মুন্সীগঞ্জে গোপনে এক নারীর ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা ও স্বর্ণালংকার দাবির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. ফাহিম মোল্লা (২১), মো. রবিন মোল্লা ও মো. জিসান দেওয়ান (২০)। তাঁদের সবার বাড়ি মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার কাটাখালী এলাকায়।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ অক্টোবর দুপুরে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার রনছ হাওলাদারপাড়া এলাকায় এক নারী পোশাক পরিবর্তনের সময় তাঁর অজ্ঞাতে কৌশলে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
পরে ‘Lamiya Khan’ নামের একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে ওই নারীর সঙ্গে মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। একপর্যায়ে ধারণ করা ভিডিও তাঁকে পাঠিয়ে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয় এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনাটি জানার পর মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. কামরান হোসেনের তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসতিয়াক আশফাক রাসেলের নেতৃত্বে একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালায়। গত ২৫ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত একটি মুঠোফোন উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াকুব হোসেন জানান, অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছেন কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
কোনো ব্যক্তির অজ্ঞাতে তাঁর ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ, তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো কিংবা ভিডিও ব্যবহার করে অর্থ বা সম্পদ দাবি করার অভিযোগ গুরুতর। এ ধরনের ঘটনায় ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি শেয়ার করা, সংরক্ষণ করে ছড়িয়ে দেওয়া বা ভুক্তভোগীকে শনাক্ত করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকা উচিত।
সর্বশেষ অবস্থা: পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত বিচারিক নিষ্পত্তি আদালতের মাধ্যমে হবে।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জে গোপনে এক নারীর ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা ও স্বর্ণালংকার দাবির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. ফাহিম মোল্লা (২১), মো. রবিন মোল্লা ও মো. জিসান দেওয়ান (২০)। তাঁদের সবার বাড়ি মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার কাটাখালী এলাকায়।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ অক্টোবর দুপুরে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার রনছ হাওলাদারপাড়া এলাকায় এক নারী পোশাক পরিবর্তনের সময় তাঁর অজ্ঞাতে কৌশলে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
পরে ‘Lamiya Khan’ নামের একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে ওই নারীর সঙ্গে মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। একপর্যায়ে ধারণ করা ভিডিও তাঁকে পাঠিয়ে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয় এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনাটি জানার পর মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. কামরান হোসেনের তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসতিয়াক আশফাক রাসেলের নেতৃত্বে একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালায়। গত ২৫ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত একটি মুঠোফোন উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াকুব হোসেন জানান, অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছেন কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
কোনো ব্যক্তির অজ্ঞাতে তাঁর ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ, তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো কিংবা ভিডিও ব্যবহার করে অর্থ বা সম্পদ দাবি করার অভিযোগ গুরুতর। এ ধরনের ঘটনায় ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি শেয়ার করা, সংরক্ষণ করে ছড়িয়ে দেওয়া বা ভুক্তভোগীকে শনাক্ত করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকা উচিত।
সর্বশেষ অবস্থা: পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত বিচারিক নিষ্পত্তি আদালতের মাধ্যমে হবে।

আপনার মতামত লিখুন