দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন

সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন

সংকুচিত হচ্ছে জনশক্তি রপ্তানির বাজার,দুই মাসে কর্মী যাওয়া কমেছে ৩৬.৪৭ শতাংশ

দেশের আট বিভাগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ

জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ একাডেমি, পাশে হবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার

১৫ অক্টোবর থেকে ন্যাশনাল ব্যাংকে স্বাভাবিক লেনদেন, এটিএমে মিলবে নগদ টাকা

নিরাপদ পানির নিশ্চয়তায় ২৫ হাজার কোটি টাকার সমন্বিত প্রকল্পের পরিকল্পনা

পানিবণ্টনে ভারতের কাছে ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বায়রার অনুমোদনের অপেক্ষা, উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুরের প্রথম ইউনিট

৩০০ সংসদীয় আসনের সীমানা চূড়ান্ত, গাজীপুরে আসন বাড়ল বাগেরহাটে কমল

৩০০ সংসদীয় আসনের সীমানা চূড়ান্ত, গাজীপুরে আসন বাড়ল বাগেরহাটে কমল
-ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণ করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) এ গেজেট প্রকাশ করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের কয়েকটি এলাকায় সংসদীয় আসনের কাঠামোতে পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে গাজীপুর ও বাগেরহাট জেলায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে।

নতুন সীমানা অনুযায়ী গাজীপুর জেলায় একটি আসন বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সেখানে নতুন করে গাজীপুর-৬ আসন যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে বাগেরহাট জেলায় একটি আসন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বাগেরহাট-৪ আসনটি বাদ দেওয়া হয়েছে।


ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাগেরহাট-৪ আসনের অন্তর্ভুক্ত মোড়লগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা এখন থেকে বাগেরহাট-৩ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে ওই এলাকার ভোটার কাঠামো ও নির্বাচনী সমীকরণে পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সীমানা পুনঃনির্ধারণের কাজ শুরু করা হয়। এ লক্ষ্যে ইসির একটি বিশেষায়িত কমিটি দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন জেলার জনসংখ্যা, ভোটার সংখ্যা এবং প্রশাসনিক কাঠামো বিশ্লেষণ করে সুপারিশ তৈরি করে।

এর আগে গত ৩০ জুলাই সংসদীয় আসনগুলোর খসড়া সীমানা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই খসড়ার ওপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও ব্যক্তির কাছ থেকে মতামত ও আপত্তি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে সেই মতামত পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হলো।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই জনসংখ্যার পরিবর্তন ও প্রশাসনিক বাস্তবতা বিবেচনা করে আসন সীমানা পুনঃনির্ধারণ করা হয়। এর উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি আসনে ভোটারের ভারসাম্য নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশে সাধারণত প্রতি জাতীয় নির্বাচনের আগে বা নির্দিষ্ট সময় পর পর সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস করা হয়। এতে জনসংখ্যার পরিবর্তন, নগরায়ন এবং প্রশাসনিক পরিবর্তনের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়। বিশেষ করে দ্রুত বর্ধনশীল জেলা যেমন গাজীপুরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে অতিরিক্ত আসনের প্রয়োজন দেখা দেয়।

অন্যদিকে কিছু জেলায় জনসংখ্যা বা ভোটার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কমে গেলে বা ভারসাম্যহীন হলে সেখানে আসন কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার উদাহরণ হিসেবে এবার বাগেরহাটের পরিবর্তন দেখা গেছে।

সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনের এই চূড়ান্ত গেজেট আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিকে আরও এগিয়ে নিলো। এখন রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী কৌশল ও প্রার্থী মনোনয়নে নতুন এই সীমানা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিষয় : সংসদীয় বাগেরহাটে

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


৩০০ সংসদীয় আসনের সীমানা চূড়ান্ত, গাজীপুরে আসন বাড়ল বাগেরহাটে কমল

প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণ করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) এ গেজেট প্রকাশ করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের কয়েকটি এলাকায় সংসদীয় আসনের কাঠামোতে পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে গাজীপুর ও বাগেরহাট জেলায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে।

নতুন সীমানা অনুযায়ী গাজীপুর জেলায় একটি আসন বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সেখানে নতুন করে গাজীপুর-৬ আসন যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে বাগেরহাট জেলায় একটি আসন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বাগেরহাট-৪ আসনটি বাদ দেওয়া হয়েছে।


ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাগেরহাট-৪ আসনের অন্তর্ভুক্ত মোড়লগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা এখন থেকে বাগেরহাট-৩ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে ওই এলাকার ভোটার কাঠামো ও নির্বাচনী সমীকরণে পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সীমানা পুনঃনির্ধারণের কাজ শুরু করা হয়। এ লক্ষ্যে ইসির একটি বিশেষায়িত কমিটি দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন জেলার জনসংখ্যা, ভোটার সংখ্যা এবং প্রশাসনিক কাঠামো বিশ্লেষণ করে সুপারিশ তৈরি করে।

এর আগে গত ৩০ জুলাই সংসদীয় আসনগুলোর খসড়া সীমানা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই খসড়ার ওপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও ব্যক্তির কাছ থেকে মতামত ও আপত্তি গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে সেই মতামত পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হলো।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই জনসংখ্যার পরিবর্তন ও প্রশাসনিক বাস্তবতা বিবেচনা করে আসন সীমানা পুনঃনির্ধারণ করা হয়। এর উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি আসনে ভোটারের ভারসাম্য নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশে সাধারণত প্রতি জাতীয় নির্বাচনের আগে বা নির্দিষ্ট সময় পর পর সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস করা হয়। এতে জনসংখ্যার পরিবর্তন, নগরায়ন এবং প্রশাসনিক পরিবর্তনের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়। বিশেষ করে দ্রুত বর্ধনশীল জেলা যেমন গাজীপুরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে অতিরিক্ত আসনের প্রয়োজন দেখা দেয়।

অন্যদিকে কিছু জেলায় জনসংখ্যা বা ভোটার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কমে গেলে বা ভারসাম্যহীন হলে সেখানে আসন কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার উদাহরণ হিসেবে এবার বাগেরহাটের পরিবর্তন দেখা গেছে।

সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনের এই চূড়ান্ত গেজেট আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিকে আরও এগিয়ে নিলো। এখন রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী কৌশল ও প্রার্থী মনোনয়নে নতুন এই সীমানা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর