রাজধানীর গুলশান–বনানী এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, অতীতের মতোই ভবিষ্যতেও দলীয় কার্যক্রমে তিনি ও তার সহকর্মীরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর তিনি জানান, দলের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা কাজ করছেন, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
আব্দুল্লাহ আল মামুন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকসহ অন্যান্য নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, গুলশান, বনানী, কড়াইল, বারিধারা ও আশপাশের এলাকার নেতাকর্মীরা এখন সংগঠনের কার্যক্রমে নতুন উদ্দীপনা পাচ্ছেন। তার মতে, সঠিক সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ফিরে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে সবসময় ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা খুশি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহ আল মামুন ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন। ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় এবং পরে তিনি বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি আরও জানান, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় তিনি মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন এবং সেই সময়ে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। তবে এসব অভিযোগ এখনো বিচারাধীন এবং বিভিন্ন পর্যায়ে তা নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে।
২০২২ সালের দলীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি পুনরায় স্থানীয় সাংগঠনিক দায়িত্ব পান বলে দাবি করেন। এরপর থেকে তিনি এলাকার দলীয় কর্মসূচি, সভা-সমাবেশ এবং সামাজিক কার্যক্রমে যুক্ত আছেন।
স্থানীয় কিছু নেতাকর্মী জানিয়েছেন, গুলশান–বনানী ও কড়াইল এলাকায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে সামাজিক ও শিক্ষা কার্যক্রমে তার উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে পরিচিতি পেয়েছে।
জানা যায়, তিনি ২০০৪ সালে স্থানীয়ভাবে একটি শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়েছে। এলাকাবাসীর মতে, ওই উদ্যোগ অনেক শিক্ষার্থীর জন্য সহায়ক হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশে তিনি নিজেকে একজন সংগঠক ও সমাজসেবক হিসেবে উপস্থাপন করেন। তার দাবি, বিএনপির ঘোষিত রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি ভবিষ্যতেও মাঠে সক্রিয় থাকবেন।
এদিকে স্থানীয় কিছু নাগরিক মনে করেন, গুলশান–বনানী এলাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সংগঠিত নেতৃত্ব প্রয়োজন। তারা আশা প্রকাশ করেন, দলীয় কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হবে।
সবশেষে, আব্দুল্লাহ আল মামুন দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেন এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
সব মিলিয়ে গুলশান–বনানী এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ঘিরে নতুন করে সক্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গতিবেগ তৈরি করছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রাজধানীর গুলশান–বনানী এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, অতীতের মতোই ভবিষ্যতেও দলীয় কার্যক্রমে তিনি ও তার সহকর্মীরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর তিনি জানান, দলের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা কাজ করছেন, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
আব্দুল্লাহ আল মামুন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকসহ অন্যান্য নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, গুলশান, বনানী, কড়াইল, বারিধারা ও আশপাশের এলাকার নেতাকর্মীরা এখন সংগঠনের কার্যক্রমে নতুন উদ্দীপনা পাচ্ছেন। তার মতে, সঠিক সিদ্ধান্তের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ফিরে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে সবসময় ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা খুশি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহ আল মামুন ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন। ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় এবং পরে তিনি বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি আরও জানান, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় তিনি মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন এবং সেই সময়ে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। তবে এসব অভিযোগ এখনো বিচারাধীন এবং বিভিন্ন পর্যায়ে তা নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে।
২০২২ সালের দলীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি পুনরায় স্থানীয় সাংগঠনিক দায়িত্ব পান বলে দাবি করেন। এরপর থেকে তিনি এলাকার দলীয় কর্মসূচি, সভা-সমাবেশ এবং সামাজিক কার্যক্রমে যুক্ত আছেন।
স্থানীয় কিছু নেতাকর্মী জানিয়েছেন, গুলশান–বনানী ও কড়াইল এলাকায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে সামাজিক ও শিক্ষা কার্যক্রমে তার উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে পরিচিতি পেয়েছে।
জানা যায়, তিনি ২০০৪ সালে স্থানীয়ভাবে একটি শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়েছে। এলাকাবাসীর মতে, ওই উদ্যোগ অনেক শিক্ষার্থীর জন্য সহায়ক হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশে তিনি নিজেকে একজন সংগঠক ও সমাজসেবক হিসেবে উপস্থাপন করেন। তার দাবি, বিএনপির ঘোষিত রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি ভবিষ্যতেও মাঠে সক্রিয় থাকবেন।
এদিকে স্থানীয় কিছু নাগরিক মনে করেন, গুলশান–বনানী এলাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সংগঠিত নেতৃত্ব প্রয়োজন। তারা আশা প্রকাশ করেন, দলীয় কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হবে।
সবশেষে, আব্দুল্লাহ আল মামুন দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেন এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
সব মিলিয়ে গুলশান–বনানী এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ঘিরে নতুন করে সক্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন গতিবেগ তৈরি করছে।

আপনার মতামত লিখুন