দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০১ আগস্ট ২০২৪

বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রিজভী

বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রিজভী

নারী উদ্যোক্তা আন্দোলনের অগ্রদূত সেলিমা আহমাদ আর নেই, রেখে গেলেন অনুপ্রেরণার এক ইতিহাস

সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত, গুরুতর আহত আরও দুইজন

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ, ঢাকায় এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল

সাভারে মৎস্যজীবী দলের সভায় খোরশেদ আলম: তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

দেশজুড়ে ধর্ষণ ও হত্যার বিচার দাবিতে এনসিপির মশাল মিছিল, শাহবাগে প্রতিবাদের ঢল

জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের অভিযোগ—‘রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় বিলুপ্ত করা হয়েছে বিচার বিভাগীয় সচিবালয়’

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ, সরকার স্বীকার করছে না: ডা. শফিকুর রহমান

জামায়াতকে নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন কিছুক্ষণের মধ্যে : আইনমন্ত্রী

জামায়াতকে নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন কিছুক্ষণের মধ্যে : আইনমন্ত্রী
-ছবি: সংগৃহীত

সরকারের পক্ষ থেকে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরকে রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের নিজ কক্ষের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কিছুক্ষণের মধ্যেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন (গেজেট) জারি করা হতে পারে।

আইনমন্ত্রী বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে, যা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। তার ভাষায়, “এই নিষিদ্ধকরণের বিষয়টি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় ধাপগুলো সম্পন্ন করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, গত কয়েকদিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল আইন মন্ত্রণালয়ে। পরে তা যাচাই-বাছাই করে লেজিসলেটিভ বিভাগে ভেটিং শেষে আবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, “আইনি সব বাধ্যবাধকতা পূরণ করা হয়েছে। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো গেজেট প্রকাশ করা। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি প্রকাশ হতে পারে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮/১ ধারার আওতায় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল ও তাদের অঙ্গ সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর জন্য দ্বিতীয় তফসিল অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, “আমরা আইনি কাঠামোর মধ্যেই সবকিছু করছি। কোনো ধরনের প্রক্রিয়ার বাইরে কিছু করা হচ্ছে না। পুরো বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত।”

এদিকে সরকারের এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও আইনি দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

পটভূমি হিসেবে জানা যায়, বাংলাদেশে অতীতে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইন বা বিশেষ আইনগত কাঠামোর আওতায় নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত করার ঘটনা ঘটেছে। এসব সিদ্ধান্ত সাধারণত নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার যুক্তি দেখিয়ে নেওয়া হয়।

তবে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশের আগে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।

সব মিলিয়ে, আইনমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এখন সবার নজর রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গেজেট প্রকাশের দিকে, যা এ বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিষয় : জামায়াতকে নিষিদ্ধের

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


জামায়াতকে নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন কিছুক্ষণের মধ্যে : আইনমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৪

featured Image

সরকারের পক্ষ থেকে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরকে রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের নিজ কক্ষের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কিছুক্ষণের মধ্যেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন (গেজেট) জারি করা হতে পারে।

আইনমন্ত্রী বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে, যা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। তার ভাষায়, “এই নিষিদ্ধকরণের বিষয়টি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় ধাপগুলো সম্পন্ন করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, গত কয়েকদিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল আইন মন্ত্রণালয়ে। পরে তা যাচাই-বাছাই করে লেজিসলেটিভ বিভাগে ভেটিং শেষে আবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, “আইনি সব বাধ্যবাধকতা পূরণ করা হয়েছে। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো গেজেট প্রকাশ করা। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি প্রকাশ হতে পারে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮/১ ধারার আওতায় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল ও তাদের অঙ্গ সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর জন্য দ্বিতীয় তফসিল অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, “আমরা আইনি কাঠামোর মধ্যেই সবকিছু করছি। কোনো ধরনের প্রক্রিয়ার বাইরে কিছু করা হচ্ছে না। পুরো বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত।”

এদিকে সরকারের এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও আইনি দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

পটভূমি হিসেবে জানা যায়, বাংলাদেশে অতীতে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইন বা বিশেষ আইনগত কাঠামোর আওতায় নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত করার ঘটনা ঘটেছে। এসব সিদ্ধান্ত সাধারণত নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার যুক্তি দেখিয়ে নেওয়া হয়।

তবে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশের আগে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।

সব মিলিয়ে, আইনমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এখন সবার নজর রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গেজেট প্রকাশের দিকে, যা এ বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট করবে বলে মনে করা হচ্ছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর