

দিল্লিতে ব্যারিকেড সরানো ও ইন্টারনেট-গণপরিবহন স্বাভাবিকের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

‘ইসরায়েলকে জবাব দিন, কিন্তু প্রতিবেশীকে নয়’— ইরানকে হামাসের বার্তা

‘ইসরায়েলকে জবাব দিন, কিন্তু প্রতিবেশীকে নয়’— ইরানকে হামাসের বার্তা
-ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান উত্তেজনা নিয়ে হামাসের এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি সংবাদের কাঠামোতে নিচে গুছিয়ে দেওয়া হলো:


ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এক নজিরবিহীন বিবৃতি দিয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। বিবৃতিতে ইরানকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে হামাসের এই কূটনৈতিক অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আত্মরক্ষার অধিকার ও সতর্কবার্তা

হামাস তাদের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সকল উপায়ে জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে। তবে এই পাল্টা হামলা যেন কোনোভাবেই পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়ে ইরানকে অনুরোধ জানিয়েছে তারা।


ইরানকে ‘ভাই’ সম্বোধন করে হামাস বলেছে, প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করে বরং এই অঞ্চলের সকল দেশের উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে আগ্রাসন মোকাবিলা করা। বিবৃতির মূল পয়েন্টগুলো হলো:

  • ভ্রাতৃত্ব রক্ষা: অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখা।

  • অভিন্ন শত্রু: নিজেদের মধ্যে সংঘাত না বাড়িয়ে সম্মিলিতভাবে মূল শত্রুকে মোকাবিলা করা।

  • সংঘাত নিয়ন্ত্রণ: একটি দেশের সঙ্গে অন্য দেশের সংঘাত যেন পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখা।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার লড়াইয়ের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোও বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। হামাস চাইছে: ১. ইরান যেন তার সামরিক শক্তি শুধুমাত্র সরাসরি শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। ২. প্রতিবেশীদের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্কের যেন কোনো অবনতি না ঘটে। ৩. আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যাতে ফিলিস্তিন ইস্যুতে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্য বজায় থাকে।


আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


‘ইসরায়েলকে জবাব দিন, কিন্তু প্রতিবেশীকে নয়’— ইরানকে হামাসের বার্তা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরান ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান উত্তেজনা নিয়ে হামাসের এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি সংবাদের কাঠামোতে নিচে গুছিয়ে দেওয়া হলো:


ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এক নজিরবিহীন বিবৃতি দিয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। বিবৃতিতে ইরানকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে হামাসের এই কূটনৈতিক অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আত্মরক্ষার অধিকার ও সতর্কবার্তা

হামাস তাদের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সকল উপায়ে জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে। তবে এই পাল্টা হামলা যেন কোনোভাবেই পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়ে ইরানকে অনুরোধ জানিয়েছে তারা।


ইরানকে ‘ভাই’ সম্বোধন করে হামাস বলেছে, প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করে বরং এই অঞ্চলের সকল দেশের উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে আগ্রাসন মোকাবিলা করা। বিবৃতির মূল পয়েন্টগুলো হলো:

  • ভ্রাতৃত্ব রক্ষা: অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখা।

  • অভিন্ন শত্রু: নিজেদের মধ্যে সংঘাত না বাড়িয়ে সম্মিলিতভাবে মূল শত্রুকে মোকাবিলা করা।

  • সংঘাত নিয়ন্ত্রণ: একটি দেশের সঙ্গে অন্য দেশের সংঘাত যেন পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখা।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার লড়াইয়ের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোও বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। হামাস চাইছে: ১. ইরান যেন তার সামরিক শক্তি শুধুমাত্র সরাসরি শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। ২. প্রতিবেশীদের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্কের যেন কোনো অবনতি না ঘটে। ৩. আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যাতে ফিলিস্তিন ইস্যুতে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্য বজায় থাকে।



দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর