দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পানিবণ্টনে ভারতের কাছে ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পানিবণ্টনে ভারতের কাছে ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বায়রার অনুমোদনের অপেক্ষা, উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুরের প্রথম ইউনিট

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক আজ

ঢাকা, গাজীপুর ও রংপুর সিটির উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকার ৪ প্রকল্প অনুমোদন

দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস

সুন্দরবন ঘেঁষে ২৪ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ, ৩০ দিনের মধ্যে সরানোর সময়

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা, উঠছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প

রাত ১১টার মধ্যে বার বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪: কুমিল্লার একই পরিবারের সদস্যদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪: কুমিল্লার একই পরিবারের সদস্যদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
-ফাইল ফটো

 কুমিল্লার দাউদকান্দিতে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ চারজন দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোররাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে দ্রুত রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দাউদকান্দিতে নিজ বাড়িতে ভোরবেলা রান্নার প্রস্তুতির সময় হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার থেকে লিকেজ হওয়া গ্যাস বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘরে থাকা একই পরিবারের চার সদস্য দগ্ধ হন। সকাল ৬টার দিকে তাদের গুরুতর অবস্থায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে আনা হয়।

দগ্ধদের পরিচয় ও শারীরিক অবস্থা

দগ্ধরা হলেন:

১. উম্মে হুমায়রা (৩০) – শরীরের ৬৫ শতাংশ দগ্ধ।

২. জিল হক (৩৭) – শরীরের ৫৪ শতাংশ দগ্ধ।

৩. হুররাম (২) – শরীরের ৬ শতাংশ দগ্ধ।

৪. মনোয়ারা বেগম (৬০) – শরীরের ২ শতাংশ দগ্ধ।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দগ্ধদের মধ্যে উম্মে হুমায়রা এবং জিল হকের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তাদের শরীরের একটি বড় অংশ পুড়ে যাওয়ায় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শিশু হুররাম ও বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগমের দগ্ধের পরিমাণ কম হলেও তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

চিকিৎসকদের বক্তব্য

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দাউদকান্দি থেকে ভোরেই তাদের নিয়ে আসা হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় দুইজনের শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে তাদের ড্রেসিং ও পরবর্তী চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলছে।

দাউদকান্দি থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, সিলিন্ডার বা পাইপলাইনে দীর্ঘক্ষণ লিকেজ থাকার ফলে ঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪: কুমিল্লার একই পরিবারের সদস্যদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

 কুমিল্লার দাউদকান্দিতে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ চারজন দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোররাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে দ্রুত রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দাউদকান্দিতে নিজ বাড়িতে ভোরবেলা রান্নার প্রস্তুতির সময় হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার থেকে লিকেজ হওয়া গ্যাস বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘরে থাকা একই পরিবারের চার সদস্য দগ্ধ হন। সকাল ৬টার দিকে তাদের গুরুতর অবস্থায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে আনা হয়।

দগ্ধদের পরিচয় ও শারীরিক অবস্থা

দগ্ধরা হলেন:

১. উম্মে হুমায়রা (৩০) – শরীরের ৬৫ শতাংশ দগ্ধ।

২. জিল হক (৩৭) – শরীরের ৫৪ শতাংশ দগ্ধ।

৩. হুররাম (২) – শরীরের ৬ শতাংশ দগ্ধ।

৪. মনোয়ারা বেগম (৬০) – শরীরের ২ শতাংশ দগ্ধ।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দগ্ধদের মধ্যে উম্মে হুমায়রা এবং জিল হকের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তাদের শরীরের একটি বড় অংশ পুড়ে যাওয়ায় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শিশু হুররাম ও বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগমের দগ্ধের পরিমাণ কম হলেও তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

চিকিৎসকদের বক্তব্য

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দাউদকান্দি থেকে ভোরেই তাদের নিয়ে আসা হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় দুইজনের শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে তাদের ড্রেসিং ও পরবর্তী চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলছে।

দাউদকান্দি থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, সিলিন্ডার বা পাইপলাইনে দীর্ঘক্ষণ লিকেজ থাকার ফলে ঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর